Logo
Logo
×

Advertisement

শেষ পাতা

যুগান্তর ও এনপিওর গোলটেবিল বৈঠক

সস্তা শ্রম দিয়ে টেকা যাবে না

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

সস্তা শ্রম দিয়ে টেকা যাবে না

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার যুগান্তর ও ন্যাশনাল প্রডাক্টিভিটি অরগানাইজেশন (এনপিও) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি : চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরসহ অন্যরা -যুগান্তর

Advertisement

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে বিশ্বে বাজার দখলের প্রতিযোগিতা চলছে। এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে পণ্য ও সেবার উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। অর্থাৎ কম সময়ে স্বল্প ব্যয়ে বেশি উৎপাদন করতে হবে। এজন্য উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয় জরুরি। পাশাপাশি পণ্য ও সেবা বহুমুখী করতে হবে। এই দায়িত্ব সরকার ও বেসরকারি খাত সবার।

‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস’ উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার আয়োজিত গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন। তাদের মতে, সস্তা শ্রমের সুবিধা দিয়ে বেশি দিন টিকে থাকা যাবে না। যুগান্তর ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশনাল প্রডাক্টিভিটি অরগানাইজেশন (এনপিও) যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই আয়োজনের বিষয় ছিল-‘বাংলাদেশে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি : চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ করণীয়।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান এবং ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইর প্রশাসক মো. ফজলুল হক। এতে বক্তব্য রাখেন-যুগান্তর সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার, বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. নাজনীন আহমেদ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রডাকশন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. নাফিস আহমেদ, জাপানের কিউশু বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সহযোগী অধ্যাপক আশির আহমেদ, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক ড. একে এনামুল হক, তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর সিনিয়র সহসভাপতি ইনামুল হক খান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ন্যাশনাল প্রডাকটিভিটি অরগানাইজেশনের (এনপিও) মহাপরিচালক মোহা. নায়েব আলী।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২ অক্টোবর জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস। জাতীয় পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের শিল্প, কৃষি, সেবাসহ বিভিন্ন খাতে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হয়। এ বছরও দুদিনব্যাপী বহুমুখী আয়োজনের মধ্যদিয়ে দিবসটি পালনের উদ্যোগ নিয়েছে এনপিও। এবারের প্রতিপাদ্য-‘উৎপাদনশীতা বৃদ্ধিতে উদ্ভাবন প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়’। এছাড়াও আজ এনপিওর উদ্যোগে রাজধানীতে র‌্যালি, আলোচনা এবং পুরস্কার বিতরণীর আয়োজন করা হয়েছে। এসব অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী, সচিবসহ শিল্প মন্ত্রণালয়ের সব প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।

বৃহস্পতিবারের গোলটেবিল আলোচনায় কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে-বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য দেশের প্রযুক্তির আধুনিকায়ন এবং মানবসম্পদের দক্ষতা বাড়ানো, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে একই কাজের পুনরাবৃত্তি (ওভারল্যাপিং) বন্ধ করা, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় যে কোনো নতুন প্রকল্প অনুমোদনের আগে প্রকল্পগুলোর উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা প্রযুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থার মাধ্যমে কঠোরভাবে যাচাই এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি টেকসই করতে পণ্য ও সেবার বহুমুখীকরণ।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, বিশ্ববাজারে টিকে থাকতে হলে দেশের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। কারণ বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় একই পণ্য নিয়ে টিকে থাকতে হলে উৎপাদনশীলতা বাড়াতেই হবে। প্রতিযোগিতামূলক পণ্যই বাজার দখল করবে। তিনি বলেন, এডিপির আওতায় সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়েও উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর জন্য আলাদা আলাদা প্রকল্প রয়েছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে ওভারল্যাপ বা কাজের পুনরাবৃত্তি রয়েছে কিনা, তা দেখা দরকার। কারণ একই ধরনের প্রকল্প বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চললে কাঙ্ক্ষিত উদ্দেশ্য পূরণ নাও হতে পারে। তিনি বলেন, বিষয়টি নতুন নয়।

এডিপিতে কোনো প্রকল্প আসার পর অন্তত তার সফট কপি বিশ্লেষণ করে একই ধরনের বা একই উদ্দেশ্যের কোনো প্রকল্প অন্য মন্ত্রণালয়ে আছে কিনা, তা যাচাই করা যেতে পারে। এ ধরনের ওভারল্যাপ চিহ্নিত করে সমন্বয় করা গেলে দক্ষতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব। শিল্পমন্ত্রী বলেন, উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর বিষয়টি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, পুরো বিশ্বের প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করতে হবে। উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর কারণে কোনো খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে যাওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

আলোচনায় আরও অংশ নেন-ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সভাপতি দৌলত আক্তার মালা, এসএমই ফাউন্ডেশনের পরিচালক এবং কে ক্রাফটের ম্যানেজিং পার্টনার খালিদ মাহমুদ খান, বাংলাদেশ জুট ডাইভার্সিফাইড প্রডাক্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মো. রেজাউল করিম মুন্না, এসএমই ফাউন্ডেশনের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারজানা খান, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের হেড অব কমপ্লায়েন্স মো. আশরাফুল ইসলাম এবং ট্রাভেল ম্যাগাজিন ভ্রমণের সম্পাদক ও ট্যুরিজম রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের পরিচালক আবু সুফিয়ান। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. নুরুজ্জামান, স্মৃতি কর্মকার, মো. রাশিদুল ইসলাম, সুরাইয়া আক্তার জাহান, বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্রের (বিটাক) মহাপরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম, এনপিওর পরিচালক (প্রশাসন) এএসএম মাঈন উদ্দিন, এসএমই ফাউন্ডেশনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. খালিদুজ্জামান তালুকদার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুগান্তরের বিজনেস এডিটর মনির হোসেন।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান বলেন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি ও দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সামনে বেশ কিছু পরিষ্কার চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন, দক্ষ জনবলের ঘাটতি, উৎপাদনশীলতা সঠিকভাবে পরিমাপের সীমাবদ্ধতা এবং বিশেষ করে এসএমই পর্যায়ে উৎপাদনশীলতা চর্চার সীমিত ব্যবহার-এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। তিনি বলেন, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পর আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা বাংলাদেশের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। তাই শুধু সমস্যাগুলো চিহ্নিত করলেই হবে না, কীভাবে এসব সমস্যা থেকে উত্তরণ করা যায়, সেই বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আব্দুন নাসের খান বলেন, এতদিন বাংলাদেশের শিল্পের একটি বড় প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা ছিল তুলনামূলক কম মজুরির শ্রম। কিন্তু কম শ্রম ব্যয়ের ওপর নির্ভর করে দীর্ঘমেয়াদে শিল্পের প্রতিযোগিতা ধরে রাখা সম্ভব নয়।

এফবিসিসিআইর প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন, গার্মেন্টস খাতের উৎপাদনশীলতাকে দেশে সবচেয়ে ভালো বলা হয়। কিন্তু আন্তর্জাতিকমানের সঙ্গে তুলনা করলে আমাদের উৎপাদনশীলতা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকার সুযোগ নেই। যেটিকে আমরা সবচেয়ে ভালো বলছি, সেটির আন্তর্জাতিকমান যদি অনেক উপরে থাকে, তাহলে সামগ্রিকভাবে দেশের উৎপাদনশীলতার অবস্থান কোথায়, সেটিও ভাবার বিষয়। তিনি বলেন, উৎপাদনশীলতার ক্ষেত্রে এখন যে ব্যবস্থায় কাজ চলছে, তাতেও স্বাভাবিকভাবে কিছুটা উন্নতি হবে। মানুষ কাজ করতে করতে অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ২ থেকে ৩ শতাংশ পর্যন্ত উন্নতি করতে পারে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে বড় পরিবর্তন আনতে হলে এটি একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ।

ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, দেশের ছোট শিল্পগুলোকে ধীরে ধীরে মাঝারি ও বড় শিল্পে উন্নীত করার কৌশল নিতে হবে। বড় শিল্পে নিজেদের গবেষণা ও উন্নয়ন (আর অ্যান্ড ডি) এবং উদ্ভাবনের সক্ষমতা থাকলেও ছোট শিল্পের সেই সক্ষমতা নেই। ফলে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হলে ছোট শিল্পকে বড় করার পাশাপাশি তাদের প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও উদ্ভাবনে সহায়তা দিতে হবে। বিভিন্ন খাতের আলোচনায় দেখা গেছে, উৎপাদনশীলতা বাড়াতে উদ্ভাবন প্রয়োজন। বড় শিল্পগুলো নিজেদের সক্ষমতায় ‘আর অ্যান্ড ডি’ করতে পারে। ক্রেতাদের কাছ থেকেও এ ক্ষেত্রে সহায়তা পাওয়া যায়। কিন্তু ছোট শিল্পের সেই সক্ষমতা না থাকায় তাদের আলাদাভাবে সহায়তা করা প্রয়োজন। একটি প্রতিষ্ঠান ছোট থেকে মাঝারি এবং পরে বড় হলে তার সক্ষমতা বাড়বে।

অধ্যাপক নাফিস আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের শ্রমিকরা পরিশ্রমে পিছিয়ে নেই। কিন্তু প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামোর অভাবে তাদের উৎপাদনক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না। ফলে প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়ছে। তিনি বলেন, উৎপাদনশীলতা বাড়াতে জ্বালানি ও বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ, দক্ষ জনবল তৈরি, নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার এবং অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্ব দিতে হবে। উৎপাদনশীলতার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সূচকে বাংলাদেশের তুলনায় ভিয়েতনাম প্রায় দুই থেকে তিন গুণ এবং চীন চার থেকে পাঁচ গুণ এগিয়ে। এর অন্যতম কারণ প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামোগত সুবিধার পার্থক্য।

যুগান্তর সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার বলেন, আমরা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে আছি। এই চতুর্থ শিল্পবিপ্লব হলো ‘এআই’। মানুষের কাজ যন্ত্র করে দিচ্ছে। এটি একদিকে যেমন সম্ভাবনাময়, অন্যদিকে চ্যালেঞ্জও রয়েছে। সম্ভাবনার কথা সবাই বলছেন। কিন্তু আমার ভয় হয়, কখন প্রযুক্তির ওপর থেকে মানুষ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এখন যুদ্ধও হচ্ছে এআইর মাধ্যমে। ফলে সেখানে মানুষ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে ভয়াবহ বিপর্যয় হবে। কিন্তু এসব আশঙ্কা সত্ত্বেও প্রযুক্তি থেকে দূরে থাকার সুযোগ নেই। সে কারণেই আমরা প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে উৎপাদন বাড়ানোর কথা বলছি।

আশির আহমেদ বলেন, উৎপাদনশীলতা নিয়ে সেমিনারে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে পাওয়া গেছে। এখন প্রয়োজন এসব আলোচনার পাশাপাশি একটি পরিমাপযোগ্য লক্ষ্য নির্ধারণ করা। বর্তমান অবস্থান থেকে আগামী এক বছরে কতটা সময় সাশ্রয় করা গেল, সেই তথ্য সংরক্ষণ করা হলে পরবর্তী সময়ে এসে উৎপাদনশীলতার অগ্রগতি পরিমাপ করা যাবে।

মূল প্রবন্ধে এনপিওর মহাপরিচালক মোহা. নায়েব আলী বলেন, দেশের বিভিন্ন খাতে উৎপাদনশীলতা পরিমাপের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যের ঘাটতি রয়েছে। ফলে কোন খাতে উৎপাদনশীলতা কতটা, কোথায় ঘাটতি রয়েছে এবং কোন খাতে উন্নতির সুযোগ বেশি-তা সঠিকভাবে চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। তিনি বলেন, উৎপাদনশীলতা পরিমাপের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যের অপর্যাপ্ততা দেশের অন্যতম চ্যালেঞ্জ। অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে উৎপাদনশীলতার মাত্রা পরিমাপ ও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। এর ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট খাতের সমস্যা চিহ্নিত করে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক দুই মেট্রোরেল পাচ্ছে ৫৮ হাজার কোটি টাকা

দুই মেট্রোরেল পাচ্ছে ৫৮ হাজার কোটি টাকা

যুগান্তর ও এনপিওর গোলটেবিল বৈঠক সস্তা শ্রম দিয়ে টেকা যাবে না

সস্তা শ্রম দিয়ে টেকা যাবে না

চাঁদা না পেয়ে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা দক্ষিণখানে মৃত ভেবে ফেলে যায় ব্যবসায়ীকে

দক্ষিণখানে মৃত ভেবে ফেলে যায় ব্যবসায়ীকে

৪৯তম বিসিএস বাদ পড়া ৪৬ জনের নিয়োগ সোমবার

বাদ পড়া ৪৬ জনের নিয়োগ সোমবার

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম