Logo
Logo
×

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

শতফুল ফুটতে দাও

কেমন হওয়া উচিত নতুন মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

ড. মাহবুব উল্লাহ্

ড. মাহবুব উল্লাহ্

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কেমন হওয়া উচিত নতুন মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

Advertisement

দেশের শিক্ষার মান-এ বলতে গেলে ধস নেমেছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার মান-এ অবনতির বিষয়টি প্রায় সবাই স্বীকার করেন। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, একজন ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র বা ছাত্রীর শিক্ষার মান তৃতীয় শ্রেণির মতো। তারা মোটামুটি শুদ্ধভাবে বাংলা কিংবা ইংরেজি ভাষায় লিখতে কিংবা পড়তে হোঁচট খায়। প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ মরহুম ড. নজরুল ইসলাম একবার এক ঘরোয়া আলোচনায় বলেছিলেন, বাংলাদেশের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা শুদ্ধভাবে অনেক ক্ষেত্রেই নিজের নামটি পর্যন্ত লিখতে পারে না। এই যখন শিক্ষার মান, তখন শিক্ষার জন্য সরকারি ও বেসরকারিভাবে যে অর্থ ব্যয় হয়, তা থেকে কতটুকু কাঙ্ক্ষিত বেনিফিট পাওয়া যায়, তা সহজেই অনুমেয়। সর্বোপরি দেশের ভবিষ্যতের দায়িত্ব অর্পিত হবে তাদের ওপর, যারা এখন স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে। এদের পড়াশোনার মান সন্তোষজনক নয় বলে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়তে হয়। পাকিস্তান আমলে যারা লেখাপড়া করত, তাদের শিখনের মান বর্তমানের চেয়ে অনেক বেশি উন্নত ছিল। সে কারণে কর্মক্ষেত্রেও তারা দক্ষতা ও যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছে। বর্তমান বাংলাদেশে সেই প্রজন্মের লোকেরা অবসরে চলে গেছে অথবা মৃত্যুবরণ করেছে। বাংলাদেশোত্তরকালে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে যারা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করেছে, তাদের অনেকের যোগ্যতা ও দক্ষতা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। বর্তমান বিশ্ব প্রচণ্ড রকমের প্রতিযোগিতামূলক। এই প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে দেশ হিসাবে টিকে থাকতে হলে শিক্ষার মান উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য প্রকৃষ্ট পন্থা নিরূপণ এখন সময়ের দাবি।

দেশের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য নির্বাচনি মেনুফেস্টুতে বিএনপি ঘোষণা করেছে যে, দলটি ক্রমান্বয়ে শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করবে। এতকাল ধরে শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ ছিল জিডিপির ২ শতাংশের কম। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য যে বাজেট পাশ করা হয়েছে, তাতে শিক্ষা খাতের জন্য বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। এই অর্থবছরে বরাদ্দের পরিমাণ জিডিপির ২ শতাংশ। নিঃসন্দেহে এটি একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। শিক্ষার মান উন্নয়নে সন্তোষজনক বাজেট বরাদ্দ একটি প্রয়োজনীয় শর্ত, কিন্তু যথেষ্ট নয়। শর্তের যথার্থতা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন বিশাল প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ এবং বিদ্যমান শিক্ষাব্যবস্থার যুগোপযোগী সংস্কার। এই শর্ত কীভাবে পূরণ করা হবে, তা নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনার প্রয়োজন আছে।

পাকিস্তান আমলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য কিছু বাছাই করা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে অন্যতম ছিল চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে একটি ক্যাডেট কলেজ স্থাপন। এ ক্যাডেট কলেজের প্রথম প্রিন্সিপাল ছিলেন নিউজিল্যান্ডের নাগরিক কর্নেল ব্রাউন। এই বিদেশি ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজকে ভালোবেসে ফেলেছিলেন। তার নেতৃত্বে এই ক্যাডেট কলেজে নিয়মনিষ্ঠা ও শৃঙ্খলা অত্যন্ত কঠোরতার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসিক ও শারীরিক শিক্ষার সুষ্ঠু সমন্বয় ঘটানো হয়। আবাসিক এই প্রতিষ্ঠানটি বেশ বড় জায়গা নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছিল। এ কলেজে যত্নসহকারে বাছাই করা শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এসব নিয়োগে দুর্নীতি কিংবা স্বজনপ্রীতির কোনো ঠাঁই ছিল না। ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করে যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেছে অথবা সামরিক বাহিনীতে যোগ দিয়েছে, তারা স্ব স্ব ক্ষেত্রে নিজ মহিমায় গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেছে। নাগরিক হিসাবে এরা দেশের অগ্রণী নাগরিকে পরিণত হয়েছিল। ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে সারা দেশে ১২টি ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তার মধ্যে ৯টি ছেলেদের এবং ৩টি মেয়েদের। ক্যাডেট কলেজ আবাসিক। সেখানে সপ্তম শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। পড়াশোনা হয় এইচএসসি পর্যন্ত।

পাকিস্তান আমলে মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য পাইলট স্কুল প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। দেশের নির্বাচিত হাইস্কুলগুলোকেই পাইলট স্কুল প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ স্কুলগুলো আগে থেকেই ভালো স্কুল ছিল। এসব স্কুলে কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়েছিল এবং বিজ্ঞানের প্র্যাকটিক্যাল করার জন্য ল্যাবরেটরিও প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। সরকারি ও বেসরকারি উভয় ধরনের স্কুলগুলোকে পাইলট স্কিমের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু কালের প্রবাহে পাইলট মাধ্যমিক স্কুলগুলোও অন্য দশটি সাধারণ স্কুলের মতো হয়ে পড়েছিল। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে নির্বাচিত প্রাইমারি স্কুলগুলোকে মডেল প্রাইমারি স্কুলে পরিণত করা হয়। নির্বাচিত প্রাইমারি স্কুলগুলোকে মডেল প্রাইমারি স্কুলে যখন উন্নীত করা হয়, তখন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন মরহুম আতাউর রহমান খান। তিনি পূর্ব পাকিস্তানের ডিপিআই মরহুম খান বাহাদুর আব্দুল হাকিমের নেতৃত্বে একটি শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন করেন। আজও দেশের অনেক প্রাইমারি স্কুলের নামের আগে ‘মডেল’ কথাটি যুক্ত হতে দেখা যায়।

তুলনামূলকভাবে কিছুসংখ্যক স্কুল ও কলেজকে বিশেষ মর্যাদায় অভিষিক্ত করার উদ্দেশ্য ছিল এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অন্যসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য আদর্শ হিসাবে কাজ করবে। অর্থাৎ শিক্ষার উন্নয়নের স্পন্দন যেন ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পড়ে তার জন্য একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা। কিন্তু এই পদক্ষেপ সমুদ্রে এক ফোঁটা পানি যোগ করার মতো অকিঞ্চিতকর প্রমাণিত হয়েছে। অন্তত দেশের শিক্ষার বর্তমান হাল দেখলে তা-ই বলতে হয়।

নির্বাচিত কিছু স্কুলকে উন্নত করার পেছনে আরেকটি যুক্তি ছিল। সেটি হলো, সব শিক্ষার্থীকে উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার চৌহদ্দিতে টেনে আনা সম্ভবপর না হলেও বেশকিছু সংখ্যক স্কুলকে উন্নত করতে পারলে যোগ্য ও দক্ষ শিক্ষার্থী গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এ শিক্ষার্থীরা যথাযোগ্যভাবে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। ফলে মেধাসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি হবে, যারা দেশের হাল ধরে দেশকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারবে। একপর্যায়ে উন্নত করা স্কুলগুলো যদি সেই উন্নয়ন ধরে রাখতে পারত, তাহলে এখনো আমাদের মেধা ঘাটতি নিয়ে চিন্তিত হতে হতো না। আসলে চারদিকে যখন মানহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংক্রামক ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়ে, তখন মানসম্পন্ন মুষ্টিমেয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও সংক্রমিত হয়। এছাড়া ভর্তি বাণিজ্য, কোচিং বাণিজ্য, মানহীন পাঠ্যপুস্তক যখন প্রতিনিয়ত শিক্ষাব্যবস্থাকে আড়ষ্ট করে ফেলে, তখন মানসম্পন্ন এবং সংখ্যায় অল্প ভালো প্রতিষ্ঠানগুলোও সংক্রমিত হয়ে পড়ে। অর্থনীতিশাস্ত্রে একটি সূত্র আছে। এই সূত্রটি গ্রেসহাম’স ল’ হিসাবে পরিচিত। এ সূত্র অনুসারে Bad money drives good money out of circulation. এই সূত্র থেকে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাও মুক্ত নয়।

৬ জুলাই ২০২৬ প্রথম আলোতে প্রকাশিত একটি সংবাদ থেকে জানা যায়, ক্যাডেট কলেজের আদলে দেশে ৩০০টি সংসদীয় আসনে ৬০০ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে সরকার। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতিটি আসনে ছেলেদের জন্য একটি এবং মেয়েদের জন্য একটি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হবে আবাসিক এবং তাতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। সরকারের নির্দেশনায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ৬০০টি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে একটি প্রাথমিক খসড়া প্রস্তাব তৈরি করেছে। ‘নির্বাচিত এলাকাগুলোয় ৬০০টি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণ প্রকল্প’ নামের এ প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ৬৮ হাজার ৪৪২ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে হিসাব করা হয়েছে। দেশে এখন পুরোপুরি আবাসিক সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় নেই। বিদ্যমান ক্যাডেট কলেজগুলোয় সপ্তম শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। পড়াশোনা হয় এইচএসসি পর্যন্ত। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘‘সরকারি পর্যায়ে ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চমানের শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে এসব প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।’’ শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য থেকে স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয় যে, এসব স্কুলে মেধার ভিত্তিতে ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি করা হবে।

যেহেতু প্রত্যেক নির্বাচনি এলাকায় ২টি করে মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে, সেহেতু ধরে নেওয়া যায় সংখ্যার দিক থেকে এগুলো খুব কম নয়। তবে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার গুণগতমান প্রতিষ্ঠা করা এবং ধরে রাখা সত্যিই কঠিন হবে। ১২টি ক্যাডেট কলেজ সমসাময়িক পরিস্থিতিতে শিক্ষার সন্তোষজনক মান বজায় রাখতে পেরেছে, তার একটি বড় কারণ সংখ্যার দিক থেকে এগুলো খুবই অল্প। অল্পসংখ্যক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মান বজায় রাখা তুলনামূলকভাবে সহজসাধ্য। এছাড়া দেশে প্রতিষ্ঠিত ক্যাডেট কলেজগুলোর জন্য দৃষ্টান্ত হিসাবে সামনে ছিল ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ। ব্যবস্থাপনার দিক থেকেও ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের আদর্শমান পরবর্তী সময়ে প্রতিষ্ঠিত ক্যাডেট কলেজগুলোকে প্রভাবিত করেছে। সে কারণে ক্যাডেট কলেজগুলো আমাদের কাছে আদর্শস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

৬০০ নতুন মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের জন্য রিক্রুট করতে হবে খুবই উন্নতমানের শিক্ষক, যাদের প্রথাগত শিক্ষা রয়েছে এবং রয়েছে শিক্ষাবিষয়ক প্রশিক্ষণ। এরা যেমন সাবজেক্ট স্পেশালিস্ট হবেন, তেমনি পেডাগগি সম্পর্কে তাদের সম্যক জ্ঞান থাকতে হবে। সামগ্রিকভাবে দেশের শিক্ষার মানে যে অবনতি হয়েছে, তার ফলে এমন উচ্চমানের শিক্ষক সর্বোতভাবে পাওয়া সম্ভব নাও হতে পারে। তবুও চেষ্টা করতে হবে ভালো মানের শিক্ষক এসব নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য রিক্রুট করতে। বিসিএস পাশ করে ক্ষমতাধর আমলা হওয়ার জন্য এখন মেধাবীরা প্রাণপণ কোশেশ করে। এ পরিস্থিতিতে মেধাবীদের নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আকর্ষণ করতে হলে অবশ্যই বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে দিতে হবে। তদুপরি এসব শিক্ষকদের রয়েছে পদোন্নতির জন্য মাথাব্যথা। তারা পদোন্নতির মাধ্যমে কতদূর যেতে পারবে তার জন্যও থাকতে হবে সুচিন্তিত রূপরেখা। দেশের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোর মধ্যে কীভাবে একটি ব্যতিক্রমধর্মী কাঠামো স্থাপন করা যায়, তার জন্য বিশেষ চিন্তাভাবনা প্রয়োজন। আশা করি পরিকল্পিত এই নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষকদের গুণগতমান, গ্রন্থাগার ও ল্যাবরেটরির সৌকর্য এবং খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও বিনোদনের সুযোগের দিক থেকেও আদর্শমানের হবে। যদি শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতিকে জিরো টলারেন্সের আওতায় আনা যায়, তবেই কেবল এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ভালো কিছু আশা করা যায়।

ড. মাহবুব উল্লাহ : শিক্ষাবিদ ও অর্থনীতিবিদ

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

হালফিল বয়ান বিচ্ছিন্ন ঘটনা ও বিপদের যোগসূত্র

বিচ্ছিন্ন ঘটনা ও বিপদের যোগসূত্র

৭ নভেম্বরের অনুপ্রেরণায় সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে

৭ নভেম্বরের অনুপ্রেরণায় সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে

নগরের সংকট : সঠিক পরিকল্পনাই মূল চাবিকাঠি

নগরের সংকট : সঠিক পরিকল্পনাই মূল চাবিকাঠি

অর্থ কি আসলেই অনর্থের মূল

অর্থ কি আসলেই অনর্থের মূল

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম