Logo
Logo
×

Advertisement

শেষ পাতা

নোবিপ্রবিতে দিনভর ছাত্রদলের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ৯

Advertisement

Icon

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

নোবিপ্রবিতে দিনভর ছাত্রদলের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ৯

ক্যাম্পাসের কয়েকটি জায়গায় সংঘর্ষ হয়। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) দিনভর ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ এবং পালটাপালটি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার মধ্যরাতে শুরু হওয়া মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার ক্যাম্পাসের কয়েকটি জায়গায় সংঘর্ষ হয়। এতে সাংবাদিকসহ ৯ শিক্ষার্থী আহত হন এবং একজন বহিরাগতকে ধরে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে দিনভর সংঘর্ষের পর মঙ্গলবার নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় দপ্তর।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ২টার দিকে ক্যাম্পাসে হঠাৎ ছাত্রদলের এক গ্রুপের আক্রমণে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে দুই পক্ষের মধ্যে পালটাপালটি ধাওয়া হয়। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাঠিসোঁটা হাতে বেশ কয়েকজন বহিরাগতকে সংঘর্ষে অংশ নিতে দেখা যায়। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতেও কিছু সময় সংঘর্ষ চলতে থাকে। আহত শিক্ষার্থীরা হলেন শামীম হোসেন, সোহাগ চাকমা, মাহমুদুল হাসান অন্তর, কাইফ হাসান ও জহির হোসেন। এছাড়াও দায়িত্ব পালন করার সময় এক সাংবাদিক আহত হন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী বলেন, ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নিতে তিনি নিজে সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তার দাবি, এ মুহূর্তে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রয়োজন নেই। সংঘর্ষে জড়িতদের চিহ্নিত করে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হেনস্তার শিকার দুই সাংবাদিক

এর আগে সোমবার রাতে দুই সাংবাদিককে হেনস্তা করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এমনকি তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভিডিও ফুটেজ মুছে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। রাত সাড়ে ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলে এ ঘটনা ঘটে। হেনস্তার শিকার দুই সাংবাদিক হলেন মানবজমিনের নোবিপ্রবি প্রতিনিধি মাহী ছিদ্দীকী সিয়াম এবং প্রতিদিনের সংবাদের মেহেদী হাসান।

জানা যায়, ওই হলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ এবং সিনিয়র সহসভাপতি গ্রুপের মধ্যে ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান সাংবাদিকরা।

সাংবাদিক মাহি বলেন, ভিডিও করছিলাম। তখন রোম্মান, আতিক, তানভীর ও ফয়সাল আমাকে ঘিরে ধরে মারধর করে ও ফোন কেড়ে নেয়।’ সাংবাদিক মেহেদি হাসান বলেন, ভিডিও ধারণ করতে গেলে ছাত্রদলকর্মী ফাইসাল ফোন কেড়ে নেন।

নোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি নাহিদুল ইসলাম বলেন, তারা সাংবাদিকদের ভয় দেখাতে চায়। প্রশাসনকে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেন বলেন, ঘটনা তিনি জানেন না। প্রক্টর অধ্যাপক এএফএম আরিফুর রহমান বলেন, সাংবাদিক হেনস্তার ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

মেঘনা পাড়ের ৬ পয়েন্টে নিলামের বাজার নিষেধাজ্ঞার ইলিশ নিয়ে কোটি টাকার বাণিজ্য

নিষেধাজ্ঞার ইলিশ নিয়ে কোটি টাকার বাণিজ্য

যশোরের ঐতিহ্য গুড়ের হাঁড়িতে সংকটের আঁচ

যশোরের ঐতিহ্য গুড়ের হাঁড়িতে সংকটের আঁচ

বিশ্ব দারিদ্র্য বিমোচন দিবস আজ হতদরিদ্রদের অর্ধেকই পান না সামাজিক সুরক্ষা

হতদরিদ্রদের অর্ধেকই পান না সামাজিক সুরক্ষা

দিনমান পরিশ্রমেও ঘোচে না দারিদ্র্য

দিনমান পরিশ্রমেও ঘোচে না দারিদ্র্য

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম