|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ভুটানের বিপক্ষে কষ্টে-সৃষ্টে জিতে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করা বাংলাদেশ দল তাকিয়ে একজন গোল পিপাসু জেনুইন ফরোয়ার্ডের দিকে। কোচ টমাস ডুলি কী ‘নম্বর নাইন’ এর অভাব বোধ করছেন? তা না হলে কেন তিনি ভুটান ম্যাচে ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষকে ফরোয়ার্ড হিসাবে খেলালেন?
বুধবার শ্রীলংকার বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচের আগে পাঁচদিন বিশ্রাম পেয়েছে স্বাগতিকরা। এ সময়ে নিজেদের আরও ভালোভাবে প্রস্তুত করার ওপর জোর দেবে বাংলাদেশ। পাশাপাশি দলের ফাঁকফোকর ভরাট করার জন্যও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিতে হবে ডুলিকে। গত পরশু একমাত্র জয়সূচক গোল পেতে বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ৬৯ মিনিট পর্যন্ত। বদলি খেলোয়াড় হিসাবে মাঠে নেমে ফর্টিস এসফি’র ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ ইব্রাহিম শেষতক গোলের দরজা খোলেন। স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে স্বাগতিকরা।
ম্যাচের পরেরদিনও খেলোয়াড়দের অনুশীলন করিয়েছে কোচ। জুমার নামাজ আদায় করেছেন অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াসহ বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়। টিম হোটেলে সুইমিংপুলে দেখা গেছে জামাল ভূঁইয়া ও ভুটান ম্যাচে ইব্রাহিমের গোলে অ্যাসিস্ট করা শমিত সোমকে। আট বছর পর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফিরেছে বাংলাদেশে। এই টুর্নামেন্টে ২০০৫ সালের রানার্সআপ বাংলাদেশকে যথেষ্ট কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে পুরো তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে।
ডুলি তবুও দোদুল্যমান অবস্থায় নেই। বাংলাদেশ কোচ বরং আত্মবিশ্বাসী।
প্রথম ম্যাচে শুরুর একাদশে সেন্টার-ব্যাক বিশ্বনাথ ঘোষকে একমাত্র ফরোয়ার্ড হিসাবে রেখে জুয়া খেলেছিলেন তিনি। সেটা কাজে লাগেনি।
শেষমেশ ইব্রাহিমকে নামিয়ে কাজ হাসিল করতে হয়।
