Logo
Logo
×

Advertisement

দ্বিতীয় সংস্করণ

গুলশান-বনানী পূজামণ্ডপে প্রধানমন্ত্রী

দেশ গড়তে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন এবং ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে ধর্মবর্ণনির্বিশেষে দেশের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সংগ্রাম করেছে। একইভাবে আগামী দিনে দেশ গড়ার সংগ্রামেও ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে রোববার রাতে রাজধানীর মহাখালী ও গুলশান-বনানী পূজামণ্ডপে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালে আমরা যুদ্ধ করে এই দেশকে স্বাধীন করেছিলাম। যুদ্ধের ময়দানে আমরা দেখিনি কে কোন ধর্মের মানুষ। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান-যারা এই দেশকে ভালোবাসেন, সবাই মিলে দেশকে স্বাধীন করেছেন। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়লে জনগণ ভোটাধিকার ও কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য রাজপথে নেমেছে। সেসব আন্দোলনেও ধর্মীয় পরিচয় কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।’

২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘সেদিনও দলমতনির্বিশেষে নারী-পুরুষ, সব শ্রেণি-পেশার মানুষ রাজপথে নেমেছিল। আমরা দেখিনি কে কোন ধর্মের মানুষ। সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গণ-অভ্যুত্থানকে সফল করেছিল। দেশকে স্বাধীন করার জন্য, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা যেমন ধর্ম দেখিনি, জাত দেখিনি, ঠিক একইভাবে আগামী দিনে দেশ গড়ার সংগ্রামেও আমরা ধর্ম দেখব না। আমরা দেখব কে এই দেশের নাগরিক।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় পরিচয় আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ। এই দেশের ওপর আপনার যেমন অধিকার আছে, আমারও তেমন অধিকার আছে। সেই অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে প্রতিটি ধর্ম ও পেশার মানুষকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ে তুলতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য হচ্ছে এ দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করেছে। আগামী হাজার বছরও যাতে সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে, সেটিই সবার প্রত্যাশা হওয়া উচিত।’

রাতে প্রথমে প্রধানমন্ত্রী মহাখালী রক্ষাকালী মন্দিরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান। সেখানে পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে তিনি গুলশান-বনানীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং সেখানে উপস্থিত পূজারি ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

গুলশান-বনানী পূজামণ্ডপে প্রধানমন্ত্রী দেশ গড়তে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে

দেশ গড়তে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে

সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন

সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন

১৫ প্রণোদনা তহবিল ৬২ হাজার কোটি টাকার পাঁচ মাসে বিতরণ ২০ শতাংশ

৬২ হাজার কোটি টাকার পাঁচ মাসে বিতরণ ২০ শতাংশ

জামায়াতের মনের মধ্যে আওয়ামী লীগ: রিজভী

জামায়াতের মনের মধ্যে আওয়ামী লীগ: রিজভী

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম