|
ফলো করুন |
|
|---|---|
শিশুরাই দেশের ভবিষ্যৎ। সুতরাং আমাদের এখন থেকেই তাদের প্রস্তুত করতে হবে। আর সবার আগে এর দায় বর্তায় অভিভাবকদের ওপর। স্বভাবতই শিশুরা কৌতূহলী হয়ে থাকে। প্রশ্ন কিংবা জানার আগ্রহের শেষ থাকে না। আর এ জ্ঞানপিপাসা মেটানোর দায়িত্বের গুরুভার অভিভাবকদের ওপর বর্তায়। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, আমরা তা যথাযথ পালন করছি না। অনেক ক্ষেত্রেই তাদের ‘ছোটো’ মনে করে বেখেয়ালি মনোভাব পোষণ করি, যা আপনার শিশুকে ঠেলে দিতে পারে অন্ধকারের দুনিয়ায়। কারণ, প্রশ্নের উত্তর আপনার কাছ থেকে না পেলে সে বিকল্প সমাধান খোঁজ করবে। আর প্রত্যেক বিকল্প যে আপনার সন্তানদের জন্য হিতকর, এর নিশ্চয়তা কে দেবে? সুতরাং, আপনার সন্তানের প্রত্যেক বাক্য গুরুত্বসহকারে শুনুন। তার প্রতি কী কী অবিচার হচ্ছে, সেদিকেও খেয়াল রাখুন। তাছাড়া, বন্ধুবলয়ের খোঁজসহ মুঠোফোনে কী দেখছে, কী করছে, কী মেসেজের আদান-প্রদান করছে-এসবের দিকে বন্ধুসুলভ নজরদারি প্রয়োজন। পাশাপাশি আপনার সন্তান আপনাদের থেকে কিছু লুকাচ্ছে কিনা, এ বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি।
হিমেল আহমেদ, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
