Logo
Logo
×

Advertisement

প্রথম পাতা

না পাওয়ায় ক্ষোভ

ডিলারের গুদাম ভেঙে ১০ হাজার কেজি সার নিয়ে গেলেন কৃষকরা

Icon

কুড়িগ্রাম ও ভূরুঙ্গামারী প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ডিলারের গুদাম ভেঙে ১০ হাজার কেজি সার নিয়ে গেলেন কৃষকরা

Advertisement

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সার না পেয়ে কৃষকরা জোট বেঁধে এক ডিলারের গুদামের দরজা ভেঙে প্রায় ১০ হাজার কেজি সার নিয়ে গেছেন। রোববার উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মুকুল হাজীর মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে ঘটনাটি ঘটে। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩টি সারের বস্তা ফেরত দিয়েছেন। বাকি সার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শিলখুড়ি ইউনিয়নের ডিলার শাহ আমানত ট্রেডার্সের মালিক তাইফুর রহমান মুকুল পর্যাপ্ত পরিমাণ সার বরাদ্দ পেলেও কৃষকদের দিতে গড়িমসি করছিলেন। তার বরাদ্দ ছিল এক হাজার ৩২০ বস্তা সার। এর মধ্যে গুদামে মজুত ছিল ৩৪০ বস্তা সার। কিন্তু কৃষকরা কয়েকবার গুদামে গিয়েও সার না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। টাকা দিয়ে সময়মতো চাহিদা মোতাবেক সার কিনতে না পেরে কৃষকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। 

বিক্ষুব্ধ ২ শতাধিক কৃষক শনিবার শিলখুড়ি ডিলার পয়েন্টে সারের জন্য একত্রিত হয়। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর ডিলার পয়েন্ট না খুলে টালবাহানা করতে থাকেন। বেলা ১১টার দিকে কৃষকরা গুদামের দরজা ভেঙে ৫০ কেজি ওজনের ১৯৭টি বস্তার ৯ হাজার ৮৫০ কেজি ইউরিয়া সার নিয়ে যান। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বাকি সার রক্ষা করে।

ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিমুদ্দিন বলেন, ওই ইউনিয়নে চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা সার। কিন্তু মোট বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৩২০টি বস্তা। উত্তোলন আরও কম ছিল। ডিলার কৃষকের চাহিদা মতো সার সরবরাহ করতে গড়িমসি করছিলেন। ফলে কৃষকরা সার না পাওয়ার শঙ্কা থেকে গুদাম ভেঙে সার নিয়ে গেছেন। বাকি সার উদ্ধারের চেষ্টা করছে পুলিশ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার বলেন, আমাদের উপজেলায় আগস্ট মাসে ইউরিয়া সারের চাহিদা ছিল ৬৮০ মেট্রিক টন। সেটি আমরা পেয়েছি এবং বিতরণও চলছে। উপজেলায় ইউরিয়া সারের সংকট নেই। কৃষকরা আতঙ্কে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন। লুট হওয়া বাকি সার ফেরত আনার চেষ্টা চলছে। কৃষকদের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির কারণে এমনটি হয়ে থাকতে পারে। আমরা কৃষকদের সচেতনতার জন্য কাজ করছি আর আশ্বস্ত করছি সারের কোনো সংকট নেই। 

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ বলেন, বিতরণ শুরুর আগেই কিছু উচ্ছৃঙ্খল মানুষ পেনিক ছড়িয়ে সার লুট করে নিয়ে গেছে। কিছু সার উদ্ধার হয়েছে এবং বাকিটা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। সরেজমিন পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা

ছক কষে পোশাক খাতে অস্থিরতা

বাগেরহাটে প্রধানমন্ত্রী শ্রমিকদের নতুন মজুরি দুই মাসের মধ্যে

শ্রমিকদের নতুন মজুরি দুই মাসের মধ্যে

বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াতে ব্যর্থ বিপিসি কোটি সিলিন্ডার অলস দাম চড়ছে এলপিজির

কোটি সিলিন্ডার অলস দাম চড়ছে এলপিজির

তিন কারণে ভরাডুবি ট্রাম্পের ট্রাম্প কার্ড হাতছাড়া

ট্রাম্পের ট্রাম্প কার্ড হাতছাড়া

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম