Logo
Logo
×

Advertisement

সাহিত্য সাময়িকী

ছোটকাগজের স্রোত

Icon

হেনরী স্বপন

প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০১৯, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

নিজে ছোটকাগজ কিংবা লিটলম্যাগের চর্চা থেকে জেনেছি; ছোটকাগজের জন্ম মূলত ছোট লেখকের পেইন থেকেই শুরু হয়। কেননা, পাঠ ও পাঠক চিন্তা করে ছোটকাগজের কনসেপ্ট তৈরি হয়নি, হচ্ছেও না, হবেও না- কখনই। তবে কিছু নিরীক্ষা প্রবণতায় জারিত নতুন কিছু করার আকাঙ্ক্ষা থেকেও এর যাত্রারম্ভ হয়। যদিও সৃজনশীল এ কর্মকাণ্ডের গ্ল্যামার’স উদ্দেশ্য এতটাই ক্ষীণ যে এর বিপরীতে দেনা-পাওনা যা কিছু তৈরি হয়, তা-ও অতোটা বিলবোর্ড সর্বস্ব নয়। তাই, যে কেউ চাইলেই, ছোটকাগজের উদ্দেশ্যগুলো হেডিংবোর্ডে টাঙানো রাস্তার মোড়ে মোড়ে বিজ্ঞাপনের মতো দেখতে পারবেন না। কারণ, এর ক্ষোভ-বিক্ষোভ, ক্ষতবিক্ষত যন্ত্রণাগুলো অ্যানেস্থেসিয়ায় স্থির থাকে একেকটি ছোটকাগজের ঘুম। কিংবা এ কাগজের ব্যাকটেরিয়ায় এতটাই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পক্ষাঘাত থাকে, যা খালিচোখে কোনোভাবেই দেখা সম্ভব নয়।

লিটল ম্যাগাজিনের প্রচার ও প্রসারের কাল বিংশ শতাব্দীর শুরুতে হলেও, বোস্টন থেকে ১৮৪০ সালে প্রকাশিত Ralph Waldo Emerson Margaret Fuller সম্পাদিত ঞযব উধরষ পত্রিকাটিকেই এ অঙ্গনের গবেষকরা প্রথম লিটল ম্যাগাজিন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। কেননা, এ ডায়ালেই এলিয়টের অনন্য অসাধারণ কাব্য ওয়েস্টল্যান্ড কবিতাটি সর্বপ্রথম ছাপা হয়েছিল। যদিও এরও আগে ১৭৩১ সালে অ্যাডওয়ার্ড কেভ সম্পাদিত ‘entleman's Magayine’ প্রকাশের পরপরই ম্যাগাজিন শব্দটি প্রচলিত হতে থাকে। তবে লিটল শব্দটি জুড়ে উনিশ শতকের প্রথম দিকে ইউরোপে লিটল ম্যাগাজিন শব্দটির ব্যবহার আরম্ভ হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। এবং প্রতিষ্ঠানের ডাইস সর্বস্ব পণ্য-সাহিত্যের বিপরীতে আঙ্গিক ও কাঠামোগত পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্লাটফর্ম হিসেবে ভিন্ন চিন্তার বিশেষ ধারার এসব কাগজই তখন লিটল ম্যাগাজিন অভিধায় পরিচয় লাভ করে। এ-সময় মার্গারেট এন্ডারসন সম্পাদিত The Little Review-সে সময়ের চেতনাপ্রবাহী অন্যতম লিটলম্যাগাজিন হিসেবে বহুল প্রশংসিত হয়েছিল। বাংলাসাহিত্যে বঙ্কিমচন্দ্রের বঙ্গদর্শনকে প্রথম ছোটকাগজ বলা হলেও, সার্বিকভাবে প্রথাবিরোধী মননশীলতার ধারায় প্রমথ চৌধুরীর সবুজপত্র’কেই বাংলার প্রথম লিটল ম্যাগাজিন বলে উল্লেখ করেছেন অনেকে। এরপর, ১৯২৩ সালের কল্লোল, ১৯২৪ সালের শনিবারের চিঠি, ১৯২৬ সালের সওগাত, ১৯২৭ সালের শিখা, ১৯২৭ সালের কলি কলম, ১৯২৭ সালের প্রগতি, ১৯৩১ সালের পরিচয়, ১৯৩২ সালের পূর্বাশা ইত্যাদি পত্রিকাগুলো ১৯৪৭-এর দেশ ভাগের আগে পর্যন্ত সমস্তই কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়েছে। তবে, বুদ্ধদেব বসু ও অজিত কুমার দত্ত সম্পাদিত প্রগতি পত্রিকাটি ঢাকা থেকে এবং সঞ্জয় ভট্টাচার্য সম্পাদিত পূর্বাশা কাগজটি কুমিল্লা শহর থেকে প্রকাশিত হতো। এরপর সাতচল্লিশ পরবর্তীকালে পঞ্চাশের দশকে বাংলাদেশে লিটল ম্যাগাজিনের একটি ক্ষীণ আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। তখন ফজল শাহাবুদ্দিন সম্পাদিত কবিকণ্ঠ, সিকান্দার আবু জাফরের সমকাল, ফজলে লোহানীর অগত্যা (১৯৪৯), মাহবুব-উল আলম চৌধুরী ও সুচরিতা চৌধুরীর সীমান্ত (১৯৪৭), এনামুল হক সম্পাদিত উত্তরণ (১৯৫৮) ইত্যাদি কাগজগুলো এ সময়ের সৃষ্টিশীল ধারায় সমৃদ্ধ ছিল। ষাটের দশক হচ্ছে বাংলাদেশের লিটল ম্যাগাজিন আন্দোলনের সবচেয়ে উর্বর সময়। তাই এ সময়ের উল্লেখযোগ্য কিছু পত্রিকার নাম না করলেই নয়, কণ্ঠস্বর (১৯৬৫), বক্তব্য (১৯৬২), সপ্তক (১৯৬২), স্বাক্ষর (১৯৬৩), সাম্প্রতিক (১৯৬৪), নাগরিক (১৯৬৪), স্যাড জেনারেশন (১৯৬৩), প্রতিধ্বনি (১৯৬৪), না (১৯৬৭), সুন্দরম, পূর্বমেঘ, পলিমাটি, বহুব্রীহি, কালস্রোত ইত্যাদি আরও অনেক ছোটকাগজ স্বাধীনতা উত্তরকালের বাংলাদেশের শিল্পসাহিত্যকে উর্বর করছে।

স্বাধীনতাউত্তর বাংলাদেশে অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের প্রভাব শিল্পসাহিত্যেও দেখা যায়। যে কারণে ষাটের উজ্জীবিত সাহিত্য আন্দোলন সত্তরের শুরুতে এসে কিছুটা নিস্তেজ হয়ে যায়। সত্তর দশকের কিছু ছোটকাগজ মননশীল সাহিত্যধারাকে অব্যাহত রেখে প্রকাশিত হয়েছে। তখন, গণসাহিত্য পত্রিকাটি ছিল সবার কাছে গ্রহণযোগ্য লিটলম্যাগ। এছাড়াও কালস্রোত, অলক্ত, কবি, অতলান্তিক, অধুনা, উচ্চারণ, কাক, কাদামাটি, চিরকুট এবং নাট্যবিষয়ক থিয়েটার ইত্যাদি পত্রিকা ছাড়াও তখন আনওয়ার আহমদ ও বেবী আনওয়ারের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় রূপম ও কিছুধ্বনি। বলা যায়, এ পত্রিকা দুটির প্রকাশনা অব্যাহত ছিল বহুবছর। পরবর্তী আশি...নব্বই এবং তারপরের বছরগুলোতে প্রচুর ছোটকাগজ নিয়মিত প্রকাশিত হয়েছে। এবং এখনও অনেক তরুণ ছোটকাগজ প্রকাশের সঙ্গে যুক্ত আছেন।

সর্বত্র গ্লোবালাইজেশনের মানে এই নয় যে, এখনকার সব আধুনিকতাই ছোটকাগজের চিন্তাকে ক্রান্তিকালের দিকে ঠেলে দিবে। যদি তাই হয়, তবে সমাজ-মানুষ-সভ্যতা-ক্লাসিক কোনো কিছুই থাকবে না। বিকাশ লাভ করবে না তেমন কোনো- প্যারাডাইমের প্রান্তর।

একটি ছোটকাগজের চিন্তা কয়েকজন ছোটরা মিলেই করে। তাহলে, ছোটরা হচ্ছে কারা? অবশ্যই সাহিত্যের প্রবল স্রোতে ঝাঁপ দেয়া সেসব অবশ্যম্ভাবী তারুণ্যরা। তাই, ছোটরা যখন তার প্রথম লেখাটি প্রকাশের তাগিদে- আত্মনির্ভরতার প্রতিশ্রুতিতে আত্মবিশ্বাসী হয়, তখন এরাই একেকটি ছোটকাগজের সম্পাদক হয়ে ওঠেন। কেউ কেউ অবশ্য প্রথাগত সাহিত্য ও শিল্পবোধের বিপরীতে বিশুদ্ধ নন্দনতত্ত্বের ছোটকাগজ প্রকাশ করে, কেবল অন্যের শ্রেষ্ঠ লেখাটি প্রকাশের প্রয়োজনে। হয়তো এদের সম্পাদনা বরাবরই মৌলবাদ এবং প্রতিষ্ঠানের গ্রাস এড়িয়ে প্রতিশ্রুতিশীল নবীন/প্রবীণ লেখকের লেখায় সমৃদ্ধ হয়। ফলে, এসব ছোটকাগজ...সে-যে ধারায়ই প্রতিষ্ঠিত হোক না কেন, নিষ্ঠা-সৎ ও মহৎ উদ্দেশ্য নিয়েই কমিটেড ধারায় প্রকাশিত হয়।

তাই, ছোটকাগজ ছোট্টপরিসরের হলেও, এর চিন্তা ও চিন্তার ব্যাপ্তি মোটেই ছোট কিছু নয়। অনেক বিশাল এর ঐশ্বর্যময়তা। যার গভীরতা-ঔদার্যতা উপলব্ধি সব পাঠকের- সবার অন্তরের উজ্জ্বলতা নয়। একটি ‘লিটল বয়’ হিরোশিমা ধ্বংসের জন্য জরুরি হলে, সাহিত্যের প্রথাগত/তথাকথিত এলিট ঐতিহ্য ভাঙনের জন্য একটি সৎ/শুদ্ধচিন্তার (লিটলম্যাগাজিন) ছোটকাগজ এক্ষেত্রে অত্যন্ত জরুরি হয়ে ওঠে। অবশ্য এজন্য এ কাগজের বারুদশালা, চিন্তা ও দর্শনগুলোও পুরোপুরি প্রাসঙ্গিক রাখতে হয়। যার মধ্যে রাষ্ট্র-প্রতিষ্ঠান-পরনির্ভরতা-ভোগ এবং ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্য কোনোভাবেই উসকে উঠবে না। আবার, স্রেফ আঁতলামি, অহংবোধ, গোষ্ঠীতন্ত্রে আক্রান্ত অস্থিরতাও দায়বদ্ধ কোনও ছোটকাগজের বৈশিষ্ট্য নয়। মূলত সৃজনশীল ছোটকাগজের চিন্তার পরিধি ও এর ব্যাপকতার পথ খুবই সরু, দুর্গম ও দুস্তরও বটে। তাছাড়া, দীর্ঘস্থায়ী নিষ্ঠা ও ব্যবসায়িক মনোবৃত্তি প্রকৃত ছোটকাগজের বিশ্বাস নয়। তবে, ছোটরাই শুরু করে যে কাগজের নৌকা বানিয়ে তারুণ্যের প্রবণতায় দুর্গম সাগর-মহাসাগর পাড়ি দিতে পারে। কেন না, এ সরু পথের চিন্তাকে- দুর্গমতাকে আমরা হয়ত কখনও অন্ধকার ছাপাখানার পাইকায় সাজিয়েছি। এখন হয়তো সেই চিন্তার আউটপুট কম্পিউটার ট্রেসিং, ডিমাই-প্লেটের ঝকঝকে অক্ষরের অফসেট মেশিনে মুদ্রিত হচ্ছে। তবুও, অতি সম্প্রতি ছোটকাগজ সম্পাদনার কনসেপ্টগুলো ব্লগ- অনলাইনের নানা অভিধায়, প্রতিবাদী দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশের প্রবণতায় নিয়তই আন্তর্জাতিক হয়ে উঠছে। তো, যেভাবে- যে মাধ্যমেই মুদ্রিত ও প্রকাশিত হোক না কেন; একজন ছোটকাগজ সম্পাদক তার পত্রিকার সমস্ত টানাপোড়েন সয়েও একেকটি ছোটকাগজ বিভিন্ন কারণে উৎকৃষ্ট/উল্লেখযোগ্য হয়ে উঠতে পারে।

এজন্যই আমরা এ-ও মনে করি, ছোটকাগজের ক্যানভাস মোটেই ছোট কিছু নয়। ছোটকাগজই পাঠক তৈরি করছে। প্রতিবছর এতো তরুণ লেখক উঠে দাঁড়াচ্ছে। সেসব প্রকৃত পাঠক ও লেখকের প্লাটফর্ম এটি। ফলে, একেকটি ছোটকাগজই এসব পাঠক ও লেখকসত্তায় প্রতিনিয়ত যাওয়া-আসার সেতু তৈরি করছে। যা মূলত একেকটি ছোটকাগজের পক্ষেই সম্ভব হয়। যদিও বা, এ-রকম ভাবি? যারা পাঠক- তারাই লেখক। তবে কিন্তু গ্রাফটা অন্যরকম হয়ে যায়। ছোটকাগজ যদি অসংখ্য লেখক তৈরি করে থাকে, তাহলে পাঠকও তৈরি করেছে সমপরিমাণ। পেছনে ফিরে দেখলেই এর সত্যতা মিলবে। যেহেতু আমাদের দৃষ্টিতে কিছু বড় কাগজের ঔদ্ধত্য আছে এবং এদের অসংখ্য পাঠকও আছে। তাই ওদের সবটাই কিন্তু তৈরি হচ্ছে মূলত এসব ছোটকাগজের অবদানেই। আমরা যদি, এ প্রক্রিয়াকে একটি পাইপ লাইন মনে করি, তবে দেখা যাবে ঝাঁকে ঝাঁকে নতুন লেখক/পাঠক আসছে। আবার বেরিয়ে যাচ্ছে। নতুন প্রজন্ম, নতুন লেখক, নতুন সম্পাদকের চাপেই। হয়তো পাঠকের মান কিংবা লেখকের মান- স্তরের পরিমাপ- এটা রাষ্ট্র-সমাজ ও তার স্বাস্থ্য যেমন রাষ্ট্রীয় অনেক উপাদানের সঙ্গে যুক্ত। এক্ষেত্রে ছোটকাগজের করার কিছু নেই। এ চলার উপমায়, চলমান প্রত্যেকেই মহাপান্থের মানুষ। তাই, যে লিখবে, যে পড়বে, সবটাই তার কমিটমেন্টের ওপর নির্ভর করবে। হারিয়ে ফেলা কোনো হতাশা বা নিয়ম নয়। বরং আর্থ-সামাজিক কাঠামো, রাষ্ট্রের আচরণ, শাসন-শোষণের মাত্রা, সামগ্রিক আকাক্সক্ষা, সাময়িক সুস্থতা ও অসুস্থতা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে অথবা কমে। লেখক- পাঠকের গ্রাফ লাইনটাও এ রকমই।

তাহলে কি ছোটকাগজের প্রয়োজনীয়তা- উপযোগিতা নেই? যুগের মেরুকরণে ব্যর্থতাই কি এর নিয়তি? এ প্রশ্ন হাস্যকর। যে কাগজের মাধ্যমে সে দেশের সাহিত্যের গতি-প্রকৃতি, তারুণ্যের বোঝাপাড়া পরীক্ষা-নিরীক্ষার নির্ভীকতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তবুও, আজও আমাদের এসব প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে কেন? যদিও বা আমাদের চিন্তায়, নিয়তি- এ শব্দের বিশেষণ একেবারেই বেমানান। প্রয়োজন- উপযোগিতা এসব দিয়ে তো ছোটকাগজকে বিশ্লেষণ করা আরও মূর্খতা। তবে হ্যাঁ- যতটুকু বুঝি, ছোটকাগজের উপযোগিতা কিংবা প্রয়োজন কখনও ফুরায় না। কারণ, আর কিছু নয়, সে নিজেই নিজের ঈশ্বর এবং স্বয়ম্ভু। ফলে, ছোটকাগজের ব্যর্থতা বলেও কিছু নেই। যুগের মেরুকরণ যেভাবেই হোক না কেন, ছোটকাগজ টিকে থাকবে তার চিন্তা-পদ্ধতি-অঙ্গীকার-অহং ও এর দর্শনের কারণেই। বুঝতে হবে, কাঠামো ছোটকাগজের একটি মুখোশ মাত্র। যদিও অবস্থানে বিশাল- প্রতিবাদী দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমেও অনন্য। প্রশ্ন হল, মানুষ কি যন্ত্র হয়ে বর্বর হবে- হচ্ছে, চিন্তাশূন্য বস্তুবাদীতে যদি এ বিমানবীকরণ সত্যি হয়। ছোটকাগজ তখন আরও বেশি সফল হয়ে উঠবে। ব্যর্থতা ফুটে উঠবে। ফলে, ছোটকাগজের সবুজ প্রান্তর গড়ে উঠবে- চিরকাল। এর বিপরীত যে কোনো রকম- প্রাতিষ্ঠানিক আলুমার্কা চিন্তা, ছোটকাগজের সম্মানের জন্য একেবারেই অর্থহীন। যদি কখনও ছোটকাগজের সম্মানের জন্য সে রকম প্রান্তর তৈরি হয়ে ওঠে, তখন ছোটকাগজ আর ছোটকাগজ থাকবে না। তা মূলত মূর্খ- হতাশাবাদীদের মুখপত্র হয়ে উঠবে। অর্থসংকট ও সংগ্রামের মধ্যেই ছোটকাগজ প্রাণ ফিরে পায়। পথ দেখায়- তথাকথিত বড়কাগজ, বড়লেখক এবং সৃজনশীল পাঠককেও। তাহলে, একবার ভেবে দেখুন তো! ঐশ্বরিক কোনো উদ্যানের সবুজ প্রান্তরের, ও রকম একটি ল্যান্ডস্কেপে ছোটকাগজ দাঁড়িয়ে আছে। আর কিছু মূর্খ- স্যালুট দিচ্ছে। তোপধ্বনি- সামরিক কায়দায় অভিবাদন মঞ্চ তৈরি হচ্ছে, ছোটকাগজের জন্য উন্মুক্ত লালগালিচা সংবর্ধনায়... !

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

আবু ইসহাকের সাহিত্য : আমাদের মাটি ও মানুষের শিল্প

আবু ইসহাকের সাহিত্য : আমাদের মাটি ও মানুষের শিল্প

গল্প রূপান্তর

রূপান্তর

এজরা পাউন্ড আধুনিক কবিতার নির্ভীক স্থপতি

এজরা পাউন্ড আধুনিক কবিতার নির্ভীক স্থপতি

পূর্ববঙ্গের ভাষা : শেষ পর্ব সাধুরীতি: গণচিত্তের গন্তব্য

সাধুরীতি: গণচিত্তের গন্তব্য

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম