শিক্ষকের লাঠিপেটায় শিক্ষার্থী হাসপাতালে
Advertisement
কিশোরগঞ্জ ব্যুরো
প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
হোমওয়ার্ক না করায় মাইশা নামের আট বছর বয়সি মাদ্রাসাছাত্রীকে বেধড়ক লাঠিপেটা করেছেন শিক্ষক। লাঠিপেটায় মাইশা অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার সকালে পাকুন্দিয়া উপজেলার নিশ্চিন্তপুর এলাকার দারুল উলুম মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক নিয়ামত উল্লাহর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীর মা। তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিযোগ থেকে জানা যায়, পাকুন্দিয়া পৌরসভার উত্তরপাড়া এলাকার মোস্তাকিম হোসেনের মেয়ে মাইশা নিশ্চিন্তপুর এলাকার দারুল উলুম মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। হোমওয়ার্ক না করায় বুধবার সকালে ক্লাসে শিক্ষক নিয়ামত উল্লাহ তাকে বেধড়ক লাঠিপেটা করায় জ্ঞান হারিয়ে মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে। লাঠির আঘাতে মাইশার দুই হাত, ডান উরু, দুই পা ও কোমরসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের রক্ত জমাট চিহ্ন, কালশিটে দাগ এবং ফোলা জখম হয়। পরে খবর পেয়ে স্বজনরা মাদ্রাসায় গিয়ে মাইশাকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে।
মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি শরীফ উদ্দিন বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আহত শিশুটির চিকিৎসার খোঁজখবরও নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।’ তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পাকুন্দিয়ার ইউএনও রূপম দাস বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি আমলে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও জানেন, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
