ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বিকল্প স্থান নির্ধারণ করে ব্যবসা করতে দিতে হবে: জামায়াত আমির
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতির পর সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার বিকাল ৫টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই আসনের সংসদ-সদস্য শফিকুর রহমান বলেন, রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাত চলাচলের উপযোগী রাখা জরুরি। তবে ফুটপাত ও সড়কে ব্যবসা করা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। তাদের জন্য উপযুক্ত বিকল্প স্থান নির্ধারণ করে ব্যবসার সুযোগ দিতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি মো. রেজাউল করিম, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিকসহ স্থানীয় নেতারা।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাস্তা যানবাহন চলাচলের জন্য এবং ফুটপাত মানুষের হাঁটার জন্য। কিন্তু আমাদের সামাজিক শৃঙ্খলার অভাবে ফুটপাত ও রাস্তায় ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে এবং দুর্ঘটনাও ঘটছে। তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনের আগে বলেছিলাম, এই সমস্যার টেকসই ও সমন্বিত সমাধান করতে হবে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা করে দিতে হবে। সেখানে তারা ব্যবসা করবেন, সিটি করপোরেশন যৌক্তিক হারে ট্যাক্স পাবে; কিন্তু কোনো ধরনের চাঁদাবাজি চলবে না।
নিজের নির্বাচনি এলাকায় না জানিয়ে উচ্ছেদে বিস্ময় প্রকাশ : এর আগে এ উচ্ছেদ অভিযানের বিষয়ে অবহিত না করায় বিস্ময় প্রকাশ করেন শফিকুর রহমান। তিনি বুধবার বিকালে ফেসবুকে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘স্থানীয় সংসদ-সদস্যকে অবহিত না করে এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি আমাকে বিস্মিত করেছে। এ বিষয়ে আমারও দায়িত্ব রয়েছে এবং আমাকে সম্পৃক্ত করা যেত।’
এর আগে সকালে মিরপুর ১৩ নম্বর থেকে ১০ নম্বর এলাকার হোপ মার্কেট এলাকায় ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান চালায় ঢাকা মহানগর পুলিশ ও সিটি করপোরেশন। এ সময় পুলিশ ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভাসমান ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ হয়। বিষয়টি না জানানোর অভিযোগ করে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান আপাতত সবাইকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের যে কোনো পদক্ষেপ যেন সমন্বিতভাবে নেওয়া হয় এবং সংসদ-সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সম্পৃক্ত করা হয়, এটাই হতে পারে সমস্যার সমাধানের উত্তম পন্থা।
