Logo
Logo
×

Advertisement

দ্বিতীয় সংস্করণ

চলাচলের বিধিমালা জারি

সিটি করপোরেশনে নিবন্ধন ছাড়া চলবে না ই-রিকশা

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় নিবন্ধন ছাড়া ব্যাটারিচালিত রিকশা বা ই-রিকশা চলতে পারবে না। এসব যান চলবে নির্ধারিত জোনে (অঞ্চল)। এক জোনের ই-রিকশা অন্য জোনে চলতে পারবে না। একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশা নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন একজন ব্যক্তি। যানগুলোর সর্বোচ্চ গতিসীমা হবে ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার। এসব বিধান রেখে ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’ জারি করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার বিভাগের এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন গেজেটে প্রকাশ করা হয়। বিধিমালাটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

নিবন্ধন ও নবায়ন ফি : বিধিমালায় দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার এককালীন নিবন্ধন ফি আট হাজার এবং বার্ষিক নবায়ন ফি চার হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। চার যাত্রী ধারণক্ষমতার ক্ষেত্রে নিবন্ধন ফি ১০ হাজার এবং বার্ষিক নবায়ন ফি পাঁচ হাজার টাকা। সব ধরনের ই-রিকশার ফিটনেস সনদের ফি এক হাজার টাকা।

নিবন্ধনের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত অনুলিপি, দুই কপি সত্যায়িত ছবি, ফি জমার রসিদ ও ফিটনেস সনদ দিয়ে আবেদন করতে হবে। যাচাই-বাছাইয়ে সন্তুষ্ট হলে কর্তৃপক্ষ ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নিবন্ধন দেবে। নিবন্ধনের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।

চলবে নির্ধারিত জোনে : সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে ই-রিকশার চলাচলের রুট নির্ধারণ করবে। জোনভিত্তিক ই-রিকশার সংখ্যা ও রঙও নির্ধারণ করা হবে। এক সিটিতে নিবন্ধিত ই-রিকশা অন্য সিটিতে বাণিজ্যিকভাবে চালানো যাবে না। জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, প্রধান বাস চলাচলের সড়ক বা করিডোর এবং প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকা সড়কে ই-রিকশা চলতে পারবে না। ফুটপাতেও চলাচল নিষিদ্ধ। স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় ও জনবহুল স্থানে সর্বোচ্চ গতি হবে ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার।

পুরোনো রিকশায় কাঠামোগত সংশোধন : প্রতিটি ই-রিকশাকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তাবৈশিষ্ট্য অনুসরণ করতে হবে। বর্তমানে চলাচলকারী ই-রিকশাও প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সংশোধন করে অনুমোদন নিতে পারবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের ফিটনেস সনদ লাগবে। নিবন্ধনের তারিখ থেকে প্রতিটি ই-রিকশার অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল হবে ১২ বছর।

চার্জিং ও ব্যাটারি ব্যবস্থাপনা : অনুমোদিত ও সিটি করপোরেশনের লাইসেন্সপ্রাপ্ত চার্জিং পয়েন্ট বা নির্দিষ্ট গ্যারেজে ব্যাটারি চার্জ দিতে হবে। সেখানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা সৌরশক্তি ব্যবহারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে সংশ্লিষ্ট আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুরোনো ব্যাটারি খোলা স্থান, মাটি, জলাশয় বা সাধারণ বর্জ্যে ফেলা যাবে না।

নিয়ম ভাঙলে আইনি ব্যবস্থা : নিবন্ধন ছাড়া চালানো, অতিরিক্ত গতি ও যাত্রী বহন, অননুমোদিত ব্যাটারি ব্যবহার, মোটর বা কাঠামো পরিবর্তন, নিষিদ্ধ এলাকায় চলাচল এবং সিগন্যাল অমান্য করাকে অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়াও অপরাধ। এসব ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

বিআইবিএমে অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ লুটপাট ঠেকানো না হলে অর্থনীতি নদীতে পড়বে

লুটপাট ঠেকানো না হলে অর্থনীতি নদীতে পড়বে

চলাচলের বিধিমালা জারি সিটি করপোরেশনে নিবন্ধন ছাড়া চলবে না ই-রিকশা

সিটি করপোরেশনে নিবন্ধন ছাড়া চলবে না ই-রিকশা

সবাই চান বাড়তি কমিশন গণশুনানিতে এলপিজির কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ

গণশুনানিতে এলপিজির কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ

বাঁশরীর অনুষ্ঠানে বক্তারা সাম্যবাদী কবিতার শত বছরেও সমাজে বৈষম্য দেখতে হচ্ছে

সাম্যবাদী কবিতার শত বছরেও সমাজে বৈষম্য দেখতে হচ্ছে

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম