বিমানবন্দরে যাত্রী দুর্ভোগ : কার্যকর সমাধান চাই
Advertisement
মেজর জেনারেল এইচআরএম রোকন উদ্দিন (অব.)
প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশের প্রবেশদ্বার। এর কার্যদক্ষতায় রাষ্ট্রের প্রশাসনিক সক্ষমতা প্রতিফলিত হয়, আর যাত্রীদের সঙ্গে আচরণে বোঝা যায় মানুষের মর্যাদাকে রাষ্ট্র কতটা গুরুত্ব দেয়। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ পেতে দীর্ঘ অপেক্ষা, লাগেজ হারানো বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, অস্পষ্ট নিয়মকানুন, যানজট, অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার অভাব নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ জনসাধারণের আস্থাকে দুর্বল করেছে। দেশে ফেরা প্রবাসী, বয়স্ক যাত্রী, অভিবাসী কর্মী ও বিদেশি দর্শনার্থীদের ক্লান্তিকর যাত্রা শেষ হওয়ার কথা একটি সুশৃঙ্খল অভ্যর্থনার মধ্য দিয়ে। অথচ অনেকের জন্য তা অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগের সূচনা করে। এসব সমস্যা সরকারের জরুরি মনোযোগ দাবি করে। যাত্রীরা টিকিট কেনেন, প্রযোজ্য বিমানবন্দর চার্জ পরিশোধ করেন এবং নিরাপত্তার বিধিবিধান মেনে চলেন। বিনিময়ে দক্ষ সেবা, স্পষ্ট তথ্য এবং সম্মানজনক আচরণ পাওয়া তাদের অধিকার। নিজের লাগেজ নিরাপদে বুঝে পাওয়া, প্রয়োজনীয় ফরম সংগ্রহ করা, সহজে একটি ট্রলি পাওয়া কিংবা বাইরে ঝামেলামুক্তভাবে যানবাহনে ওঠা কোনো কঠিন কাজ হওয়ার কথা নয়। তেমনটি হলে তা ব্যবস্থাপনা ও জবাবদিহির ব্যর্থতা।
যাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে সংস্কার জরুরি হয়ে উঠেছে। কিন্তু অতিরিক্ত ভিড় অসৌজন্য আচরণ, ব্যাখ্যাহীন বিলম্ব কিংবা মৌলিক সহায়তা না দেওয়ার অজুহাত হতে পারে না। বাড়তি অবকাঠামো চালু হওয়ার আগেই এসব ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব। মন্ত্রণালয় থেকে বিভিন্ন সময়ে যাত্রীদের অপেক্ষার সময় কমানোর নির্দেশ জারি করা হয়। বিমান অবতরণের আগেই গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কর্মীদের প্রস্তুত রাখা, কার্যক্রমের সমন্বয় বাড়ানো এবং লাগেজ সরবরাহের অগ্রগতি দেখাতে পর্দা স্থাপনের নির্দেশও দেওয়া হয়। এসব উদ্যোগ প্রমাণ করে, সংশ্লিষ্ট সর্বোচ্চ পর্যায়ে সমস্যাটি স্বীকৃত। এখন প্রয়োজন নির্দেশনাগুলোকে প্রতিটি পালায় নির্ভরযোগ্য সেবায় পরিণত করা।
দায়িত্বও সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে। বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনা, বিমান সংস্থা, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার, ইমিগ্রেশন, কাস্টমস, নিরাপত্তা সংস্থা এবং পরিবহণ পরিচালনাকারীরা কাজ করে। সংস্থাগুলোর সমন্বিত কাজ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। হারানো লাগেজের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। লাগেজ দেরিতে আসতে পারে, ভুল গন্তব্যে যেতে পারে, ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, অন্য কেউ ভুল করে নিয়ে যেতে পারে অথবা চুরি হতে পারে। প্রতিটি ঘটনার লিখিত নথি ও তদন্ত প্রয়োজন। সব অনুপস্থিত লাগেজকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চুরি বলা প্রকৃত কারণ আড়াল করতে পারে; আবার সব অভিযোগ অস্বীকার করাও অপরাধকে আড়াল করতে পারে। লাগেজ সর্বশেষ কোথায় শনাক্ত হয়েছে, কার হেফাজতে ছিল এবং এরপর কী ঘটেছে, তা নির্ধারণের নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা থাকতে হবে। বিমানবন্দরে ‘মাফিয়া’ বা সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয়-এমন জনমন্তব্য আস্থার গভীর সংকট প্রকাশ করে। তবে প্রমাণ ছাড়া কোনো সংগঠিত অপরাধচক্রের অস্তিত্বকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসাবে উপস্থাপন করা উচিত নয়। সরকারের দায়িত্ব হলো যোগসাজশ, অননুমোদিত অর্থ আদায়, ক্রয় প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, বিশেষ সুবিধায় প্রবেশাধিকার এবং অপরাধীদের সুরক্ষা দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তদন্ত করা। ব্যর্থতার কারণ জনবল ও সরঞ্জামের ঘাটতি, দুর্বল তদারকি, ইচ্ছাকৃত বাধা নাকি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, তা নির্ধারণ করতে হবে। অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে শুধু নিচের স্তরের কর্মী নয়, সংগঠক ও সুবিধাভোগীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। একইসঙ্গে সৎ কর্মীদের ঢালাও সন্দেহ থেকে রক্ষা করতে হবে।
বিমানবন্দরের অভিজ্ঞতা লাগেজ বেল্টেই সীমাবদ্ধ নয়। প্রবেশপথে যানজট, নির্মাণকাজজনিত বিঘ্ন এবং বিভ্রান্তিকর দিকনির্দেশনার কথা অনেকে বলে থাকেন। ফলে টার্মিনালে প্রবেশের আগেই যাত্রীরা উদ্বেগে পড়েন। ভবনের ভেতরে ও বাইরে অস্পষ্ট যানবাহন চলাচলের পথ, অব্যবস্থাপিত অপেক্ষার জায়গা এবং দুর্বল তথ্যসেবা পরিস্থিতি আরও কঠিন করে। নিরাপত্তা পরীক্ষা অবশ্যই প্রয়োজন; কিন্তু এর অবস্থান, জনবল ও পদ্ধতি এমনভাবে সাজাতে হবে, যাতে অপ্রয়োজনীয় দীর্ঘ সারি তৈরি না হয়। অ্যাম্বারকেশন ফরম না পাওয়ার অভিযোগের ক্ষেত্রেও নিয়মটি পরিষ্কার করা প্রয়োজন। স্পেশাল ব্রাঞ্চের সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশি যাত্রীদের আগমন বা বহির্গমনের সময় অ্যাম্বারকেশন বা ডিশ অ্যাম্বারকেশন কার্ড পূরণ করতে হয় না; বিদেশি নাগরিকদের করতে হয়। তাদের ওয়েবসাইটে ইলেকট্রনিক অ্যারাইভাল কার্ডের সংযোগ রয়েছে। ২০২৬ সালের আগস্টের একটি প্রতিবেদনে বিদেশি পাসপোর্টধারীদের অনলাইনে ইডি কার্ড পূরণের সুবিধার কথাও জানানো হয়েছে। ইমিগ্রেশন কার্ড ও কাস্টমস ঘোষণাপত্র পৃথক বিষয়; এগুলো আলাদাভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে। দৃশ্যমান নির্দেশনা, প্রশিক্ষিত সহায়তাকর্মী, প্রয়োজনীয় কাগজের ফরম এবং সচল ডিজিটাল ব্যবস্থা থাকলে যাত্রীকে অসহায়ের মতো ফরম খুঁজতে হবে না বা অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র পূরণ করতে হবে না।
অসৌজন্যমূলক আচরণের সমাধান শুধু নতুন ভবন নির্মাণে হবে না। নিরাপত্তা, ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের কখনো দৃঢ়ভাবে প্রশ্ন করতে হয়। তবে কী প্রয়োজন এবং কেন প্রয়োজন, তা যাত্রীকে বুঝিয়ে বলা উচিত। অপমান, বৈষম্যমূলক আচরণ ও অশালীন ভাষা সেবার মান এবং প্রতিষ্ঠানের কর্তৃত্ব-দুটিই ক্ষতিগ্রস্ত করে। অভিবাসী কর্মী, অনভিজ্ঞ যাত্রী এবং সীমিত শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন মানুষদের ধৈর্যের সঙ্গে সাহায্য করতে হবে। তৃতীয় টার্মিনাল সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করবে, তবে তা ব্যবস্থাপনার সংস্কারের বিকল্প হবে না। পুরোনো দুর্বল ব্যবস্থাপনাকে বড় ভবনে স্থানান্তর করলে একই দুর্ভোগ আরও বড় পরিসরে ফিরে আসবে।
সরকারের উচিত অবিলম্বে জনসমক্ষে অগ্রগতি প্রকাশের বাধ্যবাধকতাসহ ৯০ দিনের একটি উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করা। প্রথম সাত দিনের মধ্যে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনাকে প্রতিটি ফ্লাইট, স্থান ও কর্মপালা অনুযায়ী ব্যর্থতা চিহ্নিত করতে হবে। জনবল নিয়োগ ও উপস্থিতি, সচল লাগেজ সরঞ্জাম, বেল্ট বরাদ্দ, ইমিগ্রেশনের সারি, ট্রলির প্রাপ্যতা, ফরম, শৌচাগার, সহায়তা ডেস্ক এবং যানবাহন প্রবেশের ব্যবস্থা পর্যালোচনা করতে হবে। প্রতিটি সমস্যার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, করণীয় এবং সময়সীমা নির্ধারণ করতে হবে। ফরম, কলম, নির্দেশনাফলক ও প্রাথমিক সহায়তার ঘাটতি তাৎক্ষণিকভাবে দূর করা সম্ভব। সার্বক্ষণিকভাবে একজন জ্যেষ্ঠ দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক যাত্রীসেবার সমন্বয় করবেন। প্রতিটি সংশ্লিষ্ট সংস্থার মনোনীত প্রতিনিধি তাকে সহযোগিতা করবেন। এতে সংস্থাগুলোর আইনগত ক্ষমতা অক্ষুণ্ন থাকবে, কিন্তু এক সংস্থা থেকে অন্য সংস্থায় দায়িত্ব ঠেলে দেওয়ার সুযোগ কমবে।
৩০ দিনের মধ্যে পরিমাপযোগ্য সেবামান চালু করতে হবে। প্রাথমিক প্রস্তাব হিসাবে স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে বিমান নির্ধারিত পার্কিং স্থানে পৌঁছানোর ২০ মিনিটের মধ্যে প্রথম এবং ৪৫ মিনিটের মধ্যে শেষ লাগেজ সরবরাহের লক্ষ্য নেওয়া যেতে পারে। এগুলো বর্তমান নিশ্চয়তা নয়; বিমান, যাত্রীর সংখ্যা ও বাস্তব পরিচালনাগত সীমাবদ্ধতা যাচাই করে লক্ষ্য চূড়ান্ত করতে হবে। ব্যতিক্রম হলে তার কারণ নথিভুক্ত করতে হবে। শুধু প্রথম লাগেজ পৌঁছানোর সময় দিয়ে সাফল্য মাপা যাবে না; শেষ লাগেজের সময়ও প্রকাশ করতে হবে। লাগেজ হস্তান্তরের গুরুত্বপূর্ণ ধাপে ইলেকট্রনিক স্ক্যানের মাধ্যমে অনুসরণযোগ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। নিয়ন্ত্রিত প্রবেশাধিকার ও যথাযথ ক্যামেরা পর্যবেক্ষণ এ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে।
চেক-ইন করা লাগেজ না পেলে যাত্রীকে বিমানবন্দর ছাড়ার আগেই লিখিত অভিযোগের নথি, একটি রেফারেন্স নম্বর এবং যোগাযোগের স্পষ্ট তথ্য দিতে হবে। বিমান সংস্থা ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলারকে নিয়মিত অগ্রগতি জানাতে হবে এবং লাগেজ উদ্ধার হলে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রযোজ্য খরচ ফেরত ও ক্ষতিপূরণ দাবির পদ্ধতি সহজ হতে হবে। ন্যায্য প্রতিকার পেতে প্রভাবশালী পরিচিতজনের সাহায্য প্রয়োজন হওয়া উচিত নয়। অভিযোগ ব্যবস্থাপনাতেও পরিবর্তন দরকার। শাহজালাল বিমানবন্দর ইতোমধ্যে ২৪ ঘণ্টার হটলাইন ১৩৬০০ এবং অন্য অভিযোগের মাধ্যমের তথ্য প্রকাশ করেছে। বিদ্যমান সুবিধাগুলোকে একীভূত অভিযোগ ব্যবস্থাপনায় রূপ দিতে হবে। প্রতিটি অভিযোগে অনুসরণ নম্বর, দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও উত্তর দেওয়ার সময়সীমা থাকতে হবে। ফলাফল যাত্রীকে জানানোর পর অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে হবে; অসন্তোষজনক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পুনর্বিবেচনার সুযোগও রাখতে হবে।
একইসঙ্গে যানবাহন ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে হবে। আগত যাত্রী উঠানো, বহির্গামী যাত্রী নামানো, ট্যাক্সি, বাস এবং অপেক্ষমাণ গাড়ির জন্য পৃথক ও স্পষ্টভাবে চিহ্নিত স্থান প্রয়োজন। যাত্রী প্রস্তুত হওয়ার আগ পর্যন্ত তাকে নিতে আসা গাড়ি টার্মিনালের সামনের জায়গা থেকে দূরে নির্ধারিত স্থানে অপেক্ষা করবে। ছাউনিযুক্ত হাঁটার পথ, দৃশ্যমান নির্দেশনা, প্রকাশিত পরিবহণ ভাড়া এবং প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক যাত্রীদের উপযোগী ওঠানামার ব্যবস্থা বিভ্রান্তি কমাবে। বাধা সৃষ্টি, হয়রানি ও অননুমোদিত দালালির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে; পাশাপাশি বৈধ চালকদের জন্য বাস্তবসম্মত ব্যবস্থা রাখতে হবে। গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সংস্কারে কার্যদক্ষতার প্রণোদনা ও ব্যর্থতার পরিণতি নিশ্চিত করতে হবে।
৯০ দিনের মধ্যে সরকারের উচিত ফলাফলের স্বাধীন মূল্যায়ন প্রকাশ করা। জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত একটি তথ্য ব্যবস্থায় লাগেজ সরবরাহের সময়, সারির দৈর্ঘ্য, নিষ্পত্তিকৃত অভিযোগ, সরঞ্জামের প্রাপ্যতা এবং যাত্রী সন্তুষ্টির তথ্য দেখাতে হবে। ধারাবাহিক উন্নতির জন্য ব্যবস্থাপকদের স্বীকৃতি দিতে হবে, আর প্রতিরোধযোগ্য ব্যর্থতার জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। চুরি বা দুর্নীতির অভিযোগ উপযুক্ত তদন্ত সংস্থায় পাঠাতে হবে, প্রমাণ সংরক্ষণ করতে হবে এবং অনিয়মের তথ্যদাতাদের সুরক্ষা দিতে হবে।
বিমানবন্দর সংস্কারের সাফল্য বিচার করতে হবে সাধারণ যাত্রীর অভিজ্ঞতা দিয়ে। একজন বয়স্ক যাত্রী কি দ্রুত সাহায্য পাচ্ছেন? দেশে ফেরা একজন শ্রমিক কি নিরাপদে লাগেজ নিয়ে হয়রানি ছাড়া বের হতে পারছেন? বিদেশি দর্শনার্থী কি নিয়মগুলো বুঝতে পারছেন? অভিযোগ করলে কি কার্যকর উত্তর পাওয়া যাচ্ছে? প্রাথমিক উন্নতির জন্য প্রয়োজন দায়িত্বশীল তদারকি, প্রস্তুত কর্মী, স্পষ্ট পদ্ধতি এবং বিশ্বাসযোগ্য জবাবদিহি। সরকারকে এসব মৌলিক দায়িত্বের বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। ঢাকা বিমানবন্দর এমন একটি স্থানে পরিণত হোক, যেখানে প্রত্যেক যাত্রী দেশের প্রধান প্রবেশদ্বারে বাংলাদেশের প্রত্যাশিত দক্ষতা, সৌজন্য ও মর্যাদার পরিচয় পাবেন।
মেজর জেনারেল এইচআরএম রোকন উদ্দিন (অব.) : নিরাপত্তা বিশ্লেষক
