Logo
Logo
×

Advertisement

শেষ পাতা

পুশইনে ব্যর্থ হয়ে গুলি

সীমান্ত থেকে গুরুতর আহত দুই ভারতীয় উদ্ধার

Advertisement

Icon

রংপুর ব্যুরো

প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

সীমান্ত থেকে গুরুতর আহত দুই ভারতীয় উদ্ধার

Advertisement

বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম সীমান্ত এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ভারতের আসাম রাজ্যের দুই বাসিন্দাকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশের স্থানীয়রা। রোববার রাত দেড়টায় গুরুতর আহত দুজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাদের ডিবি পুলিশের হেফাজতে পাহারায় রাখা হয়েছে। এদের একজনের অবস্থা গুরুতর বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

আহতদের কাছ থেকে জানা গেছে, তাদের মধ্যে একজন আসামের দক্ষিণ সালমারা-মানকারচর জেলার সুখচর থানার বড়বালু এলাকার আব্দুল করমি শেখের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৩৫), অপরজন একই থানার দেওয়ানীর আলগা গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুল আলীম (৩৯)।

আহত ইসমাইল হোসেন জানান, তারা বাড়ির কাছে আসাম সীমান্ত এলাকায় বিকাল ৩টায় গরুকে গোসল করাতে নদীর দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় তাদের ব্রহ্মপুত্র নদের চরাঞ্চলে টহলরত ভারতীয় সীমান্তরক্ষী (বিএসএফ) ডেকে তাদের নৌকায় তুলে নেয়। এভাবে দুজনকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সন্ধ্যা ৭টার সময় তাদের বাংলাদেশি নাগরিক বলে জোর করে চরে নামিয়ে দিয়ে বাংলাদেশে ঢোকার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। এ সময় তাদের মারধরও করা হয়। দুজনই ভারতীয় নাগরিক এবং ঘটনাস্থলের পাশে তাদের বাড়ি বলে জানায়। তারা ভারতের ভূখণ্ড ছেড়ে বাংলাদেশে আসতে রাজি না হলে তাদের একপর্যায়ে বাংলাদেশে সীমান্তের ভেতর ঠেলে দিয়ে গুলি করে ফেলে যায়। এর আগে সেখানে সাউন্ড গ্রেনেড ফাটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে বিএসএফ। সেখানে তারা দুজনই রক্তাক্ত অবস্থায় পরে প্রাণ বাঁচাতে নদী পেরিয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার যাত্রাপুর সীমান্ত এলাকায় প্রবেশ করেন। সেখানে স্থানীয় কয়েকজন জেলে ও মাঝি তাদের আহত অবস্থায় দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

পরে কুড়িগ্রাম পুলিশের সহায়তায় গভীর রাতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। সেখানে ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে আব্দুল আলিমের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

আহতরা আরও জানান, প্রথমে দুজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে কুড়িগ্রাম পুলিশ তাদের হেফাজতে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে পাঠায়।

আব্দুল আলিম ও ইসমাইল হোসেন রমেক হাসপাতালে বলেন, তারা ভারতের আসাম রাজ্যের মানকারচর এলাকার বাসিন্দা। তারা কোনো অপরাধ করে থাকলে ভারতের আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তাদের দাবি, বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হোক। এখন পর্যন্ত তাদের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়নি বলে জানিয়েছেন আহতরা।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান বলেন, দুজনের শরীরেই গোলাবরুদের আঘাতে গুরুতর জখম রয়েছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

মেঘনা পাড়ের ৬ পয়েন্টে নিলামের বাজার নিষেধাজ্ঞার ইলিশ নিয়ে কোটি টাকার বাণিজ্য

নিষেধাজ্ঞার ইলিশ নিয়ে কোটি টাকার বাণিজ্য

যশোরের ঐতিহ্য গুড়ের হাঁড়িতে সংকটের আঁচ

যশোরের ঐতিহ্য গুড়ের হাঁড়িতে সংকটের আঁচ

বিশ্ব দারিদ্র্য বিমোচন দিবস আজ হতদরিদ্রদের অর্ধেকই পান না সামাজিক সুরক্ষা

হতদরিদ্রদের অর্ধেকই পান না সামাজিক সুরক্ষা

দিনমান পরিশ্রমেও ঘোচে না দারিদ্র্য

দিনমান পরিশ্রমেও ঘোচে না দারিদ্র্য

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম