Logo
Logo
×

Advertisement

শিল্প বাণিজ্য

সরকারের বহুমুখী পদক্ষেপ

বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কম

জুলাইয়ে ছিল ঋণাত্মক ০.১৬%, জুলাই-আগস্টে ইতিবাচক ২.২৫% * জুলাই-আগস্টে সরকারের ঋণ বেড়েছে ৩.২০%

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

সরকারের নেওয়া বহুমুখী পদক্ষেপেও সার্বিকভাবে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো যাচ্ছে না। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ ছিল ঋণাত্মক দশমিক ১৬ শতাংশ। আগস্টে ঋণপ্রবাহ কিছুটা বেড়েছে। ফলে জুলাই-আগস্টে ঋণপ্রবাহ বেড়ে হয়েছে ২ দশমিক ২৫ শতাংশ। এসব ঋণের বড় অংশই আগে বিতরণ করা ঋণের সুদ যোগ হয়ে প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক হয়েছে। নিট ঋণ বিতরণ হয়েছে খুবই কম। দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক সূচকগুলোর হালনাগাদ পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, কয়েক বছর ধরেই বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে মন্দা চলছে। চলতি অর্থবছরেও সেই মন্দার ধারা থেকে বেরুতে পারেনি বেসরকারি খাত। গত অর্থবছরে এ খাতে ঋণপ্রবাহ বেড়েছিল ৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ। এর মধ্যে অর্থবছরের শুরুর দিকে ঋণপ্রবাহ ছিল ঋণাত্মক। চলতি অর্থবছরের শুরুতেও ঋণপ্রবাহ ঋণাত্মক পর্যায়ে নেমে যায়। গত জুলাইয়ে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়েনি। বরং আগের চেয়ে ঋণপ্রবাহ দশমিক ১৬ শতাংশ কমেছিল। আগস্টে এসে ঋণপ্রবাহ কিছুটা বেড়েছে। ফলে জুলাই-আগস্টে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বেড়েছে ৪ হাজার ১০০ কোটি টাকা বা ২ দশমিক ২৫ শতাংশ। এতে এ খাতে ঋণ স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। সূত্র জানায়, বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমানোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এতে সুদের হার কমতে শুরু করেছে। বেসরকারি খাতের বন্ধ শিল্প কারখানাগুলো ফের চালুর জন্য বিশেষ প্রণোদনা ঘোষণা করা হয়েছে। খেলাপি ঋণ নবায়নে বড় ছাড় দেওয়া হয়েছে। গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ আগের অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। কম সুদে ঋণ দিতে বিভিন্ন তহবিল গঠন করা হয়েছে। আমদানি খাতে ঋণের সুদ কমানো হয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী ডলারের জোগান বাড়ানো হয়েছে। এরপরও উদ্যোক্তারা বিনিয়োগমুখী হচ্ছেন না। উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ না বাড়ার কারণে বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা বাড়ছে না। যে কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে ঋণপ্রবাহের গতি।

দেশের মোট অভ্যন্তরীণ ঋণস্থিতি ২৫ লাখ ৫৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ১৮ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা নিয়েছে বেসরকারি খাত। সরকারি খাত নিয়েছে ৬ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ ঋণের সিংহভাগই বেসরকারি খাতে। এ খাতে ঋণপ্রবাহ কমলে অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। যেটি কয়েক বছর ধরেই পড়ছে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে আছে। কর্মসংস্থানের গতিও মন্থর। উৎপাদন কমছে। মানুষের আয় কমায় চাহিদাও কমছে।

প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, সরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বেড়েছে। গত অর্থবছরে এ খাতে ঋণপ্রবাহ বেড়েছিল ৩৪ দশমিক ৫২ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে বেড়েছিল ২ দশমিক ৩৩ শতাংশ। জুলাই-আগস্ট এই দুমাসে বেড়েছে ৩ দশমিক ২০ শতাংশ। সরকারের রাজস্ব আদায় কম হওয়ায় ঋণনির্ভরতা বাড়ছে।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

সরকারের বহুমুখী পদক্ষেপ বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কম

বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কম

খুলনায় শুরু হলো বিকাশের বনায়ন কর্মসূচি

খুলনায় শুরু হলো বিকাশের বনায়ন কর্মসূচি

আইএফআইসি ব্যাংক গবেষণা অনুদান ও বৃত্তি পেলেন ঢাবির ৮০ শিক্ষার্থী

আইএফআইসি ব্যাংক গবেষণা অনুদান ও বৃত্তি পেলেন ঢাবির ৮০ শিক্ষার্থী

ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের ৩০ বছর পূর্তি

ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের ৩০ বছর পূর্তি

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম