প্রথম লক্ষ্য ফাইনাল, এরপর শিরোপা
ঢাকায় রোববার শুরু বেগম খালেদা জিয়া আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল টুর্নামেন্ট
Advertisement
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল টুর্নামেন্টে খেলবেন বাংলাদেশের মেয়েরা। ঢাকায় রোববার শুরু হচ্ছে চার জাতির বেগম খালেদা জিয়া-আইএইচএফ নেশন্স ট্রফি। সাবেক তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পল্টনের ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে পাঁচদিনের আসরে স্বাগতিক বাংলাদেশের সঙ্গে অংশ নিচ্ছে ভারত, নেপাল ও মালদ্বীপ। টুর্নামেন্টে পাঁচ বিদেশি দলের অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও আসছে না আফগানিস্তান ও ইয়েমেন। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. সালাউদ্দিন আহম্মেদ জানান, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইয়েমেন আসতে পারেনি। আর আফগানিস্তান দলে ইরানের পাসপোর্টধারী পাঁচজন খেলোয়াড় থাকায় আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল ফেডারেশনের নিয়মে তাদের অংশগ্রহণ নিয়ে আপত্তি ওঠে। শেষ পর্যন্ত তাদের অংশগ্রহণ স্থগিত হয়েছে।
রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠেয় টুর্নামেন্টে প্রতিটি দল একবার পরস্পরের মুখোমুখি হবে। ১৮-২০ অক্টোবর প্রতিদিন দুটি করে লিগ ম্যাচের পর ২১ অক্টোবর ব্রোঞ্জ নির্ধারণী ম্যাচ। পরের দিন ফাইনাল। টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। প্রতিযোগিতার সব ম্যাচ বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের ডাচ্-বাংলা ব্যাংক অডিটোরিয়ামে বুধবার সংবাদ সম্মেলনে টুর্নামেন্টের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন আয়োজকরা। প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রথম লক্ষ্য ফাইনালে খেলা। এরপর শিরোপার লড়াই। আত্মবিশ্বাসী অধিনায়ক ইসমেতারা নিশি বলেন, ‘এবারই আমরা প্রথম বিদেশি কোচের অধীনে অনুশীলন করেছি। আমাদের আশা, ফাইনালে খেলব। মালদ্বীপ ও নেপাল খেলায় অনেক উন্নতি করেছে। নেপালের আটজন খেলোয়াড় আর্মি দলে খেলে। তারা শক্ত প্রতিপক্ষ। তাই শুধু ভারতকে নিয়ে ভাবলে হবে না।’ বাংলাদেশ দলের স্প্যানিশ কোচ আনা আলোনসো ফ্রাগুয়া বলেন, ‘আমরা শুধু এই টুর্নামেন্ট জেতার জন্য কাজ করছি না। বাংলাদেশ নারী হ্যান্ডবল দলের ভবিষ্যৎ এবং আসন্ন প্রতিযোগিতাগুলোর জন্য দলের ভিত শক্ত করাও আমাদের লক্ষ্য।’
বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের যুগ্ম-সম্পাদক ও টুর্নামেন্টের প্রধান সমন্বয়ক এস এম খালেকুজ্জামান জানান, প্রায় তিন মাস ধরে জাতীয় দলকে প্রস্তুত করা হয়েছে। ৯০ জন খেলোয়াড় নিয়ে শুরু করে বাছাইয়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত দল গঠন করা হয়েছে। তারও আশা, বাংলাদেশ ফাইনালে উঠবে।
