টার্মিনালে বিদেশি জাহাজ
পায়রায় যুক্ত হচ্ছে আধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং ইকুইপমেন্ট
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন, (রাঙ্গাবালী) পটুয়াখালী
প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
প্রায় দুবছর পর পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দরের প্রথম টার্মিনালের জেটিতে সরাসরি বার্থিং করেছে বিদেশি একটি মাদার ভেসেল। বুধবার সকালে চীনের পতাকাবাহী ‘ফ্যান ঝৌ-৬’ জাহাজটি বন্দরের নিজস্ব অর্থায়নে কেনা পাঁচটি আধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং ইকুইপমেন্ট নিয়ে প্রথম টার্মিনালের ৬৫০ মিটার জেটিতে এসে ভেড়ে।
চীনের পিংতান বন্দর থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর পায়রা বন্দরের উদ্দেশে রওয়ানা হয় ‘ফ্যান ঝৌ-৬’। পাঁচটি আধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং ইকুইপমেন্ট নিয়ে বুধবার জাহাজটি পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালে পৌঁছায়।
পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এসব ইকুইপমেন্ট সংযোজনের ফলে বন্দরের কার্গো ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে জাহাজ থেকে পণ্য খালাস ও ইয়ার্ডে কনটেইনার স্থানান্তরের সময় কমবে।
প্রথম টার্মিনালের জন্য আনা পাঁচটি ইকুইপমেন্টের মধ্যে রয়েছে নানজিং পোর্ট অ্যান্ড হারবার মেশিনারি কোম্পানির তৈরি ৮০ টন ধারণক্ষমতার দুটি শিপ-টু-শোর গ্যান্ট্রি ক্রেন বা এসটিএস এবং ৪০ টন ধারণক্ষমতার দুটি রাবার-টায়ার্ড গ্যান্ট্রি ক্রেন বা আরটিজি। এছাড়া জু ঝাউ কনস্ট্রাকশন মেশিনারি গ্রুপের তৈরি ৮০ টন ধারণক্ষমতার একটি মোবাইল হারবার ক্রেন বা এমএইচসি রয়েছে।
এসব ইকুইপমেন্টের মাধ্যমে মাদার ভেসেল থেকে কনটেইনার ওঠানো-নামানো, ট্রেইলার থেকে কনটেইনার হ্যান্ডলিং এবং ইয়ার্ডে কনটেইনার সংরক্ষণ ও স্থানান্তরের কাজ করা হবে। পাশাপাশি এমএইচসির মাধ্যমে বাল্ক কার্গো ও কনটেইনার খালাসের কাজ আরও দ্রুত করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার অ্যান্ড মেরিন) কমডোর মেহেদী হাসান বলেন, আধুনিক এসব ইকুইপমেন্ট সংযোজনের ফলে বন্দরের কার্গো ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এটি পায়রা বন্দরের জন্য একটি মাইলফলক। এর মাধ্যমে বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
