যুগান্তর প্রতিবেদনের সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি
বিএসইসির জনবল নিয়োগে ভয়ংকর জালিয়াতি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) জনবল নিয়োগে ভয়াবহ জালিয়াতির প্রমাণ মিলেছে। এ ব্যাপারে যুগান্তরের প্রতিবেদনের সত্যতা পেয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। ১২৭ জনের বিশাল এই নিয়োগে ছাড়পত্রহীন নিয়োগ, ত্রুটিপূর্ণ বাছাই কমিটি এবং পরীক্ষার খাতা গায়েবের চিত্র উঠে এসেছে। এর সঙ্গে বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের সম্পৃক্ততা মিলেছে। ছয় সদস্যের কমিটি গত বছরের ২৯ এপ্রিল উচ্চ আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে উচ্চ আদালতের বিচারপতি একেএম আসাদুউজ্জামান এবং মুহাম্মদ মাহবুবুল ইসলামের বেঞ্চ ওই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে তদন্তের আদেশ দেন। তবে রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর অদৃশ্য কারণে প্রতিবেদনটি লাল ফিতায় আটকে আছে। তদন্ত প্রতিবেদনের সর্বশেষ অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ আবুল কালাম মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই।’
প্রসঙ্গত, বিএসইসির নিয়োগ নিয়ে ২০২৪ সালের ৮ জুলাই একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে যুগান্তর। প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘বিএসইসির নিয়োগ পদোন্নতি পদায়ন বেপরোয়া জালিয়াতি স্বেচ্ছাচারিতা’। প্রতিবেদনে করোনার মধ্যে যখন সবকিছু বন্ধ ছিল, তখন কীভাবে সরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে ১২৭ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়, তা তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর রিট পিটিশনের মাধ্যমে জালিয়াতির বিষয়টি উচ্চ আদালতের নজরে আনেন মো. আরিফ চৌধুরী নামে জনৈক আইনজীবী। রিট নম্বর ১০৮৩২/২০২৪। শুনানি শেষে ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর উচ্চ আদালত রুল জারি করেন। এতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সিনিয়র সচিব মোখলেস উর রহমানকে তদন্ত কমিটি গঠন করে তিন মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। পরে আদালতের নির্দেশে তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২১ সালের ২৫ মার্চ বিএসইসির সহকারী পরিচালক মাহমুদা শিরিনের স্বাক্ষরে ৯ম থেকে ২০তম গ্রেডের ১৩ ক্যাটাগরির মোট ১২৭টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। ওই বছরের ১৯ জুন থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত পরীক্ষার মাধ্যমে এসব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেয় বিএসইসি। কিন্তু এর প্রতিটি ধাপেই বিধি লঙ্ঘন ও অনিয়মের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মিলেছে। প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র ছাড়াই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রায় তিন সপ্তাহ পর বাছাই কমিটি গঠন, কমিটিতে অযোগ্য কর্মচারীকে সদস্য সচিব করা এবং লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র সংরক্ষণে চরম উদাসীনতার প্রমাণ মিলেছে তদন্ত রিপোর্টে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১২৭ পদের বিপরীতে আবেদন করেন ৩২ হাজার ৪২০ জন প্রার্থী। লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২০২১ সালের ১৯ জুন থেকে ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। ১৯ হাজার ৬০৪ জন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। উপস্থিতির হার ৬০ দশমিক ৪৭ শতাংশ। উত্তীর্ণ হন ২ হাজার ৬৮৫ জন। এর মধ্যে ৯৪০ জনকে মৌখিক পরীক্ষার কার্ড দেওয়া হয়। কমিশনের চেয়ারম্যান তৎকালীন চেয়ারম্যান প্রফেসর শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম ও কমিশনার ড. শামসুদ্দীন আহমেদসহ সদস্যদের সভাপতিত্বে ৪৭টি বোর্ডে মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) নিয়োগ চূড়ান্ত হয়। ভাইভার সময়সীমা ছিল ২০২১ সালের ১০ আগস্ট থেকে ১৩ ডিসেম্বর।
যেসব অনিয়ম চিহ্নিত হয়েছে : তদন্ত প্রতিবেদনে এই নিয়োগে সুনির্দিষ্ট ৬টি অনিয়মের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম হলো ছাড়পত্র ছাড়াই নিয়োগ। ১৯৮৯ ও ২০১০ সালের সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী বিএসইসির মতো সংবিধিবদ্ধ সংস্থায় রাজস্ব খাতের সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদ পূরণে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের (অর্থ মন্ত্রণালয়) ছাড়পত্র বাধ্যতামূলক। কিন্তু বিএসইসি তা আমলে নেয়নি। এমনকি মন্ত্রণালয়কে অবহিতও করেনি। দ্বিতীয় অনিয়ম হলো ত্রুটিপূর্ণ বাছাই কমিটি। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রায় তিন সপ্তাহ পর ২০২১ সালের ১৫ এপ্রিল বিএসইসির ৭৭০তম কমিশন সভায় বাছাই কমিটি গঠিত হয়। এটি নিয়মের ব্যত্যয়। এতে ১০ম গ্রেডের একজন কর্মচারীকে নিয়োগ কমিটির সদস্য-সচিব করা হয়। কিন্তু এই নিয়োগে ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তাও রয়েছেন। ফলে ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তার নিয়োগে দশম গ্রেডের কর্মকর্তা থাকতে পারেন না। কমিটিতে বাইরের কাউকে সদস্যও রাখা হয়নি।
তৃতীয়ত, বাছাই কমিটি ছিল অকার্যকর। নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের দায়িত্ব দেওয়া হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদকে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগেই এই সিদ্ধান্ত হয়। ওই বছরের ২১ মার্চ কমিশনের ৭৬৬তম সভায় সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু কোনো চুক্তিপত্র ছাড়াই তারা দায়িত্ব পায়। আবেদন গ্রহণ থেকে লিখিত পরীক্ষার ফল প্রস্তুত পর্যন্ত পুরো কাজ করে এই বহিরাগত সংস্থা। সেখানে বাছাই কমিটির কোনো সম্পৃক্ততা মেলেনি। মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণের এখতিয়ারও ছিল বাছাই কমিটির। কিন্তু কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা নিজেরাই ৪৭টি ভাইভা বোর্ডের সভাপতিত্ব করেন। তদন্ত কমিটি এখানে স্বার্থের সংঘাত হিসাবে চিহ্নিত করেছে।
চতুর্থ অনিয়ম হলো-উত্তরপত্র সংরক্ষণে ব্যর্থতা। লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের পর তা বিএসইসিকে ফেরত দেওয়া হয়নি। ব্যবসা প্রশাসন অনুষদ নিজেরাও সংরক্ষণ করেনি। কারণ হিসাবে তারা বলছে চুক্তিতে এ সংক্রান্ত কোনো শর্তই ছিল না। তদন্ত কমিটি এটিকে কমিশনের ‘মারাত্মক প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা’ বলে উল্লেখ করেছে। পঞ্চম বিষয় হলো-লকডাউনের মধ্যে পরীক্ষা। করোনাকালীন বিধিনিষেধের মধ্যে ২০২১ সালের ১৯ জুন থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর সময় নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হয়। কিন্তু এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পূর্বানুমতি নেওয়া হয়নি।
সর্বশেষ অনিয়ম হলো-বিধি অনুসরণে ব্যর্থতা। বিএসইসি কর্মচারী চাকরি বিধিমালা, ২০২১-এর ৪(৪) বিধি অনুযায়ী সরাসরি নিয়োগ বাছাই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে হওয়ার কথা। কিন্তু এ সংক্রান্ত কোনো কার্যবিবরণীই বিএসইসি সরবরাহ করতে পারেনি।
এদিকে নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সিনিয়র সচিব ড. মোখলেস উর রহমানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে গত বছর আরেকটি রিট করেন আরিফ চৌধুরী। যার নম্বর পিটিশন নং-৮০/২০২৫। এরপরই নড়েচড়ে বসে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ওই বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির প্রধান ছিলেন বিধি অনুবিভাগের তৎকালীন অতিরিক্ত সচিব আলেয়া আক্তার। ১৯ ফেব্রুয়ারি কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।
তবে আলেয়া আক্তার সচিব পদে পদোন্নতি পেয়ে অন্যত্র পদায়িত হয়। এরপর ওই বছরের ২ মার্চ কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হককে। কমিটির দ্বিতীয় সভা বসে ৯ মার্চ। এরপর কমিটির সদস্য সচিবও বদলি হয়ে যান। পরে ওই বছরের ১৬ এপ্রিল উপসচিব এলিশ শরমিনকে সদস্য সচিব হিসাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়। কমিটিতে অন্যদের মধ্যে ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ শামীম সোহেল ও নাসরিন সুলতানা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্মসচিব ড. দেলোয়ার হোসেন এবং বিএসইসির পরিচালক প্রদীপ কুমার বসাক। কমিটি ৯ এপ্রিল তৃতীয় ও ২০ এপ্রিল চতুর্থ সভা করে। যেখানে বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ ও আলোচনা শেষে গত বছরের ২৪ এপ্রিল সর্বসম্মতভাবে প্রতিবেদন চূড়ান্ত করে কমিটি। এই তদন্ত প্রতিবেদন ২৯ এপ্রিল অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় এবং বিএসইসিকে পাঠানো হয়। অনিয়মের মাধ্যমে যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তারা হলেন-সহকারী পরিচালক (জেনারেল) শরিফুল ইসলাম, রানা দাস, লামিয়া আক্তার, সাকিল আহমেদ, আতিকুল্লাহ খান, সৌরভ মল্লিক, মারজিয়া জাহান, জনি হোসাইন, মো. ফয়সাল ইসলাম, নুজহাত খাদিজা মিম, মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, মো. মতিউর রহমান, মো. কামাল হোসেন, মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান ভূঁইয়া, তন্ময় কুমার ঘোষ, মাহমুদুর রহমান, মো. সাগর ইসলাম, মো. মারুফ হাসান, মো. মোসাব্বির আল আশিক, মো. আমিরুল ইসলাম, মো. মেহেদী হাসান রনি, মো. রায়হান কবির, অমিত কুমার সাহা, মো. আনোয়ারুল আজিম, মিথুন চন্দ্র নাথ, বিভাস ঘোষ, মো. আরিফুল ইসলাম, মোহাম্মদ মিনহাজ বিন সেলিম, মিস ফারহানা ওয়ালেজা, মো. তারিকুল ইসলাম, মো. আশরাফুল হাসান, মিস মাকসুদা মিলা, ফারজানা ইয়াসমিন, মো. হাসান, মো. মিজানুর রহমান, মো. নিজাম উদ্দিন, মো. মাহমুদুল হাসান, শাকিলা সুলতানা, আলী আহসান, মেহরান আলী, দিপঙ্কর মন্ডল, আসমা উল হুসনা, বিনয় দাস, আকরাম সিরাজ, মো. আরিফুল ইসলাম, মো. আবদুল আউয়াল, অমিত অধিকারী, মো. আবদুল বাতেন, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. মাহমুদুর রহমান, মো. আবু হেনা মোস্তফা, মো. সাজ্জাদ হোসেন, সারাহ তাসনুবা, ইনজামুল হক ও মোহাম্মদ রুমান হোসাইন।
সহকারী পরিচালক (এমআইএস) আসওয়াদ দেওয়ান, নিলয় কর্মকার ও মো. ইয়াসিন রহমান। সহকারী পরিচালক (লিগ্যাল) মো. মাসুম বিল্লাহ, মো. তাওহিদুল ইসলাম সাদ্দাম, আল ফরহাদ বিন কাশেম ও নাভিদ হাসান খান। অ্যাকাউন্টস অফিসার ফাবলিহা ফায়রুজ। জনসংযোগ কর্মকর্তা সানাউল্লাহ হাসান ও মো. মোহাইমিনুল হক। ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আসমা-উল-হুছনা, মোহাম্মদ মুশফিকুর রহমান, ফারুক আহমেদ, নাঈম আহমেদ, কাওসার পাশা বৃষ্টি, সমির ঘোষ, মো. মাহাবুবুর রহমান, মো. রাকিবুল ইসলাম আকন, ফারজানা আক্তার, গোলাম সারওয়ার, মোশারফ হোসাইন, বিপ্লব কুমার, নাবিদ ইমতিয়াজ আলী, কাজী রাহবার রুমী শান্তা, মওদুদ আহমেদ মামদুদ, মো. মিরাজ হোসেন, মোহাম্মদ এমদাদ হোসেন মামুন, মো. গোলাম মোরশেদ, ফকরুল ইসলাম, মো. রফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ বিল্লাল হোসাইন, সোহেলী আক্তার, অনিকা তাবাসসুম, মো. বেতাব হোসেন খালাসী ও মো. কাওসার বিন গনি। লাইব্রেরিয়ান মো. সেলিম রেজা বাপ্পি। সহকারী অ্যাকাউন্টস অফিসার হুমায়রা খানম, হাসিবুল ইসলাম এবং মো. ইরফান ইমন। ক্যাশিয়ার পার্থ প্রিতম সাহা। মেডিকেল সহকারী প্রান্ত রায়। রিসিপশনিস্ট মাহফুজ আরেফিন। ড্রাইভার মো. আবু সাকিব, মো. মনির হোসেন ও মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন। অফিস সহকারী তানিয়া আক্তার, মো. খালেকুজ্জামান, খাদিজা খাতুন, মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন, মো. বেলাল হোসেন, মো. সোয়াইব, মো. কাওসার আলী, মো. রিয়াজ উদ্দিন খান, মো. সরিফুল ইসলাম, প্রকাশ কান্তি রুদ্র, মনজিলা আক্তার, মো. শাকিল আহমেদ, পারভেজ রেজা শুভ, কাজী মাসুম, মো. আতাউর রহমান, মো. সুজন আলম, জাহিদুল ইসলাম, মো. আকরামুজ্জামান, মো. রিয়াসাদ রায়হান, নজরুল ইসলাম, মো. ইলিয়াস, আবির হোসাইন, মো. সায়িদ আনোয়ার, আবদুল মান্নান, রাকিবুল ইসলাম, আলফাতুন আরা ও জগন্ময় দাস।

