Logo
Logo
×

Advertisement

দশ দিগন্ত

মঞ্চ থেকে রাজপথ

জেন-জির দাপুটে মুখ নেহা বোরা

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

ভারতে তরুণদের বিক্ষোভে অন্যতম দৃশ্যমান মুখ হিসাবে উঠে এসেছেন একসময় পরিচিতির বাইরে থাকা ২৯ বছর বয়সি পিএইচডি গবেষক নেহা বোরা। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস, বেকারত্ব ও ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগসহ নানা ইস্যুতে আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন তিনি। বারবার আটক হওয়ার পরও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তরুণদের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন নেহা। খবর রয়টার্সের।

দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলা আন্দোলনে বারবার আটক হয়েছেন নেহা। মুক্তি পাওয়ার পর আবারও ফিরেছেন রাজপথে। আন্দোলনকারীদের জুগিয়েছেন সাহস। শনিবারও আটক হয়েছিলেন তিনি। এদিন বিক্ষোভকারীরা নয়াদিল্লির নির্ধারিত প্রতিবাদস্থল যন্তরমন্তরে যেতে চাইলে তাদের আটকে দেয় পুলিশ। এরপর নেহা তাদের প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কারুশিল্পের বাজার দিল্লি হাটে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লেখেন, ‘আজ দিল্লি হাটই হয়ে উঠবে যন্তরমন্তর।’ এরপর স্লোগান দিতে দিতে ওই স্থানের দিকে রওয়ানা হন তিনি। তার সঙ্গে যোগ দেন অন্য বিক্ষোভকারীরাও। পরে পুলিশ নেহাসহ বেশ কয়েকজন আন্দোলনকর্মীকে আটক করে। কিন্তু আটক অবস্থাতেও বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনলাইনে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে নেহাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি আটক আছি। কিন্তু আন্দোলন থেমে নেই।’ পুলিশের বাধার মুখে পড়া সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি যেখানে আছেন, সেখান থেকেই প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। শনিবারই পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে চলা এই বিক্ষোভের অন্যতম দাবি, ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ভোটারদের তথ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের কারণে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি মানুষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

ভোটার তালিকার অভিযোগের বাইরেও বিভিন্ন ইস্যুতে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন নেহা। এর মধ্যে রয়েছে-স্কুলের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের কেলেঙ্কারি, বেকারত্ব এবং বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপ। কথাবার্তায় শান্ত ও সংযত হলেও মাইক্রোফোন হাতে নিলে দৃঢ় কণ্ঠে বক্তব্য দেন তিনি। ভারতের হিমালয়ঘেঁষা উত্তরাখন্ড রাজ্যে নেহার বেড়ে ওঠা। তার বাবা সেনাবাহিনীতে কর্মরত থাকায় শৈশবে পরিবারকে বিভিন্ন জায়গায় থাকতে হয়েছে। পরে তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন এবং জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব আর্টস অ্যান্ড অ্যাস্থেটিকসে পিএইচডি গবেষণা শুরু করেন। চলতি মাসে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেহা জানান, স্নাতক পর্যায়ে পড়ার সময় তিনি একটি থিয়েটার দলে যোগ দিয়েছিলেন।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

দিল্লির বিক্ষোভে দমন-পীড়ন নিয়ে সাধারণ ভারতীয়দের ভাবনা নাগরিকের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে

নাগরিকের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে

মঞ্চ থেকে রাজপথ জেন-জির দাপুটে মুখ নেহা বোরা

জেন-জির দাপুটে মুখ নেহা বোরা

ব্যবসায়িক ‘দ্বন্দ্বে’ মাস্ক-আম্বানি

ব্যবসায়িক ‘দ্বন্দ্বে’ মাস্ক-আম্বানি

২১০০ সালের মধ্যে বিলুপ্ত হতে পারে মানবজাতি

২১০০ সালের মধ্যে বিলুপ্ত হতে পারে মানবজাতি

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম