Logo
Logo
×

Advertisement

সাহিত্য সাময়িকী

পূর্ববঙ্গের ভাষা : পর্ব ১৩

পূর্ববাংলার জনভাষা এবং একটি ভাষা-ভ্রমণ

Advertisement

Icon

সালেহ মাহমুদ রিয়াদ

প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

কথা অনেক দূর হইল। কথায় কথায় বেলা বাড়িল; এইবার সোজাকথায় আসিতে চাই। আমাদের নিবন্ধের প্রথমদিকে পূর্ববঙ্গের একটি অঞ্চলসীমা টানিয়া দিয়াছিলাম। ইহা কেবল ভাষাতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক ভূগোলের চিত্র; রাজনৈতিক হিশাব-নিকাশের সহিত উহার কোন সম্পর্ক নাই। কিছুমাত্র থাকিলেও তাহা আমরা এই ক্ষেত্রে বিবেচনা করিব না। এই মানচিত্রে বিভাগপূর্ব বাংলার অঞ্চলভিত্তিক একটি পরিচিতির কথা বলা হইয়াছে; মনে রাখিতে হইবে, ইহা প্রধানতঃ ভাষাতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক ভাবনাজাত। রাজনৈতিক উত্থান-পতন ও কোলাহলের সহিত আমরা যেন বাংলার এই বিভাজন মিশাইয়া না ফেলি।

অতঃপর পাঠকগণ সমীপে আমাদের কয়েকটি মূল প্রস্তাবনা হাজির করিতে চাই। এইবার আমরা ‘বৃহৎ’ বঙ্গ ছাড়িয়া পূর্ববঙ্গে আসি। প্রাচীন বঙ্গের বঙ্গ, সমতট, হরিকেল এবং চন্দ্রদ্বীপের প্রায়-সবটুকু পূর্ববঙ্গের অংশ হইয়াছে। রাঢ়বাংলা ও গৌড়ের কিছু অংশ বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের অন্তর্ভুক্ত হইয়াছে। বরেন্দ্র হইতেও কিছু এলাকা পশ্চিমে চলিয়া গিয়াছে। আমরা এই বিভক্তির চুলচেরা ভাগবাটোয়ারা করিব না। পূর্ববঙ্গ বর্তমানে বাংলাদেশ (অতঃপর পূর্ববঙ্গ বলিলে বর্তমান বাংলাদেশ বুঝিতে হইবে)। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল তথা সাতক্ষীরার পশ্চিম অংশ ধরিয়া যশোহর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া হইয়া রাজশাহীর নবাবগঞ্জ পর্যন্ত সোজা উত্তর বরাবর আমরা একটি অখণ্ড ভাষা-অঞ্চল ধরিলে দেখিব এই সমগ্র অঞ্চল জুড়িয়া ভাষাভেদ তেমন প্রকট হইয়া উঠে নাই। আমাদের বর্ণিত অঞ্চলটি মোটামুটি হিশাব ধরিলে ভাগীরথী অঞ্চলের ভাষার কাঠামোগত রূপ বজায় রাখিয়াছে। অর্থাৎ, ক্রিয়া ও সর্বনামপদের এলাকাভিত্তিক কথ্যরূপ ব্যবহার করে। বাক্যের অন্বয়বিন্যাসের মধ্যেও বড়রকমের পার্থক্য দেখা যায় না। আমাদের তথাকথিত ভদ্রলোক সমাজের আরোপিত ভাষা-পরিচ্ছন্নতা-উদ্যোগ বাদ দিলে বর্ণিত অঞ্চলের ভাষা কথিত মানভাষা হইতে খুববেশি দূরে নয়। তবুও আমাদের খেয়াল রাখিতে হইবে যে, উচ্চারণরীতি, বাকভঙ্গিমা এবং শব্দসম্ভারের দিক হইতে এই অঞ্চল ভাগীরথী, অর্থাৎ, দক্ষিণবঙ্গের সহিত কোন নিবিড় সম্পর্ক রাখে নাই; নিজেরা একটি বিশিষ্ট ভাষারূপ গড়িয়া তুলিয়াছে। কোথাও কোথাও শব্দে মহাপ্রাণধ্বনি আনিয়া এক বিস্ময়কর শব্দ-দ্যোতনা সৃষ্টি করিয়াছে। কোথাও আবার বর্ণের উচ্চারণ-বিকৃতি ঘটাইয়া ভাষারূপের এক আশ্চর্য্য সত্তার জন্ম দিয়াছে। এতদসত্ত্বেও আমরা আলোচিত অঞ্চলটিকে সাধারণভাবে কথ্যভাষা বা চলিতভাষার অনুগামীরূপে ধরিয়া নিব; যদিও শুদ্ধতার বিচারে এ-কথা পুরাপুরি মানিয়া নেওয়া যায় না। কেননা, আলোচিত অঞ্চলের বহুস্থানে আমরা সাধুরূপের অবাধ আয়োজন দেখিয়াছি। স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনির সহজাত ও অনায়াস ‘বিকৃত’ উচ্চারণ কাহারও কর্ণ এড়াইবে না।

বাংলাদেশের বাদ-বাকি অংশের, অর্থাৎ, বলিতে গেলে প্রায়-সমগ্র বাংলাদেশের ভাষারূপের প্রকৃতি কী-রূপ- তাহা আলোচনা করিবার আগে ভাষার শব্দসম্ভারে কী ধরনের পরিবর্তন ঘটে, একবার দেখিয়া আসি। বাঙলা ব্যাকরণের (মূলতঃ ইহা সংস্কৃত ব্যাকরণ) অল্প কয়েকটি বিষয় সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা থাকিলে শব্দের পরিবর্তন বা রূপান্তর সহজেই বোঝা যায়। বিশেষ করিয়া স্বরসঙ্গতি, অপিনিহিতি, অভিশ্রুতি ও অপশ্রুতির মত কয়েকটি বিষয় জানা থাকিলে ভাষারূপ বুঝিবার বিশেষরকম সুবিধা হয়। বাংলাদেশের সব জায়গাতেই ভাষারীতির ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলির প্রায়-নির্বিচার প্রয়োগ ঘটিয়াছে। কোন কোন স্থানে ইহাদের ব্যাপকতার এত ‘বাড়’ বাড়িয়াছে যে, কখনও কখনও মূল শব্দই আর খুঁজিয়া পাওয়া যায় না। চট্টগ্রাম অঞ্চলে অসংখ্য শব্দের মধ্যবর্তী বর্ণ নিখোঁজ হইবার ফলে অভূতশ্রুত শব্দের সৃষ্টি হইয়াছে। বহুস্থানে শব্দ মূলরূপ হারাইয়া অন্যরূপে প্রকট হইয়াছে। তিনবর্ণ-বিশিষ্ট কিছু শব্দের মধ্যবর্তী বর্ণ ‘মৃত্যুবরণ’ করিয়াছে; কোথাও আবার ‘অ’ বর্ণের আবির্ভাব ঘটিয়াছে। এইরূপ সরিয়া যাওয়া, শব্দের আগে, পরে ও মধ্যখানে বর্ণের যোগ হওয়া বা হারাইয়া যাওয়া ইত্যাদি শব্দ-স্বভাব নিয়া সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বিস্তারিতভাবে আলোচনা করিয়াছেন বলিয়া আমরা আলাদাভাবে আর আলোচনা করিব না।

অতঃপর আমাদের বিনত জিজ্ঞাসা: পূর্ববঙ্গের জনগণের ভাষা কী? ‘জনগণ’ বলিতে আমরা পূর্ববঙ্গের সমগ্র মানবসমাজের কথা বলিতেছি; কোন বিশেষ গোষ্ঠী বা সমাজ, শ্রেণী বা সম্প্রদায়, বর্ণ কিংবা ধর্ম, পেশা-এইসব অবস্থান সম্পূর্ণরূপে বাদ দিয়া আমরা বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের কথা বলিতেছি। কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, শিক্ষক, কর্মজীবী, ধর্মজীবী, সাধু-অসাধু নির্বিশেষে বাংলার সর্বত্র বসবাসকারী সর্বস্তরের জনগণের কথা বলিতেছি। তাঁহারা কোন্ ভাষায় কথা বলেন? পরম পরিতাপের সহিত বলিব- আমাদের জ্ঞানমণ্ডল বহু-সন্ধানে সদাব্যস্ত থাকিবার ফলে বাংলাদেশের গণমানুষের আবহমান নিত্যজীবনের, নিত্যপ্রহরের ভাষা কী-জানিবার অবসর পায় নাই। ‘পরধন লোভে মত্ত’ হইয়া আত্ম-সন্ধানের কোন আহ্বান আমরা আর শুনিতে পাই না।

সাতক্ষীরার পশ্চিমদিক হইতে সোজা উত্তরদিকে রাজশাহী পর্যন্ত আপনাদের যাত্রা করিতে একবার অনুরোধ করিয়াছি। এই অঞ্চলটুকু বাদ দিয়া বাদ-বাকি সমগ্র বাংলাদেশের জনসাধারণের ঘরে-বলা-কথা আর বাহিরে-বলা-কথা বাঙলাভাষার কোন্ রীতির-তাহা কি আমরা কখনও জানিতে চেষ্টা করিয়াছি? অন্ততঃ, কখনও কি এ-কথা আমাদের মনে আসিয়াছে যে, আমাদের অন্তরের ভাষা কী, আমাদের নিত্যপ্রহর কাটে কোন্ ভাষার অনুপম আচ্ছাদনে? কোন্ ভাষায় গাহন না করিলে আমাদের ‘হৃদয়ের এ-কুল ও-কুল দু-কুল’-ই ভাসিয়া যায়? কোন্ ভাষায় না ডাকিলে জননী বধির হইয়া যান? কোন্ ভাষায় না সাধিলে প্রণয় পরাণের গহীনে বসতি বানায় না? ইহা সেই আন্তরিক ভাষা; আপনারাই ইহাকে ‘জাতে’ তুলিবার জন্য নাম দিয়াছেন সাধুভাষা। সাধু! সাধু! আপনারা আমাদের আন্তরিক অভিনন্দন গ্রহণ করুন।

আসুন, এইবার আমরা একটি ভাষা-ভ্রমণ শুরু করি। আমদের ভ্রমণ-গন্তব্য বিভাগভিত্তিক; অর্থাৎ, রাজনৈতিকভাবে নির্ধারিত বিভাগকে আমরা এক-একটি একক ধরিয়া যাত্রা শুরু করিব। প্রথমে আমরা প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ যাইব। চন্দ্রদ্বীপ নিশ্চয় আপনারা চিনিতে পারিয়াছেন। ইহা বরিশাল। সমগ্র বরিশাল বিভাগ ঘুরিয়া দেখিলাম, কেহই চলিতভাষায় কথা বলেন না। সকলের কণ্ঠে সাধুভাষা। প্রায় প্রতিটি ক্রিয়াপদ ও সর্বনামপদ সাধুরীতির এবং তৎসমশব্দের বিস্ময়কর প্রয়োগ। কোনদিন কোন বিদ্যালয়ে যান নাই, প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার কোন অঙ্গনে কোনকালেই পা রাখেন নাই-এমন নর-নারীও অতি সাধারণ বাক্যে অবলীলায় তৎসমশব্দ বলিয়া যাইতেছেন। কোথা হইতে তাঁহারা এইরূপ ব্যবহার শিখিলেন! আমরা ঘোরে পড়িয়া যাই। আর তাঁহাদের আন্তরিক ভাষার কী অসীম শক্তি। ‘একদণ্ড খাড়াইয়া হুনলেই বুই্জ্জা যাইবেন।’

চট্টগ্রামে দেখি আবার আরেক কাণ্ড। জনভাষা বাক্যের অন্বয় একবারে তছনছ করিয়া দিয়াছে। ঋণাত্মক ‘না’ ক্রিয়াপদের আগে বসিয়া বাঙলাভাষার কথিত চলিতরূপের সমাধি রচনা করিয়া দিয়াছে; সাধুর সম্মানেও হানা দিয়াছে। ভাষা কীভাবে এমন রূপ ধরিল, কেন ধরিল- তাহা ভাষা-তাত্ত্বিকেরা আশা করি বিচার করিবেন; আমরা লক্ষ করিলাম, আম-জনতার ভাষা চলিতরীতির কোন খবর রাখে নাই। ‘আঁই ভাত ন খাইয়ুম, গোস্বা অইয়ুম, আঁর মনত্ জ্বালা’-‘খাইয়ুম’ ও ‘অইয়ুম’ সাধুরীতির অঞ্চলভিত্তিক ভিন্নরূপ (চরণটির শুদ্ধ উচ্চারণ ও বানান ভুল হইলে আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী; কেননা, ইহা আন্তরিক ভাষার উচ্চারণ)। এইরূপ পরিবর্তনকে কেহ বিকৃতি বলিলে আমরা তাহা মানিয়া লইতে একেবারেই প্রস্তুত নহি। এইস্থলে কে কী বিকৃত করিল, কীভাবে করিল-তাহা জানিতে চাহিলে শুদ্ধপন্থীরা বড় বিপদে পড়িয়া যাইবেন; আমরা প্রীতিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাস করি। চট্টগ্রামে শব্দের মূলরূপে যেমন স্বরাগম ঘটে আবার স্বরবিলোপের অসংখ্য উদাহরণ দেখিতে পাওয়া যায়। পূর্ববাংলার বিভিন্নস্থানে কম-বেশি এই পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। এ-রূপ পরিবর্তন, পরিবর্ধন, বিয়োজন, যোজন কেবল সাধুরীতির জনভাষ্যে, জনগদ্যে ও জনপদ্যেই সম্ভব। স্বীকার করিতে হইবে যে, চট্টগ্রামে শব্দগ্রহণ ও রূপান্তরের সুদীর্ঘ যাত্রাপথে অ-বাঙলা শব্দের অনুপ্রবেশের অনুপাত তুলনামূলকভাবে বেশি ঘটিয়াছে। ফলে, কোন কোন ক্ষেত্রে, এমনকী বাঙলাভাষার মৌলিক কাঠামো হইতেও কিছুটা আলাদা হইয়া গিয়াছে। বিশিষ্ট ভাষারূপ ধারণ করিবার কয়েক শতাব্দব্যাপী আর্থ-রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস রহিয়াছে। চট্টগ্রামের ভাষার এই চারিত্র্যলক্ষণ দেখিয়া একদল ভাষাবিদ হয়তো ইহাকে বাঙলা বলিতে ঈষৎ কুণ্ঠাবোধ করিয়াছেন। আমরা প্রবলভাবে এইরূপ ধারণার বিরোধিতা করি। এইসব ‘মতবাদ’ মানিয়া লইলে বাঙলাভাষী সর্বপশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমের বাঙলাকেও কেহ কেহ ‘অতি-ভেজাল-দোষে-দুষ্ট’ বলিয়া নিন্দা করিতে পারেন। আমরা কোন পক্ষকেই বাঙলার মিত্র বলিয়া গণ্য করি না। সমগ্র বাঙলাভাষী অঞ্চলের প্রতিটি ভাষারূপই আপন স্বকীয়তায় উজ্জ্বল, আপন গৌরব ও সৌন্দর্য্য লইয়া দীপ্তময়। ইহাদের সকলই বাঙলাভাষা। এইসব বিবিধপ্রকার ‘দোষত্রুটি’ আছে বলিয়াই বাঙলা এক অতুলনীয় ভাষা; অতি ভেজালের মহত্ত্ব নিয়াই ইহার গৌরব।

ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের ভাষা নিয়া আলাদা করিয়া বলিবার কথা তেমন বিশেষ নাই। স্বরবিচ্যুতি, বর্ণবিপর্যয়, অভিশ্রুতি ও অপিনিহিতির ‘বাড়াবড়ি’ এই বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়িয়া বুঝি একটু বেশি হইয়াছে- ইহা না-মানিয়া উপায় নাই; তাই বলিয়া ইহা সাধুরীতি ত্যাগ করে নাই। যত্র-তত্র আপনি সাধুভাষা ছাড়া অন্যকোন ভাষা শুনিবার আশা করিবেন না।

রংপুর রাজনৈতিকভাবে বিভাগরূপে আবির্ভূত হইবার ফলে উহার ভাষা-মানচিত্রের শরীর জুড়িয়া সাধুরীতির চিহ্ন প্রায়-সবটুকু ধরিয়া রাখিয়াছে। তবে ইহাও মনে রাখিতে হইবে যে, সর্বত্র সমানভাবে ধারণ করা বাস্তবিকভাবে সম্ভব নহে; সম্ভব হয় না। তাহার পরও বরিশাল, ঢাকা ও চট্টগ্রামের এক বিস্তীর্ণ ভূভাগ জুড়িয়া সাধুরূপের রূপান্তর খুব বেশি হয় নাই। ময়মনসিংহ ও রংপুরে সাধুরীতির প্রাবল্য কিছুটা কম বলিয়া মনে হয়। সিলেটে আবার সাধু ভিন্ন একটি স্বভাব ধরিয়াছে: কোথাও কোথাও এই রূপ প্রকট আকার ধারণ করিয়াছে।

রাজশাহীর একটি নির্দিষ্ট এলাকা বাদ দিলে সাধুরীতির জনভাষা দুর্লভ নহে। মজার বিষয় হইল-সাধুশব্দে সেখানে মহাপ্রাণধ্বনি আনিয়া একটি অভূতশ্রুত ধ্বনিব্যঞ্জনা সৃষ্টি করা হইয়াছে। সিলেটেও সমরূপ সাধু-স্বভাবের প্রভাব দেখিতে পাওয়া যায়। খুলনার একটি বৃহত্তর অংশ বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের সন্নিহিত অঞ্চলের সহিত একধরনের ‘ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক নৈকট্য’ অনুভব করে বলিয়া কথিত চলিতরীতির কাছাকাছি থাকিবার জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করিয়াছে। সাফল্য আশানুরূপ হইয়াছে বলিয়া মনে করিবার কোন কারণ নাই।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

ঐতিহাসিক সীমাবদ্ধতা : বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথের প্রাসঙ্গিকতা

ঐতিহাসিক সীমাবদ্ধতা : বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথের প্রাসঙ্গিকতা

সময়ের সুরে ভাসা জীবনের শব্দ

সময়ের সুরে ভাসা জীবনের শব্দ

গল্প হারুন মোল্লার বিবিধ জীবন

হারুন মোল্লার বিবিধ জীবন

পূর্ববঙ্গের ভাষা : পর্ব ১৩ পূর্ববাংলার জনভাষা এবং একটি ভাষা-ভ্রমণ

পূর্ববাংলার জনভাষা এবং একটি ভাষা-ভ্রমণ

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম