পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন : অশনিসংকেত
Advertisement
মেজর (অব.) মনজুর কাদের
প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বঙ্গীয় প্রাদেশিক আইনসভায় বাংলার ভাগ্য নির্ধারিত হয় ১৯৪৭ সালের ২০ জুন। আইনসভার পূর্বাংশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম লীগের জনপ্রতিনিধিরা সমগ্র বাংলাকে পাকিস্তানভুক্ত করার পক্ষে রায় দেন। কিন্তু বাংলার হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ পশ্চিম অংশের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা ৫৮-২১ ভোটে পশ্চিম অংশকে ভারতভুক্তির পক্ষে রায় দেয়। এর ফলে বঙ্গভঙ্গ হয়ে ‘পশ্চিমবঙ্গ’ সৃষ্টি হয়। ৩ জুলাই, ১৯৪৭-এ ১১ সদস্যবিশিষ্ট ‘পশ্চিমবঙ্গের’ প্রথম মন্ত্রিসভা গঠিত হয়, যার প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ। আগস্ট মাসে ব্রিটিশ বাংলা প্রেসিডেন্সি আনুষ্ঠানিকভাবে দুই ভাগে বিভক্ত হলে দুটি স্বাধীন সত্তার জন্ম হয়। মুসলমানপ্রধান পূর্বাঞ্চল নিয়ে গঠিত হয় পাকিস্তানের পূর্ব বাংলা প্রদেশ (পরবর্তীকালে পূর্ব পাকিস্তান) এবং হিন্দুপ্রধান পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে গঠিত হয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য।
প্রধানমন্ত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী : ১৯৪৭ সালের আগস্ট মাস থেকে ১৯৫০ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত সরকারের প্রধানকে পশ্চিমবঙ্গের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে অভিহিত করা হতো। তারপর ‘প্রধানমন্ত্রী’ শব্দটির পরিবর্তে ‘মুখ্যমন্ত্রী’ শব্দটি চালু হয়। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। তিনি মাত্র পাঁচ মাস ওই পদে আসীন ছিলেন। এরপর তারই সহকর্মী ডা. বিধানচন্দ্র রায় তার স্থলাভিষিক্ত হন এবং ১৯৬২ সাল পর্যন্ত টানা ১৪ বছর প্রথমে প্রধানমন্ত্রী ও পরে মুখ্যমন্ত্রীর পদে অধিষ্ঠিত থাকেন। ১ জুলাই, ১৯৬২-এ তার মৃত্যুর পর চলতি বিধানসভার অবশিষ্ট মেয়াদে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন প্রফুল্লচন্দ্র সেন, তিনি ১৯৬২ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৭ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। এরপর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন অজয় কুমার মুখোপাধ্যায়। তিনি বাংলা কংগ্রেসের নেতা হিসাবে ১ মার্চ, ১৯৬৭ তারিখে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন এবং ২১ নভেম্বর ১৯৬৭ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ১৯৬৭ সালের শেষদিকে কিছু সময়ের জন্য প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন।
পশ্চিমবঙ্গের অস্থিরতা : এরপর পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কিছুকালের জন্য অস্থির হয়ে ওঠে। ১৯৬৭ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে সবচেয়ে অস্থির রাজনৈতিক অধ্যায় হিসাবে গণ্য করা হয়। জোট সরকার এ সময় ক্ষমতায় আসে। মতবিরোধের কারণে সরকার বারবার ভেঙে যায়। কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্কসবাদী), কংগ্রেস এবং আঞ্চলিক দলগুলোর মধ্যে তীব্র দ্বন্দ্বের কারণে প্রশাসন প্রায় অচল হয়ে পড়ে। ১৯৬৭ সালে শুরু হয় রাজ্যে সহিংসতা ও অস্থিরতা এবং এর মধ্যে উগ্রবাদীদের উন্মেষ ঘটে। বিধায়কদের (এমএলএ) বারবার দলবদলের কারণে সরকারের আয়ুষ্কাল সীমিত হয়ে যায়। কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের কারণে রাজ্যে বিরোধী জোট বিপর্যয়ের মুখে পড়ে।
বিপ্লবীরা সামনে আসে : এ অবস্থায় ১৯৬৯ সালের ১ মে (মে দিবস) কলকাতার ময়দানে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী) বা গঠনের ঘোষণা দেন কানু সান্যাল। চারু মজুমদার এ পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও প্রধান তাত্ত্বিক নেতা নিযুক্ত হন। এরপর পার্টি গোপন (আন্ডারগ্রাউন্ড) রাজনীতি শুরু করে। নবগঠিত এ পার্টি মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদ (মাও সে তুং-এর চিন্তাধারা) অনুসরণ করতে থাকে। চীনের বিপ্লবের আদলে ভারতে সশস্ত্র কৃষি বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন এ পার্টির বিপ্লবী নেতারা।
সরকারের মধ্যে আতঙ্ক : এ আন্দোলনের কারণে ভারতের তৎকালীন শাসকরা ‘আর্বান নকশাল’ বা নকশালবাদী আন্দোলনে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। ঠিক এ সময়ে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে এবং প্রায় এক কোটি শরণার্থী পশ্চিম বঙ্গে আশ্রয় নিলে কংগ্রেস সরকার নিশ্বাস নেওয়ার সময় পায়। আতঙ্কিত কংগ্রেস সরকারের তীব্র দমনপীড়নের মুখে পড়ে পার্টি। হাজার হাজার তরুণ মেধাবী নেতা কর্মীকে হত্যা করে হুগলি নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ (সিআরপি)-এর অত্যাচারের কাহিনি আজও পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মনের মধ্যে ভয় ধরিয়ে দেয়। এ ভয়াবহ দমন-পীড়ন নিয়ে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক মৃণাল সেন ‘ক্যালকাটা ৭১’ নামের ছায়াছবি নির্মাণ করেন। ১৯৭২ সালে পুলিশ চারু মজুমদারকে গ্রেফতার করে। পুলিশ লক-আপে চারু মজুমদারের মৃত্যু হয়। চারু মজুমদারের মতাদর্শ ভারতের বামপন্থি রাজনীতিতে একটি আমূল পরিবর্তনবাদী ধারার জন্ম দিয়েছিল, যা আজও নকশালবাড়ি আন্দোলন হিসাবে পরিচিত হয়ে আছে এবং ভারতের ১১টি রাজ্যে তারা সক্রিয় রয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসের বিপর্যয় : কমিউনিস্ট পার্টির (মার্কসবাদী) উত্থান : ১৯৬৭ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত রাজ্যে মোট চারটি জোট সরকার গঠিত হয় এবং তিনবার সীমিত সময়ের জন্য রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়। এরপর সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বে কংগ্রেস পাঁচ বছরের পূর্ণ মেয়াদে পশ্চিমবঙ্গে সরকার পরিচালনা করে। ১৯৭৭ সালের নির্বাচনে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির (মার্কসবাদী) নেতৃত্বে বামফ্রন্ট বিপুল ভোটে জয়লাভ করে। টানা ২৩ বছর জ্যোতি বসু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘকালীন মুখ্যমন্ত্রিত্বের এটি একটি সর্বভারতীয় রেকর্ড। জ্যোতি বসুর পদত্যাগের পর তার উত্তরসূরি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য পরবর্তী ১০ বছর রাজ্যের কমিউনিস্ট সরকারের নেতৃত্ব দেন।
সিপিএমের বিপর্যয় : তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয় : ২০১১ সালের নির্বাচনে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস-নেতৃত্বাধীন সংযুক্ত প্রগতিশীল জোট (ইউপিএ) বামফ্রন্টকে পরাজিত করে ১৯ মে মমতা ব্যানার্জি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন। তিনিই রাজ্যের বর্তমান প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তৃণমূল কংগ্রেস ইউপিএ ছেড়ে বেরিয়ে আসেন এবং পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস অধিকতর আসনে জয়লাভ করে পুনর্নির্বাচিত হয়।
উলটোপথে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি : বিধান সভার নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে দীর্ঘ ৭৯ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু জাতীয়তাবাদী সাম্প্রদায়িক দল ক্ষমতাসীন হতে যাচ্ছে। দিল্লির হিন্দু জাতীয়তাবাদী কেন্দ্রীয় সরকার মিডিয়া ও প্রচার কৌশল, সোশ্যাল মিডিয়া, আইটি সেল, লক্ষ্যভিত্তিক প্রচারণা-এসব ব্যবহার করে দ্রুত জনমত তৈরি করতে সক্ষম হয়। বিজেপি বিপুল শক্তি ব্যবহার করে গ্রাম পর্যন্ত সংগঠন বিস্তার করে এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব-যেমন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ নির্বাচনি প্রচারে জোরালোভাবে যুক্ত হয়ে দলটির দৃশ্যমানতা ও শক্তি বাড়িয়ে দেন।
রাজনৈতিক সহিংসতা : নতুন বাস্তবতা : বিধানসভা নির্বাচনের পরেও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক সহিংসতা ও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে, বিশেষ করে মুর্শিদাবাদ, মালদা ও উত্তর ২৪ পরগনায়। নির্বাচনের পর শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিরোধী দল বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হামলা, দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির এ জয় হিন্দু জাতীয়তাবাদী প্রকল্পের কেন্দ্রীয়করণ প্রচেষ্টাকে নতুন শক্তিতে উজ্জীবিত করবে। এটি যুক্তরাষ্ট্রীয় (ফেডারেল) কাঠামোর ওপর এমন এক সময়ে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করবে, যখন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী যোগেন্দ্র যাদবের মতে, ভারতের ফেডারেল সমঝোতাগুলো নতুন করে আলোচনার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
চরম বামপন্থিদের উত্থান ঘটতে পারে : ১৯৬৭ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে অস্থির রাজনৈতিক অধ্যায়ের সৃষ্টি হয়েছিল, যদি আবার সেরকম পরিস্থিতির উদ্ভব হয় তাহলে সেখানে চরম বামপন্থিদের উত্থান আবারও ঘটতে পারে। ১৯৬৯-৭২ এ চীনের আদর্শে গড়া ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল) রাজনৈতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছিল কারণ, বিগত স্নায়ুযুদ্ধের সময় পরাশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়নের (যার বিরুদ্ধে ছিল সিপিআই, এমএল) সহায়তায় ভারত পূর্ব বাংলায় ১৯৭১ সালে আধিপত্য বিস্তার করার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছিল এবং একই সময়ে (১৯৭১ সালে) কমিউনিস্টদের শত্রু পুঁজিবাদের নেতা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কমিউনিস্ট পার্টি শাসিত গণপ্রজাতন্ত্রী চীন বন্ধুত্বের চুক্তি স্বাক্ষর হয়, যার ফলে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল) আন্তর্জাতিকভাবে বন্ধুহীন হয়ে পড়ে।
ভিন্ন পরিস্থিতি : ফুলের মালার কাহিনি : কিন্তু এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। চীন বর্তমান স্নায়ুযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তার সঙ্গে রয়েছে রাশিয়া। ভারতে সঙ্গে রাশিয়ার রয়েছে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের রাজনৈতিক বন্ধু ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা রয়েছে ভারতের আশ্রয়ে। বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের নেতা শুভেন্দু বলেছেন, শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরত পাঠানো হবে এবং ঢাকার বিমানবন্দরে বিশাল সমাবেশে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করা হবে। যদি তাই হয় তাহলে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হবে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সামরিক অভ্যুত্থানে শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হলে ভারতের আশ্রয়ে থাকা শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালের ফেব্রুয়ারিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮১ সালের ১৭ মে দীর্ঘ ৬ বছরের নির্বাসন শেষে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। ফুলের মালা দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা তাকে বরণ করে নেন। এর মাত্র ১৩ দিন পর দেশপ্রেমিক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আধিপত্যবাদী শক্তির মদদপুষ্ট দালালদের হাতে নৃশংসভাবে নিহত হন। ১৯৮১ সালে যদি শেখ হাসিনা বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন না করতে পারতেন তাহলে বাংলাদেশে গণতন্ত্র ধ্বংস হতো না এবং ফ্যাসিবাদ কায়েম হতো না। এবার ভারতের নেতা শুভেন্দুর প্রেসক্রিপশন মোতাবেক যদি শেখ হাসিনা বাংলাদেশে দ্বিতীয়বার ফেরার সুযোগ পান এবং তার গলায় ফুলের মালা উঠে তাহলে বাংলাদেশের ভাগ্যাকাশে কী আছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার নির্বাচন তাই হিন্দু জাতীয়তাবাদী বিজেপির জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোর আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার খর্ব করার জন্য বাংলাদেশকে প্রয়োজন এ আধিপত্যবাদী ও সম্প্রসারণবাদী শক্তির। তারা বন্ধুত্বের মাধ্যমে তা করতে চায় না। তাদের প্রত্যাশা হলো, বাংলাদেশকে পদানত করে রাখা এবং যেমন খুশি তেমনভাবে ব্যবহার করা। স্নায়ুযুদ্ধের জটিল বিশ্ব পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থানকে বাংলাদেশের রাজনীতিকদের ছোট করে দেখার কোনো অবকাশ নেই। পরাশক্তিগুলো বাংলাদেশের দরজায় কড়া নাড়ছে, সবাইকে তাই সতর্ক থাকতে হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মেজর (অব.) মনজুর কাদের : সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও সাবেক সংসদ-সদস্য
