Logo
Logo
×

Advertisement

প্রথম পাতা

এলডিসি উত্তরণ : সময় মাত্র তিন বছর

পাঁচ স্তরের জাতীয় রোডম্যাপ চূড়ান্ত

Advertisement

এম শাহজাহান

এম শাহজাহান

প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

পাঁচ স্তরের জাতীয় রোডম্যাপ চূড়ান্ত

Advertisement

এলডিসি উত্তরণে তিন বছর বাড়তি সময় পেয়েছে বাংলাদেশ। এতে আপাতত স্বস্তি মিললেও অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ কমেনি। বরং এই সময়ের মধ্যে অর্থনীতির সক্ষমতা বাড়াতে না পারলে ২০২৯ সালে উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বড় বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা ধরে রাখা, তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভরতা কমানো, নতুন বাজার সৃষ্টি, ব্যবসার ব্যয় কমানো, ব্যাংক ও জ্বালানি খাতের সংস্কার এবং বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নের মতো কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে। এ বাস্তবতা সামনে রেখে ২০২৬-২০২৯ মেয়াদে পাঁচ স্তম্ভের জাতীয় রোডম্যাপ চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে সরকার। পাশাপাশি ৩৮টি দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাব্যতা যাচাই করে এফটিএ, পিটিএ ও সেপা সম্পাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

জানা গেছে, এলডিসি উত্তরণে পাঁচটি রূপান্তরমূলক স্তম্ভের ওপর দাঁড়ানোর পরিকল্পনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে-অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, বাণিজ্য রূপান্তর, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো এবং সুশাসনে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকের ‘এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন ও মার্কেট অ্যাকসেস’বিষয়ক নথিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ নভেম্বর ২০২৬ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ ঘটার কথা। কিন্তু উত্তরণ তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার আবেদনে ইতোমধ্যে জাতিসংঘ ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। এ অবস্থায় মসৃণ উত্তরণ কৌশলের (এসটিএস) আলোকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) ও অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে সমন্বয় করে সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনাসহ এসটিএস পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন (এমঅ্যান্ডই) কাঠামো চূড়ান্ত করেছে সরকার। শুধু তাই নয়, কাঠামোটি বাস্তবায়নের কাজ চলছে এবং ‘মসৃণ, টেকসই ও অপরিবর্তনীয় এলডিসি উত্তরণের জাতীয় রোডম্যাপ (২০২৬-২০২৯)’ গ্রহণ করা হয়েছে। বাণিজ্যসংক্রান্ত প্রস্তুতির (স্তম্ভ ২) নেতৃত্ব দিচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর আওতায় রয়েছে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ), অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) ও সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সেপা) নিয়ে আলোচনা, জাতীয় মান কাঠামোর (এনকিউআই) উন্নয়ন, ভ্যালু চেইনের উন্নয়ন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং বাণিজ্যসংক্রান্ত মেধাস্বত্ব অধিকার (ট্রিপস) চুক্তির আওতায় পাওয়া ক্রান্তিকালীন নমনীয়তা সুরক্ষা।

এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক দিক থেকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদের সভাপতিত্বে ‘জাতীয় এলডিসি পরিবীক্ষণ ও সমন্বয় কমিটি’ এবং ইআরডি সচিবের সভাপতিত্বে ‘এলডিসি উত্তরণবিষয়ক সরকারি-বেসরকারি টাস্কফোর্স’ গঠন করা হয়েছে। ইআরডির অধীন ‘সাপোর্ট টু সাসটেইনেবল গ্র্যাজুয়েশন প্রজেক্ট (এসএসজিপি)’ পরিচালনাগত পরিবীক্ষণ ইউনিট হিসাবে কাজ করছে। প্রকল্পটি ‘ত্রৈমাসিক উত্তরণ প্রস্তুতি ড্যাশবোর্ড’ প্রকাশ করছে। সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়িয়ে ২৪ নভেম্বর ২০২৯ পর্যন্ত করার জন্য সরকার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতি কমিটির (ইউএন-সিডিপি) কাছে অনুরোধ জানায়। রোডম্যাপে বাড়তি এ সময়কে উত্তরণ পিছিয়ে দেওয়া হিসাবে নয়, বরং সংস্কার সম্পন্ন করার সুযোগ হিসাবে দেখছে সরকার।

এ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির যুগান্তরকে বলেন, বাড়তি সময় চাওয়ার উদ্দেশ্য উত্তরণ পিছিয়ে দেওয়া নয়, বরং প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করে অর্থনীতিকে আরও স্থিতিশীল ও প্রতিযোগিতামূলক করা। এ লক্ষ্যে জাতীয় রোডম্যাপ চূড়ান্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগে রোডম্যাপ বাস্তবায়ন করা হবে। সরকারের পরিকল্পনায় জ্বালানি নিরাপত্তা, ব্যাংক খাতের সংস্কার, ব্যবসা পরিচালনা সহজ করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়ও রয়েছে। তিনি বলেন, এলডিসির মসৃণ উত্তরণে জাতিসংঘ আন্তরিক এবং সরকার ও বেসরকারি খাতের উদ্যোগে সঠিক সময়ে উত্তরণ ঘটবে। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং এর আগে করোনাজনিত ক্ষতির মুখে পড়ে দেশের অর্থনীতি। এ অবস্থায় বেসরকারি খাতও এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিল। ফলে সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রচেষ্টায় এলডিসি উত্তরণ তিন বছর বাড়তি সময় পাওয়া গেছে। আশা করছি, আমাদের প্রস্তুতি ভালো হবে এবং প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে।

তথ্যমতে, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি নিতে বাংলাদেশকে আরও তিন বছর সময় দেওয়ায় ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বরের পরিবর্তে ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর এলডিসি থেকে উত্তরণ ঘটবে বাংলাদেশের। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পাওয়া এই সময় দেশের অর্থনীতির জন্য বড় সুযোগ তৈরি করেছে। তবে শুধু উত্তরণের সময় পিছিয়ে গেলেই রপ্তানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে না। বরং এই সময়ের মধ্যে ব্যাংক খাতের সংস্কার, জ্বালানি নিরাপত্তা, বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন, বন্দর ও কাস্টমস ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং নতুন বাজারে শুল্ক সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

এ প্রসঙ্গে জাতীয় অধ্যাপক ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. মাহবুব উল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, এলডিসি উত্তরণে তিন বছর সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা বর্তমান বিএনপি সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীর বড় সাফল্য। ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা দীর্ঘদিন ধরে এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। তাদের এই দাবি পূরণ হওয়ায় অর্থনীতিতে সাময়িক স্বস্তি ফিরে এসেছে। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, ওই সময় মূলত অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। সেই অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের কাজ করছে বর্তমান সরকার। এ পরিস্থিতি এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে যাওয়ার ফলে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে স্বল্পোন্নত দেশের সুযোগ-সুবিধা পাবে বাংলাদেশ। তবে এটা ঠিক, এলডিসি উত্তরণে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকতে হলে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতেই হবে।

৩৮ দেশের সঙ্গে সমীক্ষা, এফটিএর উদ্যোগ : এলডিসি সুবিধা হারানোর পর সম্ভাব্য শুল্কের চাপ মোকাবিলায় বাণিজ্য চুক্তিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসাবে দেখছে সরকার। এ লক্ষ্যে সম্ভাব্য অংশীদার ৩৮টি দেশের সঙ্গে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। ইতিবাচক ফলাফলের ভিত্তিতে কয়েকটি দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আলোচনার জন্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ট্রেড নেগোশিয়েটিং পুল গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কানাডা, মরিশাস, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মালয়েশিয়ার সঙ্গে এফটিএ আলোচনা শুরুর অনুমোদন দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এছাড়া জাপানের সঙ্গে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এটি বাংলাদেশের প্রথম দ্বিপক্ষীয় এ ধরনের চুক্তি। বর্তমানে এর অনুসমর্থন প্রক্রিয়া চলছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সেপা আলোচনার কারিগরি পর্যায় ৪ আগস্ট শেষ হয়েছে। চুক্তিটি স্বাক্ষরের প্রস্তুতি চলছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সেপার দ্বিতীয় দফার আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। সিঙ্গাপুরের সঙ্গে এফটিএ আলোচনার দুই দফা শেষ হয়েছে। মালয়েশিয়ার সঙ্গে ২০২৭ সালের মধ্যে আলোচনা শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে এফটিএ আলোচনা শুরুর প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি নিউজিল্যান্ড ও তুরস্কের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আঞ্চলিক সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব (আরসিইপি) চুক্তিতে যোগ দেওয়ার প্রক্রিয়াও এগোচ্ছে। ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের পিটিএ ইতোমধ্যে কার্যকর রয়েছে। এ চুক্তিতে বাংলাদেশের ১০০টি পণ্য ভুটানের বাজারে এবং ভুটানের ৩৪টি পণ্য বাংলাদেশের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেয়েছে। এছাড়া এশিয়া-প্যাসিফিক ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (এপিটিএ), ডি-৮ পিটিএ, টিপিএস-ওআইসি ও সাফটার আওতায় বাণিজ্য সুবিধা কাজে লাগানোর উদ্যোগ রয়েছে। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. মুস্তাফিজুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, উত্তরণ পেছালেও প্রয়োজনীয় সংস্কার থেকে সরে আসা যাবে না। রপ্তানি বহুমুখীকরণের পাশাপাশি সেবা রপ্তানি, তথ্যপ্রযুক্তি, দক্ষতাভিত্তিক অর্থনীতি ও ফ্রিল্যান্সিং খাতের বিকাশে গুরুত্ব দিতে হবে। অর্থাৎ বাড়তি সময়কে সাময়িক স্বস্তি হিসাবে না দেখে দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা তৈরির সময় হিসাবে ব্যবহার করতে হবে।

রপ্তানি বহুমুখীকরণে ১৩ খাত : জাতীয় রোডম্যাপে তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ওষুধ, কৃত্রিম তন্তু, পোশাকের সরঞ্জাম, তথ্যপ্রযুক্তি ও আইটি-সেবা, কৃষি ও মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, জাহাজ নির্মাণ, হালাল খাদ্য, পাট, চামড়া, পুনর্ব্যবহৃত পণ্য, হালকা প্রকৌশল এবং সেমিকন্ডাক্টর খাতের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের মধ্যে মোট রপ্তানিতে তৈরি পোশাকবহির্ভূত পণ্যের অংশ ২৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিদেশি বিনিয়োগ ও যৌথ উদ্যোগে উৎসাহিত করা, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষ জনবল তৈরি এবং পণ্য উন্নয়নে সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ত্রৈমাসিক ড্যাশবোর্ডে এ অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবে। এছাড়া বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬-এর আওতায় বিনিয়োগ উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অঞ্চল, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব ও হাইটেক পার্ক-সংক্রান্ত কার্যক্রম একক কর্তৃপক্ষের অধীনে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের জন্য ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু এবং অনুমোদনপ্রক্রিয়া সহজ করার লক্ষ্য রয়েছে।

শুল্কমুক্ত বাজার ধরে রাখার লড়াই : বাংলাদেশের রপ্তানির বড় অংশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, কানাডাসহ কয়েকটি বাজারের ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। ফলে উত্তরণের পর বাজার সুবিধা হারালে দেশের রপ্তানি ও কর্মসংস্থানে বড় চাপ তৈরি হতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইভরিথিং বাট আর্মস (ইবিএ) কর্মসূচির আওতায় এলডিসি হিসাবে বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত সুবিধা পেয়ে আসছে। উত্তরণের পর তিন বছরের ক্রান্তিকালীন সুবিধার বিধান রয়েছে। যুক্তরাজ্যের ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিমের (ডিসিটিএস) আওতায়ও তিন বছরের জন্য বিদ্যমান সুবিধা অব্যাহত রাখার ঘোষণা রয়েছে। কানাডা ও তুরস্কের বাজারেও সুবিধা ধরে রাখার বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে। অস্ট্রেলিয়াও সংশ্লিষ্ট বিধান বহাল থাকা পর্যন্ত বর্তমান সুবিধা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে। তবে নতুন করে উত্তরণের তারিখ ২০২৯ সাল নির্ধারিত হওয়ায় এসব দেশের বাজার সুবিধার সময়সীমা সংশ্লিষ্ট দেশের আইন ও ঘোষণার সঙ্গে মিলিয়ে হালনাগাদ করা জরুরি।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

এইচএসসিতে ২২ বছরে সর্বনিম্ন পাশের হার ইংরেজি আইসিটিতে বিপর্যয়

ইংরেজি আইসিটিতে বিপর্যয়

এলডিসি উত্তরণ : সময় মাত্র তিন বছর পাঁচ স্তরের জাতীয় রোডম্যাপ চূড়ান্ত

পাঁচ স্তরের জাতীয় রোডম্যাপ চূড়ান্ত

নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি আঞ্চলিক গ্রিড চায় বাংলাদেশ

আঞ্চলিক গ্রিড চায় বাংলাদেশ

ক্ষতিগ্রস্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি সার পেতে ডিলার পয়েন্টে কৃষকের নির্ঘুম রাত

সার পেতে ডিলার পয়েন্টে কৃষকের নির্ঘুম রাত

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম