Logo
Logo
×

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

হালফিল বয়ান

বিচ্ছিন্ন ঘটনা ও বিপদের যোগসূত্র

Icon

ড. মাহফুজ পারভেজ

প্রকাশ: ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা আপাতদৃষ্টিতে একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কহীন ও বিচ্ছিন্ন মনে হলেও তাতে রয়েছে বিপদের যোগসূত্র এবং নিরাপত্তার জন্য প্রচ্ছন্ন হুমকি। পার্বত্য চট্টগ্রামের সাজেকে পর্যটক জিম্মি, পাহাড়ে গোলাগুলি ও অবরোধ, শিল্পাঞ্চলে পোশাক শ্রমিকদের অসন্তোষে কারখানা ও যোগাযোগব্যবস্থায় অচলাবস্থা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অবরুদ্ধ করে আন্দোলন আর সর্বশেষ রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় মানব পাচারকারী সশস্ত্র চক্রের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর সংঘর্ষে সেনাসদস্যের মৃত্যুর ঘটনাগুলোকে পাশাপাশি রাখলে একটি অভিন্ন প্রশ্ন সামনে আসে-রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, কর্তৃত্ব ও বিরোধ নিষ্পত্তির প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থায় কি এমন কোনো দুর্বলতা তৈরি হচ্ছে, যার সুযোগ নিচ্ছে বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী, কুচক্রী, ষড়যন্ত্রকারী ও অপরাধী গোষ্ঠী?

কারণ, নিরাপত্তা বলতে শুধু সীমান্ত পাহারা, অস্ত্রধারীদের দমন কিংবা পুলিশের উপস্থিতি বোঝালে চলবে না। নিরাপত্তার অর্থ মানুষের জীবন, সম্পদ, চলাচল, জীবিকা, শিক্ষা এবং স্বাভাবিক নাগরিক কার্যক্রমের নিশ্চয়তা। কোনো পর্যটক যদি পাহাড়ে গিয়ে জিম্মি হওয়ার আশঙ্কা করেন, শ্রমিক অসন্তোষে কারখানা ও সড়ক অচল হয়ে যায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন অসম্ভব হয়ে পড়ে কিংবা শরণার্থী শিবিরের আশপাশে সশস্ত্র অপরাধীরা মানুষকে জিম্মি করতে পারে, তাহলে সমস্যাটি বিচ্ছিন্ন আইনশৃঙ্খলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, রাষ্ট্রের দৈনন্দিন শাসনক্ষমতা ও জননিরাপত্তার ইস্যুতে পরিণত হয়। ঘটনাগুলো আলাদা হলেও রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও শাসনক্ষমতা নিয়ে একই ধরনের প্রশ্ন তুলছে। কারণ ও প্রেক্ষাপট এক না হলেও ঘটনাগুলো আমাদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। এগুলোকে পাশাপাশি রাখলে একটি অভিন্ন প্রশ্ন সামনে আসে: বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা এবং প্রাতিষ্ঠানিক কর্তৃত্ব সম্পর্কে এসব ঘটনা কী বার্তা দিচ্ছে?

গত ২২ অক্টোবর সাজেকের উজোবাজার এলাকায় সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে অবরোধকারীদের সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয়। প্রায় ৩ হাজার পর্যটক সেখানে আটকা পড়েন। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ বিশেষ নিরাপত্তায় তাদের খাগড়াছড়ির দিকে সরিয়ে নেয়। এ ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাও আহত হন। সাজেকের ঘটনা শুধু পর্যটকদের দুর্ভোগের বিষয় নয়; প্রায় তিন দশক পরও পাহাড়ে বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে বিরোধ, সশস্ত্র তৎপরতা, চাঁদাবাজি, অপহরণ এবং আধিপত্য বিস্তারের প্রবণতা আবার বৃদ্ধি কারণ অনুসন্ধানের দাবি রাখে।

পাহাড়ের পর শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে পোশাকশিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জে শ্রমিক অসন্তোষ নতুন করে ছড়িয়ে পড়ে। ৫ নভেম্বর রয়টার্স জানায়, আশুলিয়ায় শতাধিক কারখানার উৎপাদন বন্ধ ছিল। যদিও শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি, বকেয়া পরিশোধ ও কর্মক্ষেত্রে মর্যাদার দাবি কোনো নিরাপত্তা সমস্যা নয়; বরং এসব দাবি উপেক্ষা করা হলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। শ্রমিকের প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু প্রতিবাদের নামে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, সহিংসতা, জবরদস্তি কিংবা জনসাধারণের চলাচল দীর্ঘ সময় বন্ধ করে দেওয়া কেন? বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক কাজ করেন এবং এ খাত দেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি জোগান দেয়। ফলে শিল্পাঞ্চলের অস্থিরতা শুধু কারখানার অভ্যন্তরীণ সমস্যা নয়; এটি জাতীয় অর্থনীতি, রপ্তানি আদেশ, আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রেতাদের আস্থা ও লাখ লাখ পরিবারের জীবিকার সঙ্গে যুক্ত এবং সামগ্রিক নিরাপত্তার ইস্যু। প্রশ্ন হলো, শ্রমিক অসন্তোষ কেন বারবার সড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষে রূপ নিচ্ছে?

আরও উদ্বেগজনক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। উপাচার্য, অধ্যক্ষ, শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করা, পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ এবং প্রতিষ্ঠান অচল করে দেওয়ার ঘটনা শিক্ষার পরিবেশ ও প্রাতিষ্ঠানিক কর্তৃত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে। ৫ নভেম্বর ঢাকার সরকারি কলেজ অব অ্যাপ্লায়েড হিউম্যান সায়েন্সের অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে প্রায় ১৩ ঘণ্টা তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পুলিশ রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে উদ্ধার করে। এর আগে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে কার্যালয়ে ঢুকে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়।

সর্বশেষ টেকনাফের রঙ্গীখালী পাহাড়ে মানবপাচারকারী সশস্ত্র চক্রের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর সংঘর্ষে সেনাসদস্য মো. তিতাস শেখের মৃত্যু পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। আইএসপিআর-এর তথ্য অনুযায়ী, ১৫ থেকে ১৬ জনের একটি সশস্ত্র দল প্রায় ১২০ জন রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি নাগরিককে জিম্মি করে রেখেছিল। অভিযানে ৫৭ জনকে উদ্ধার এবং পাঁচজন সন্দেহভাজন পাচারকারীকে আটক করা হয়। উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে একটি পিস্তল ও একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ছিল।

এখানে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সংঘাত, সীমান্তের অস্থিতিশীলতা এবং আঞ্চলিক অপরাধী নেটওয়ার্কের সম্ভাব্য সংযোগও বিবেচনায় নিতে হবে। শুধু ক্যাম্পের ভেতরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ব্যবস্থা দিয়ে এ সমস্যা মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, গোয়েন্দা তথ্য, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক কূটনৈতিক যোগাযোগকে একই নিরাপত্তা কাঠামোর মধ্যে আনতে হবে।

এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনার অভিন্ন বার্তা নিরাপত্তার জন্য বিপদের ইঙ্গিত দেয়। দৃশ্যত ঘটনাগুলোর মধ্যে সরাসরি সাংগঠনিক বা রাজনৈতিক যোগসূত্র আছে, এমন দাবি করার ভিত্তি নেই। সাজেকের সংঘাতের পেছনে পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনীতি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি; পোশাকশিল্পের অস্থিরতার পেছনে মজুরি ও শ্রমিক অধিকারের প্রশ্ন; শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আন্দোলনের পেছনে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, নেতৃত্ব ও জবাবদিহির সংকট; আর টেকনাফের ঘটনার পেছনে মানবপাচার ও সশস্ত্র অপরাধী চক্র। কারণ আলাদা। কিন্তু এসব ঘটনায় একটি সাধারণ প্রবণতা দৃশ্যমান : দাবি আদায়, বিরোধ নিষ্পত্তি কিংবা অপরাধ পরিচালনার ক্ষেত্রে কোথাও কোথাও জবরদস্তি, অবরোধ, অস্ত্রের ভয় এবং প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। কে বা কার কোনো সমস্যা বা অসন্তোষকে উত্তেজনা ও চরমপন্থার দিকে ঠেলে দিয়ে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নাজুক ও সংকুল করে তুলছে?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ম্যাক্স ওয়েবারের তত্ত্বে রাষ্ট্রের একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো জনস্বার্থে বৈধ বলপ্রয়োগের একচেটিয়া কর্তৃত্ব। রাষ্ট্র সব ধরনের বলপ্রয়োগ করবে এজন্য, যাতে আইনসম্মত কর্তৃত্বের বাইরে কোনো গোষ্ঠী যেন অস্ত্র, ভয়ভীতি বা জবরদস্তির মাধ্যমে মানুষের জীবন ও চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে না পারে। যখন কোনো গোষ্ঠী সড়ক আটকে পর্যটকদের চলাচল বন্ধ করে, কোনো দল প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে উপাচার্যকে আটকে রাখে কিংবা সশস্ত্র পাচারকারীরা মানুষকে জিম্মি করে, তখন রাষ্ট্রের সেই বৈধ কর্তৃত্বের বাস্তব প্রয়োগ হয়ে দাঁড়ায়। রাষ্ট্র যদি শ্রমিকের ন্যায্য দাবি সময়মতো নিষ্পত্তি করতে না পারে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরোধকে প্রাতিষ্ঠানিক পথে সমাধান করতে না পারে কিংবা সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধী নেটওয়ার্কের বিস্তার ঠেকাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে কেবল নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়িয়ে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন। এজন্য রাজনৈতিক দক্ষতা ও প্রশাসনিক সক্ষমতা একযোগে ও ভারসাম্যপূর্ণভাবে কাজে লাগানোর আবশ্যকতা রয়েছে। এজন্য আরও কিছু কাজ করাও দরকার। যেমন-

প্রথমত, নিরাপত্তাব্যবস্থাকে প্রতিক্রিয়াশীল না রেখে আগাম সতর্কতামূলক করতে হবে। সাজেকের মতো পর্যটন এলাকায় স্থানীয় বিরোধ, সশস্ত্র তৎপরতা ও অবরোধের আশঙ্কা সম্পর্কে আগেই তথ্য সংগ্রহ এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের অভিযোগ নিষ্পত্তির কার্যকর ও সময়সীমাবদ্ধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত, বকেয়া বেতন, ছাঁটাই ও শ্রমিক অধিকারের প্রশ্নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। তৃতীয়ত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য স্বাধীন ও বিশ্বাসযোগ্য ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। উপাচার্য বা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তদন্ত হবে, জবাবদিহি নিশ্চিত হবে; কিন্তু কাউকে অবরুদ্ধ করা বা জোর করে পদত্যাগ করানোর সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। চতুর্থত, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও সীমান্তবর্তী এলাকায় মানব পাচার, মাদক ও অস্ত্রের অবৈধ নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান এবং বিচারিক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।

আইন প্রয়োগে রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক অবস্থান কিংবা গোষ্ঠীগত প্রভাব বিবেচনা করা চলবে না। অপরাধ যে-ই করুক, আইনের আওতায় আনতে হবে। আবার শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ, শ্রমিকের অধিকার কিংবা নাগরিক অসন্তোষকে অপরাধ হিসাবে দেখার প্রবণতাও পরিহার করতে হবে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রতিবাদের অধিকার এবং অন্যের জীবন ও চলাচলের অধিকার-দুটিই সমানভাবে রক্ষা করতে হয়।

তাছাড়া, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা ও জবরদস্তির সংস্কৃতি ব্যবহার করে কিংবা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে যারা এসব নিরাপদত্তা বিনষ্টকারী ঘটনার সুযোগ তৈরি করছে, তাদেরও উচ্ছেদ করতে হবে। কারণ, নিরাপত্তার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হলো, রাষ্ট্র তার নাগরিককে কতটা নিশ্চিন্তে চলতে, কাজ করতে, শিখতে এবং বাঁচতে দিতে পারে। রাষ্ট্রের শক্তি শুধু কত দ্রুত অভিযান চালাতে পারে, তা দিয়ে মাপা যায় না। বরং কতটা কার্যকরভাবে ষড়যন্ত্র ও সংঘাতের আগেই তা প্রতিরোধ করতে পারে, ন্যায়বিচারের পথ খোলা রাখতে পারে এবং কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে আইনের ঊর্ধ্বে উঠতে দেয় না-সেটিই আসল মাপকাঠি। বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো তাই একটি অভিন্ন সতর্কবার্তা দিচ্ছে যে, নিরাপত্তার প্রশ্নকে একক ও সীমিতভাবে কেবল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব হিসাবে না দেখে রাষ্ট্রের সামগ্রিক শাসন কৌশল, ন্যায়বিচার পন্থা, ষড়যন্ত্র মোকাবিলার দক্ষতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার ভিত্তিতে বিবেচনার মাধ্যমে বিপদের যোগসূত্র ছিন্ন করা অপরিহার্য।

প্রফেসর ড. মাহফুজ পারভেজ : চেয়ারম্যান, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; নির্বাহী পরিচালক, চট্টগ্রাম সেন্টার ফর রিজিওনাল স্টাডিজ বাংলাদেশ (সিসিআরএসবিডি)

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

হালফিল বয়ান বিচ্ছিন্ন ঘটনা ও বিপদের যোগসূত্র

বিচ্ছিন্ন ঘটনা ও বিপদের যোগসূত্র

৭ নভেম্বরের অনুপ্রেরণায় সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে

৭ নভেম্বরের অনুপ্রেরণায় সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে

নগরের সংকট : সঠিক পরিকল্পনাই মূল চাবিকাঠি

নগরের সংকট : সঠিক পরিকল্পনাই মূল চাবিকাঠি

অর্থ কি আসলেই অনর্থের মূল

অর্থ কি আসলেই অনর্থের মূল

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম