ঘুস হিসাবে নিলেন জমি
উপসচিবসহ পাঁচজনের নামে মামলা
যুগান্তর প্রতিবেদন ও কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কক্সবাজারে নামজারি করে দেওয়ার বিনিময়ে ঘুস হিসাবে ৯ শতক জমি লিখে নেওয়ার অভিযোগে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের উপসচিব পঙ্কজ বড়ুয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার ঢাকায় দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থার সহকারী পরিচালক তানজীর আহমেদ। প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এখন মামলা হচ্ছে।
কক্সবাজার সদর উপজেলার সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) পঙ্কজ বড়ুয়া ছাড়াও অনুমোদিত মামলার আসামিরা হলেন-কক্সবাজার সদর উপজেলার সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সাবেক ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা সৈয়দ নূর, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবুল হোসেনের শ্যালক মফিজুর রহমান, সাবেক ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা সৈয়দ নূরের শ্যালক ইফতেখারুল হাসান ও পঙ্কজ বড়ুয়ার দাদিশাশুড়ি দীপিকা বড়ুয়া। ওই ভূমি অফিসের সাবেক ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবুল হোসেন মারা যাওয়ায় তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
দুদকের অনুসন্ধানে জানা যায়, আদালত থেকে ডিক্রি পেয়ে কক্সবাজার মৌজার ৩০ শতক জমির নামজারি খতিয়ান করার জন্য রেকর্ডপত্র জমা দেন জমির মালিক। কিন্তু নামজারি করে দেওয়ার নামে তার কাছে ঘুস হিসাবে জমি দাবি করা হয়। পরে বাধ্য হয়ে জমির মালিক একটি অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলে ২০১৭ সালের ৩০ এপ্রিল মোট ৯ শতক জমি রেজিস্ট্রি করে দেন।
এর মধ্যে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবুল হোসেনের পক্ষে তার শ্যালক মফিজুর রহমানের নামে ৩ শতক, ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা সৈয়দ নূরের পক্ষে তার শ্যালক ইফতেখারুল হাসানের নামে ৩ শতক এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) পঙ্কজ বড়ুয়ার পক্ষে তার দাদিশাশুড়ি দীপিকা বড়ুয়ার নামে ৩ শতক জমি রেজিস্ট্রি করা হয়।
অনুসন্ধানে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ১৬১/১৬২/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
