নারী ইউপি সচিবের দম্ভোক্তি
সব সচিব সময়মতো অফিসে গেলে আমিও যাব
Advertisement
টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
‘অন্যরা দেরিতে এলে দোষ নেই, আমার বেলায়ই যত আপত্তি। দেশের সব সচিব যদি ঠিক সময়ে অফিসে আসেন, তবেই না আমি নিয়ম মেনে সময়মতো অফিসে আসব।’ অফিস ফাঁকি দেওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে অভিযুক্ত গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) লিপী ঘরামীর এমন দম্ভোক্তি ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যে তোলপাড় শুরু হয়েছে ইউনিয়নটিতে।
ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ৯ জন ইউপি সদস্য স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, অভিযুক্ত সচিব কর্মস্থলে নিয়মিত আসেন না, দেরিতে আসেন এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই অফিস ত্যাগ করেন। শুধু তাই নয়, অফিসের গোপনীয় তথ্য বাইরে প্রকাশ করা, চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয়হীনতা এবং ট্রেড লাইসেন্স ও ওয়ারিশ সনদের ফি বাবদ আদায়কৃত টাকার সঠিক হিসাব না দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এর ফলে স্থানীয় সাধারণ মানুষ নিয়মিত সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সেবা নিতে এসে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষারত সেবাপ্রত্যাশীরা জানান, সকাল ৯টায় এসে তারা অপেক্ষা করলেও ইউনিয়ন পরিষদ সচিব অফিসে আসেন সকাল ১০টা, বেলা ১১টা, কোনো কোনো দিন দুপুরও গড়িয়ে যায়। কখন অফিসে আসবেন তা ফোন করে জানতে চাইলেও খারাপ ব্যবহার করেন। তাই গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের সেবা পেতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রমেন্দ্রনাথ ঢালী অভিযোগ করে বলেন, ‘সচিব আমাদের কোনো কথাই শোনেন না। তিনি তার ইচ্ছামতো অফিসে আসেন এবং কাজ করেন। তার এই স্বেচ্ছাচারিতার কারণে সরকারি সেবায় চরম ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে।’
