বুদ্ধকে অনুসরণ করলে মানুষ শুদ্ধ হবে: রিজভী
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা অনুসরণ ও চর্চা করলে মানুষ শুদ্ধ, মানবিক ও বিবেকবান হয়ে উঠতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, ‘গৌতম বুদ্ধের বাণী কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তা পুরো মানবজাতির কল্যাণের জন্য। এতে সমাজে শান্তি, সমৃদ্ধি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হবে।’
শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাসাবো ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সভার আয়োজন করে শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা ও কঠিন চীবরদান উদ্যাপন পরিষদ এবং বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ, ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহার।
রিজভী আরও বলেন, ‘প্রবারণা পূর্ণিমার তাৎপর্য শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর মধ্যে মানুষের চিত্তের শুদ্ধি, ভুল উপলব্ধি এবং অনুশোচনার মধ্য দিয়ে নিজেকে সংশোধনের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা রয়েছে। বর্ষাবাস শেষে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা নিজেদের কোনো ভুল, অন্যায় বা বিচ্যুতি হয়ে থাকলে তা স্বীকার করার মধ্য দিয়ে আত্মশুদ্ধির চর্চা করেন। এই শিক্ষা শুধু একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের জন্য নয়; বরং সব মানুষের জন্যই তাৎপর্যপূর্ণ।’ তিনি বলেন, ‘একজন মানুষ সারা বছরের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করে নিজের ভুল বুঝতে পারলে এবং তা স্বীকার করলে তার মধ্যে অপরাধবোধের ভার কমে আসে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যেন একই ভুলের পুনরাবৃত্তি না হয়, সে বিষয়ে তিনি সতর্ক হতে পারেন। সমাজের প্রত্যেক মানুষের মধ্যে এ ধরনের আত্মসমালোচনা ও আত্মশুদ্ধির চর্চা গড়ে উঠলে তা মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে।’
বিশ্ব বৌদ্ধ সৌভ্রাতৃত্ব সংঘ থাইল্যান্ডের সহসভাপতি ও বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি ও ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের অধ্যক্ষ শ্রীসদ্ধর্মসাসনধ্বজ বুদ্ধপ্রিয় মহাথের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন-রেল ও সড়ক প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব; প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃগোষ্ঠীবিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার প্রমুখ।
