Logo
Logo
×

Advertisement

খবর

বিজিবির প্রচেষ্টায় সীমান্তে ৭ জনকে পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ

Advertisement

Icon

নওগাঁ ও জয়পুরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

নওগাঁর সাপাহার এবং জয়পুরহাট জেলা সীমান্ত দিয়ে সাতজনকে অনুপ্রবেশের (পুশইন) চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। মঙ্গলবার সকালে সাপাহারের সোনাডাঙা এবং জয়পুরহাটের সদর উপজেলার কড়িয়া সীমান্ত দিয়ে এ চেষ্টা চালানো হলেও তা ব্যর্থ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বর্তমানে সাতজন সীমান্তের শূন্য লাইনে অবস্থান করছেন। সাতজনের মধ্যে একজন নারী এবং বাকি সবাই পুরুষ।

পত্নীতলা ১৪-বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এহসান হাবিব বলেন, সকালে জেলার সাপাহার উপজেলার সোনাডাঙা সীমান্ত এলাকায় চারজনকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। খবর পেয়ে বিজিবির একটি টহল দল সেখানে যায় এবং পুশইন প্রতিহত করে। একই সঙ্গে জয়পুরহাট সদর উপজেলার পশ্চিম রামকৃষ্ণপুর সীমান্ত দিয়ে তিন যুবককে বাংলাদেশে ঠেলে দিয়েছিল বিএসএফ। মঙ্গলবার ভোরে তারা সীমান্তের প্রায় দুই কিলোমিটার ভেতরে কড়িয়া বাজারে চলে আসেন। এরপর স্থানীয়রা তাদের আটক করে বিজিবিকে খবর দিলে বিজিবি সদস্যরা তাদের ভারতীয় সীমান্তের ভেতরে ফেরত পাঠান।

এ ঘটনায় বিএসএফ-১২৩ ব্যাটালিয়নের দুর্গাপুর ক্যাম্প ও বিজিবি-১৪ পত্নীতলা ব্যাটালিয়নের কড়িয়া ক্যাম্পের মধ্যে বেলা ১১টার দিকে পতাকা বৈঠক হয়। তবে বৈঠকে বিষয়টির কোনো সুরাহা হয়নি। আরও একটি পতাকা বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

বিজিবির কড়িয়া বিওপির কমান্ডার মহাতাব উদ্দিন বলেন, বিএসএফ তিন যুবককে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠিয়েছিল। বিজিবি তাদের আবার ভারতীয় সীমান্তের অভ্যন্তরে পাঠিয়েছে। প্রথম দফার পতাকা বৈঠকে কোনো সুরাহা হয়নি। আবারও পতাকা বৈঠক হওয়ার ছিল। তবে রাত ৯টায় এ প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত পতাকা বৈঠকের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। সীমান্তে বিজিবি সদ্যরা টহল জোরদার করে অত্যন্ত সতর্ক অবস্থায় আছেন।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা আজ থেকে ২২ দিন

ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা আজ থেকে ২২ দিন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

গৌরীপুরে পুড়ল ঐতিহ্যবাহী ঝলমল সিনেমা হল

গৌরীপুরে পুড়ল ঐতিহ্যবাহী ঝলমল সিনেমা হল

স্বামী-ভাইকে জিম্মি করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

স্বামী-ভাইকে জিম্মি করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম