Logo
Logo
×

Advertisement

সাহিত্য সাময়িকী

এজরা পাউন্ড আধুনিক কবিতার নির্ভীক স্থপতি

Advertisement

Icon

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

শিল্প ও বিবেকের চিরন্তন সংঘাতে এজরা পাউন্ডের মতো এত বড় ট্র্যাজেডি কিংবা অমীমাংসিত হেঁয়ালি বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে দ্বিতীয়টি নেই। সাহিত্যের দীর্ঘ ইতিহাসকে যদি কোনো সুবিশাল নাট্যমঞ্চ ভাবা যায়, তবে এজরা ওয়েস্টন লুমিস পাউন্ড সেই মঞ্চের এমন এক চরিত্র, যাকে একইসঙ্গে আধুনিক কবিতার প্রধান ধাত্রী এবং ইতিহাসের অন্যতম খলনায়ক হিসাবে পাঠ না করে উপায় থাকে না।

বিংশ শতাব্দীর ঊষালগ্নে যে ‘ইম্যাজিসম’ বা চিত্রকল্পবাদী আন্দোলন কবিতার শরীর থেকে অলংকারের অনাবশ্যক মেদ ঝরিয়ে তাকে টানটান, মিতব্যয়ী ও হীরকখণ্ডের মতো নিখুঁত রূপ দিয়েছিল-তার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন এজরা পাউন্ড। আধুনিক সাহিত্যের মানচিত্র তিনি যেন নিজ হাতে নতুন করে এঁকেছিলেন। লন্ডনের ধোঁয়াশাচ্ছন্ন গলিঘুঁজিতে বসে জেমস জয়েসের ‘ইউলিসিস’ কিংবা টি. এস. এলিয়টের ‘দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড’-এর মতো কালজয়ী সৃষ্টিকে তিনি যদি নিজের জাদুকরী সম্পাদনায় ছেঁটে না দিতেন, তবে হয়তো বিশ্বসাহিত্যের সেই মহিরুহগুলো আলোর মুখই দেখত না। আর্নেস্ট হেমিংওয়ে তাই কোনো অতিকথন ছাড়াই লিখেছিলেন : ঊনবিংশ বা বিংশ শতাব্দীর কোনো কবির পক্ষে পাউন্ডের প্রভাব এড়িয়ে যাওয়া ঠিক তেমনই অসম্ভব, যেমন-‘একটি প্রচণ্ড তুষারঝড়ের মধ্যদিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় তার হাড়কাঁপানো তীব্র শীতকে অস্বীকার করা।’

বিংশ শতাব্দীর সাহিত্যের দিগ্বলয়ে এজরা পাউন্ড শুধু একজন কবি বা সমালোচকের নাম নয়; তিনি ছিলেন একটি বৌদ্ধিক বিপ্লবের নাম, এক প্রচণ্ড কালবৈশাখীর প্রতিশব্দ। সমালোচক, কবি, সংগঠক এবং একইসঙ্গে রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রচারক-নানা পরিচয়ে বিভক্ত এ মানুষটি আধুনিকতাবাদী সাহিত্যের অবয়ব নির্মাণে পালন করেছিলেন এক অবিস্মরণীয় রূপকারের ভূমিকা। সমকালীন প্রায় সব প্রভাবশালী লেখক ও কবির মিলনসূত্রটি যেন গ্রথিত ছিল তারই সংবেদনশীল মনের সঙ্গে। প্রচলিত ছন্দোবদ্ধ কাব্যের নিগড় ভেঙে মুক্তছন্দের যে প্রাণময় বিস্তার, কোলাজ এবং নিগূঢ় সাহিত্যিক ইঙ্গিতের যে অপূর্ব সমন্বয় তিনি ঘটিয়েছিলেন-তা সাহিত্য জগৎকে চিরতরে বদলে দিয়েছিল। অভিনবত্ব এবং আঙ্গিকগত নিরীক্ষার যে সুর তিনি বেঁধে দিয়েছিলেন, তাই আজ আমাদের শিল্পবোধের কাছে আধুনিকতা রূপে দীপ্যমান।

১৮৮৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূরবর্তী আইডাহোর হেইলিতে জন্ম নেওয়া পাউন্ড শৈশব ও কৈশোর কাটিয়েছিলেন পেনসিলভেনিয়ার উইনকোটে। অল্প বয়সেই প্রাচীন গ্রিক ও লাতিন ভাষার গভীর রহস্যের প্রতি তার অনুরাগ জন্মে চেল্টেনহ্যামে। পরবর্তীকালে তিনি পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে দুবছর নিবিড়ভাবে ভাষা অধ্যয়ন করেন এবং হ্যামিলটন কলেজ থেকে স্নাতক পর্ব শেষ করেন। জীবনের প্রারম্ভিক পর্বে ইন্ডিয়ানার ওয়াবাশ কলেজে রোমান্স ল্যাঙ্গুয়েজের প্রভাষক হিসাবে যোগ দিলেও, তথাকথিত সামাজিক রক্ষণশীলতার সঙ্গে তার সংঘাত অনিবার্য হয়ে ওঠে।

১৯০৮ সালে তিনি ইউরোপ অভিমুখে পাড়ি জমান; ঘুরে বেড়ান ইতালি, স্পেন ও ইংল্যান্ডের ধূলিমলিন অথচ শিল্পসমৃদ্ধ পথে। এ পরিভ্রমণকালেই তিনি পরিচিত হন চীনা ও জাপানি কবিতার অনুপম সৌন্দর্যের সঙ্গে। প্রাচ্যের এ সংক্ষিপ্ত, গভীর ও চিত্ররূপময় কাব্যরীতি তার বিক্ষিপ্ত শিল্পচেতনাকে এক সুশৃঙ্খল নান্দনিকতায় রূপ দেয়, যা তার সমগ্র সৃজনশীল জীবনকে আমৃত্যু প্রভাবিত করেছিল। ১৯০৯ সালে প্রকাশিত তার প্রথম উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ ‘পার্সোনায়ে’ (Personae) প্রকাশ করে তার দ্বিমুখী প্রতিভার রূপ-যেখানে একদিকে ছিল ঐতিহ্যবাহী নাটকীয় স্বগতোক্তির সুর, অন্যদিকে ছিল এক আমূল নতুন কাব্যভাষার তীব্র বিস্ফোরণ।

ইউরোপ পরিভ্রমণ শেষে যখন তিনি লন্ডনে পা রাখলেন, তখন তার চোখে ছিল ইংরেজি সাহিত্যের সনাতন জমিনকে আমূল বদলে দেওয়ার এক অদম্য প্রত্যয়। আধুনিকতাবাদের উন্মেষে পাউন্ডের গুরুত্ব শুধু তার নিজস্ব সৃষ্টির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; তিনি ছিলেন আধুনিক সাহিত্যের প্রধান আলোকবর্তিকা। তিনি একে একে আবিষ্কার করেন এবং অনুপ্রেরণা জোগান তার সমকালের প্রধান লেখকদের। আমেরিকান লিটল ম্যাগাজিন ‘পোয়েট্রি’ (Poetry)-র লন্ডন প্রতিনিধি এবং পরে ‘দি ইগোইস্ট’ (The Egoist)-র কবিতা সম্পাদক হিসাবে তিনি সাহিত্যের মানদণ্ড পুনর্নির্ধারণ করেন।

নিজের চেয়ে কুড়ি বছরের বড় আইরিশ মহাকবি উইলিয়াম বাটলার ইয়েটসের সঙ্গে গড়ে ওঠে তার গভীর বন্ধুত্ব। ইয়েটসের রোমান্টিক ও প্রতীকীবাদী অলংকারবহুল ভাষা থেকে তাকে মুক্ত করে আধুনিক জীবনের উপযোগী স্পষ্টতা ও কথ্যভাষার দিকে চালিত করার পেছনে পাউন্ডের ভূমিকা ছিল অসামান্য। অন্যদিকে, টি. এস. এলিয়টের প্রতিভাকে বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠা করার নেপথ্য কারিগরও ছিলেন তিনিই। এলিয়টের যুগান্তকারী মহাকাব্য ‘দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড’-এর পাণ্ডুলিপি পাউন্ড এমন নির্মম অথচ শৈল্পিক দক্ষতায় সম্পাদনা ও ছাঁটাই করেছিলেন যে, এলিয়ট কৃতজ্ঞচিত্তে এ মহাকাব্যটি পাউন্ডকে উৎসর্গ করে লিখেছিলেন-‘ইল মিলিয়র ফাব্রো’-যার অর্থ ‘শ্রেষ্ঠতর কারিগর’। জেমস জয়েসের মতো জটিল ও অবহেলিত প্রতিভাকে আলোয় নিয়ে আসার ক্ষেত্রেও তার ক্লান্তিহীন শ্রম ছিল অনস্বীকার্য। সমকালে এলিয়ট বা ইয়েটসের মতো হয়তো পাউন্ডের কবিতা সর্বসাধারণের কাছে ততটা পঠিত হয়নি, কিন্তু আধুনিক কবিতার দিগদর্শন ও তার মূল ক্যানভাস তৈরিতে তিনিই ছিলেন সবচেয়ে ক্ষমতাধর পথপ্রদর্শক।

ফরাসি আধুনিক আন্দোলন অনুসরণ করে পাউন্ড এক নতুন শিল্পধারার জন্ম দেন, যার নাম দেন ‘ইমাজিজম’ বা ‘চিত্রকল্পবাদ’। মূলত তার দীর্ঘদিনের বান্ধবী এবং কিশোর বয়সের প্রণয়ী, কবি এইচ. ডি. (হিল্ডা ডুলিটল)-এর কবিতাকে সংজ্ঞায়িত ও প্রচারিত করতেই এ ধারণার সূত্রপাত। চিত্রকল্পবাদে ‘সরাসরি প্রকাশ’-এর যে প্রত্যয়, তাতে দৃশ্যকলার গভীর প্রভাব স্পষ্ট।

এরপর পাউন্ড কানাডীয় বংশোদ্ভূত চিত্রশিল্পী উইন্ডহাম লুইস এবং রেবেল আর্ট সেন্টারের বিদ্রোহী শিল্পীদের সঙ্গে মিলিত হয়ে এক নতুন নান্দনিক দর্শন প্রতিষ্ঠা করেন, যার নাম দেন ‘ভর্টিসিজম’ বা ‘ঘূর্ণিবাদ’। চিত্রকল্পের স্থিরতাকে গতিশীলতায় রূপ দিতে গিয়ে পাউন্ড ঘোষণা করলেন : ‘চিত্রকল্প কোনো স্থবির ধারণা নয়। এটি এক দীপ্তিমান কেন্দ্রবিন্দু বা পুঞ্জীভূত শক্তি; এটি একটি ঘূর্ণি (VORTEX), যার ভেতর থেকে, যার মধ্যদিয়ে এবং যার অভিমুখে নিরন্তর ধারণাগুলো ধাবিত হয়।’ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরুর ঠিক প্রাক্কালে, ১৯১৪ সালে, পাউন্ড ও লুইসের যৌথ সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় এ আন্দোলনের মুখপত্র ‘ব্লাস্ট’ (BLAST) পত্রিকা।

পাউন্ড বিশ্বাস করতেন, বিগত দিনের পচা ঐতিহ্যকে অন্ধভাবে আঁকড়ে ধরা সাহিত্যিকের কাজ নয়। তিনি লিখেছিলেন, ‘বিশ বছর পুরোনো রীতিতে কখনো ভালো কবিতা রচিত হতে পারে না; কারণ তা জীবনের সঙ্গে নয়, বই ও চর্বিতচর্বণের সঙ্গে জড়িত।’ কিন্তু একইসঙ্গে তিনি অতীতের প্রাচীন, বিস্মৃত ধারাকে নতুন সৃষ্টির প্রাণভোমরা হিসাবে পুনরুজ্জীবিত করার ডাক দেন। রোমান সাম্রাজ্যের কবি প্রপার্টিয়াসের অনুকরণে লেখা তার দীর্ঘ কবিতা ‘হোমেজ টু সেক্সটাস প্রপার্টিয়াস’ এবং পরবর্তীকালের মাস্টারপিস ‘হিউ সেলউইন মবার্লি’তে এই অতীত ও বর্তমানের নিখুঁত মেলবন্ধন দেখা যায়।

১৯২০ সালে পাউন্ড লন্ডন ত্যাগ করে প্যারিসে চলে যান এবং ১৯২৪ সালে স্থায়ীভাবে পাড়ি জমান ইতালিতে। সেখানে তিনি প্রায় দুই দশক নিভৃতে অতিবাহিত করেন। এ সময়জুড়েই তিনি কাজ করে চলেন তার জীবনের সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী মহাকাব্য ‘দ্য ক্যান্টোস’ (The Cantos) নিয়ে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় শুরু হওয়া এবং ১৯৭২ সালে তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অসমাপ্ত থাকা এ বিশাল সৃষ্টি আধুনিক সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য বিস্ময়।

কিউবিজমের কোলাজরীতির মতো করে পাউন্ড এ মহাকাব্যে বিশ্বসাহিত্যের নানা সুর ও স্তরকে একীভূত করেছিলেন। হোমারের মহাকাব্য, প্রোভঁসাল কবি আর্নল্ট ড্যানিয়েল, ইতালীয় রেনেসাঁসের রক্তক্ষয়ী ইতিহাস, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন অ্যাডামসের রাষ্ট্রদর্শন, রবার্ট ব্রাউনিং এবং প্রাচ্যের কনফুসীয় দর্শন ও চীনা বর্ণলিপি-সবকিছুকে তিনি এক সুতোয় গেঁথেছিলেন। তিনি একে বলেছিলেন ‘গোত্রের ইতিহাস’-সমগ্র মানবজাতির বুদ্ধিবৃত্তিক অগ্রযাত্রার এক পলিফোনিক রূপরেখা। পাউন্ডের ভাষায় মহাকাব্য ‘ইতিহাসকে ধারণ করা এক দীর্ঘ কবিতা’, যা ইতিহাসকে বোঝার এবং কবিতাকে নতুন রূপ দেওয়ার এক আধুনিক প্রচেষ্টা।

কিন্তু এ বিস্ময়কর প্রতিভার ভেতরেই লুকিয়ে ছিল এক বিপজ্জনক ভ্রান্তি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের রক্তগঙ্গা দেখে তিনি ক্ষুব্ধ ও আহত হয়েছিলেন ঠিকই; কিন্তু সেই ক্ষোভের পথ ধরে তিনি আধুনিক পুঁজিবাদ ও সুদের অর্থনীতির বিরুদ্ধে দাঁড়াতে গিয়ে এক বিষাক্ত চোরাবালিতে তলিয়ে গেলেন। তিনি অন্ধভাবে জড়িয়ে পড়লেন বেনিতো মুসোলিনির ফ্যাসিবাদ আর অ্যাডলফ হিটলারের মারণযজ্ঞের রাজনীতির সঙ্গে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ইতালির বেতার তরঙ্গ থেকে যখন তিনি নিয়মিত মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে এবং হলোকাস্টের স্বপক্ষে কথা বলতেন, তখন কবির সেই পবিত্র কলম ও কণ্ঠ রূপ নিয়েছিল স্বৈরতন্ত্রের এক নগ্ন প্রচারযন্ত্রে।

পাউন্ডের জীবনের চড়াই-উতরাই শেক্সপিয়রীয় ট্র্যাজেডির গভীরতাকেও হার মানায়। ১৯৪৫ সালে মার্কিন সেনাবাহিনীর হাতে ধরা পড়ে উন্মুক্ত খাঁচায় পশুর মতো বন্দি জীবন, সেই অমানবিক নরককূপে বসেই ‘দ্য পিসান ক্যান্টোস’-এর মতো কালজয়ী কাব্যগাথা রচনা, অতঃপর সাহিত্যের সর্বোচ্চ ‘বলিঞ্জেন প্রাইজ’ পাওয়া নিয়ে বিশ্বজুড়ে বুদ্ধিজীবীদের মাঝে তুমুল বিতর্কের জন্ম দেয়। জীবনের শেষ প্রান্তে মুক্তি পেয়ে ইতালিতে ফিরেও ক্যামেরার সামনে স্যালুট ঠুকে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘এক উন্মাদাগার’ বলে আখ্যায়িত করতে তার গলা কাঁপেনি।

ব্যতিক্রমী বলেই পাউন্ডের কবিতার সঙ্গে আমাদের আত্মিক বোঝাপড়ার আয়ু যেন ফুরায় না। ১৯৭২ সালে তার নশ্বর চোখ চিরতরে বুজে এসেছে ঠিকই, কিন্তু সাহিত্যের সামনে রেখে গেছে এক কাঁটার মতো বিঁধে থাকা জ্বলন্ত প্রশ্ন : সৃষ্টির অসামান্য সৌন্দর্য কি স্রষ্টার নৈতিক দেউলিয়াত্বকে আড়াল করতে পারে?

এজরা পাউন্ড ছিলেন একাধারে সাহিত্যের নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক, বন্ধুদের ত্রাতা এবং আধুনিক কবিতার অকুতোভয় ভাস্কর; আবার অন্যদিকে রাজনৈতিক ভ্রান্তির নির্মম শিকার। জয়েসের গদ্য প্রকাশে সহায়তা থেকে শুরু করে এলিয়টের কবিতার নির্মোহ বিনির্মাণ এবং চিত্রকল্পবাদের মতো নতুন নান্দনিকতার জন্ম-সব মিলিয়ে পাউন্ড ছিলেন আধুনিকতার প্রাণশক্তি। তার মহাকাব্য দ্য ক্যান্টোস-এ তিনি দান্তে ও ব্রাউনিংয়ের অনুসারী হয়ে এক অবক্ষয়িত আধুনিক যুগে মানুষের আধ্যাত্মিক মুক্তির যে সন্ধান করেছিলেন, তা আজও সাহিত্যের পাঠককে শিহরিত করে। এজরা পাউন্ড তাই সাহিত্যের আকাশে এক চিরন্তন দ্বন্দ্বের প্রতীক, অনন্য প্রতিভা এবং গভীর মানবীয় ট্র্যাজেডির যুগলবন্দি।

মূল : অ্যান্টনি ডোমেস্টিকো এবং পেরিক্লিস লুইস

ভাবানুবাদ : মেজবাহ উদ্দিন

সূত্র : ইয়েল ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসপ্রেস

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

আবু ইসহাকের সাহিত্য : আমাদের মাটি ও মানুষের শিল্প

আবু ইসহাকের সাহিত্য : আমাদের মাটি ও মানুষের শিল্প

গল্প রূপান্তর

রূপান্তর

এজরা পাউন্ড আধুনিক কবিতার নির্ভীক স্থপতি

এজরা পাউন্ড আধুনিক কবিতার নির্ভীক স্থপতি

পূর্ববঙ্গের ভাষা : শেষ পর্ব সাধুরীতি: গণচিত্তের গন্তব্য

সাধুরীতি: গণচিত্তের গন্তব্য

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম