Logo
Logo
×

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

জাতীয় ইতিহাসের বয়ান ও সাংস্কৃতিক কর্তৃত্বের রাজনীতি

Advertisement

Icon

ড. হাসান মাহমুদ

প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতির ওপর বামপন্থি বুদ্ধিজীবী, লেখক, শিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর প্রভাব নিয়ে প্রায়ই আলোচনা হয়। কেউ কেউ মনে করেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রচলিত বয়ান ও জাতীয় সংস্কৃতির প্রধান প্রতীকগুলো নির্মাণে এই রাজনৈতিক ধারার প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি। অন্যদিকে, এই প্রভাবকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এমন রাজনৈতিক বক্তব্যও রয়েছে। কিন্তু বিতর্কটির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক প্রায়ই আলোচনার বাইরে থেকে যায় : কোন রাজনৈতিক আন্দোলন, কোন শহীদ কিংবা কোন ঐতিহাসিক ঘটনাকে আমরা জাতীয়ভাবে স্মরণ করি, আর কোনগুলোর স্মৃতি সীমিত পরিসরে রয়ে যায়?

প্রশ্নটি বোঝার জন্য জাতীয় ইতিহাসকে শুধু অতীতের ঘটনাবলির বিবরণ হিসাবে দেখলে চলবে না। অতীতের সব ঘটনা সমানভাবে স্মরণ করা হয় না, সব আত্মত্যাগ জাতীয় প্রতীকে পরিণত হয় না, আর সব রাজনৈতিক আন্দোলন ইতিহাসের বই, নগরের নাম, স্মৃতিস্তম্ভ কিংবা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সমান জায়গা পায় না। ইতিহাসের বয়ান গড়ে ওঠে নির্বাচন ও বিন্যাসের মধ্য দিয়ে। কোন ঘটনা সামনে আসবে, কোনটি পেছনে থাকবে, কোন স্মৃতি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহন করা হবে-এসবের সঙ্গে রাজনৈতিক ক্ষমতা, সাংগঠনিক সামর্থ্য এবং সাংস্কৃতিক কর্তৃত্বের সম্পর্ক রয়েছে।

স্মৃতি কীভাবে জাতীয় হয়ে ওঠে: ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আসাদুজ্জামানের নাম আজও ঢাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথের সঙ্গে যুক্ত। আইয়ুব গেটের নাম বদলে আসাদ গেট রাখা হয়েছিল। আসাদের রক্তাক্ত শার্টকে কেন্দ্র করে শামসুর রাহমানের ‘আসাদের শার্ট’ কবিতা তার আত্মত্যাগকে রাজনৈতিক ঘটনার সীমা ছাড়িয়ে সাংস্কৃতিক স্মৃতিতে পরিণত করেছে। একইভাবে, ১৯৯২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাসবিরোধী মিছিলে নিহত ছাত্র ইউনিয়ন নেতা মইন হোসেন রাজুর স্মৃতি ধরে রাখতে নির্মিত হয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্য। এই ভাস্কর্য পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলনের পরিচিত প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

এ দুই উদাহরণে দুই শহীদের আত্মত্যাগের কথার পাশাপাশি রয়েছে স্মৃতি নির্মাণের প্রক্রিয়া। আসাদের নামকে জনপরিসরে স্থায়ী করা এবং রাজুর স্মৃতিকে ভাস্কর্যের মাধ্যমে বহন করার পেছনে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত, কবিতা, ছাত্রসংগঠন, শিল্পী এবং সাংস্কৃতিক উদ্যোগের ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে রাজুর স্মৃতি ধরে রাখার ক্ষেত্রে ছাত্র ইউনিয়ন ও প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠনগুলোর ধারাবাহিক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

রাজনৈতিক আন্দোলনে প্রাণ দেওয়া আর সেই আত্মত্যাগকে জাতীয় স্মৃতির অংশ করে তোলা এক বিষয় নয়। দ্বিতীয়টির জন্য প্রয়োজন সংগঠন, প্রতীক, সাংস্কৃতিক প্রকাশ এবং দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ। যে রাজনৈতিক শক্তি এই কাজ ধারাবাহিকভাবে করতে পারে, তার আন্দোলন ও শহীদদের স্মৃতি জনপরিসরে টিকে থাকার সুযোগও বাড়ে।

ফুলবাড়ী : জনতার ক্ষোভ থেকে সংগঠিত প্রতিরোধ : দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর আন্দোলন এ সম্পর্ক বোঝার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। ২০০৬ সালে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে স্থানীয় মানুষের উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। জমি হারানো, জীবিকা বিপন্ন হওয়া এবং পরিবেশগত ক্ষতির আশঙ্কা ছিল এই বিরোধের কেন্দ্রে। তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ রক্ষা জাতীয় কমিটি, স্থানীয় প্রতিরোধ কমিটি এবং বামপন্থি রাজনৈতিক শক্তিগুলো স্থানীয় মানুষের অসন্তোষ ও ক্ষোভকে সংগঠিত গণপ্রতিরোধে রূপ দেয়। ২০০৬ সালের ২৬ আগস্ট আন্দোলনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে অন্তত তিনজন নিহত হন। তাদের স্মৃতি ধরে রাখতে প্রতিবছর ফুলবাড়ী দিবস পালিত হয়ে আসছে। স্থানীয় মানুষকে সংগঠিত করে বামপন্থি রাজনৈতিক সংগঠন ও জাতীয় কমিটির ধারাবাহিক কর্মসূচি এই স্মৃতিকে জীবিত রেখেছে। ফুলবাড়ী আন্দোলনের স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের অঙ্গীকারও ৩০ আগস্ট ২০০৬ সালের সমঝোতা চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল। চুক্তির সব অঙ্গীকার বাস্তবায়িত হয়েছে কিনা, তা অবশ্য আলাদা প্রশ্ন।

ফুলবাড়ীর অভিজ্ঞতা দেখায়, স্থানীয় জনগণের বাস্তব স্বার্থ ও প্রতিবাদ আন্দোলনের ভিত্তি তৈরি করে, আর রাজনৈতিক সংগঠন সেই প্রতিবাদকে বৃহত্তর রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দেয়। আন্দোলনের দাবি, শহীদদের স্মৃতি এবং সম্পদ রক্ষার প্রশ্নকে জাতীয় আলোচনায় ধরে রাখার জন্য সংগঠিত উদ্যোগ দরকার হয়। এখানে বামপন্থি রাজনৈতিক শক্তির প্রভাব শুধু কোনো ঘটনার ব্যাখ্যা দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; কোন ঘটনাকে ধারাবাহিকভাবে স্মরণ করা হবে, সেটি নির্ধারণেও তাদের ভূমিকা রয়েছে।

যাত্রাবাড়ী ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি: ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ঢাকার যাত্রাবাড়ী ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধ, সংঘাত ও প্রাণহানির স্থান। সেখানে নিহতদের স্মরণে শহীদ ঐক্য চত্বর ও নামসংবলিত স্মারকফলক নির্মিত হয়েছে। স্থানীয় ছাত্র-জনতার উদ্যোগে গড়ে ওঠা স্মৃতিচর্চা দেখায়, আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীরা নিজেরাও নিজেদের ইতিহাস সংরক্ষণে উদ্যোগী হতে পারেন।

কিন্তু জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি নিয়ে আরেকটি প্রশ্ন তোলা দরকার। এই আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক পটভূমির মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। তাদের সবার ভূমিকা কি একইভাবে জাতীয় ইতিহাসে দৃশ্যমান হচ্ছে? বিশেষ করে মাদ্রাসা-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও আত্মত্যাগ কি বৃহত্তর গণঅভ্যুত্থানের বয়ানে স্বতন্ত্রভাবে স্বীকৃতি পাচ্ছে? ২০২৬ সালের ২৪ জুলাইকে মাদ্রাসা-শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধ দিবস হিসাবে পালনের প্রস্তাব আলোচনায় আসা এই স্বীকৃতির প্রশ্নটিকে সামনে এনেছে। তবে প্রস্তাব আলোচনায় আসা আর রাষ্ট্রীয়ভাবে চূড়ান্ত স্বীকৃতি পাওয়া এক বিষয় নয়।

এখানে প্রশ্ন হলো, কোন আন্দোলনের স্মৃতি ধরে রাখতে কারা সংগঠিত থাকেন, কোন গোষ্ঠী নিজেদের আত্মত্যাগের স্বতন্ত্র পরিচয় প্রতিষ্ঠা করতে পারে এবং কোন স্মৃতি বৃহত্তর জাতীয় বয়ানের মধ্যে অন্য পরিচয়ের আড়ালে পড়ে যায়। ফুলবাড়ীতে বামপন্থি সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলনের স্মৃতি বহন করেছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন অংশগ্রহণকারী গোষ্ঠীর স্বতন্ত্র অবদান কীভাবে স্বীকৃতি পাবে, তা এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে।

জাতীয় সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব কে নির্ধারণ করে : জাতীয় সংস্কৃতি নিয়ে আলোচনার একটি মূল প্রশ্ন হলো : কোনো সাংস্কৃতিক চর্চা কীভাবে জাতীয় সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্বকারী হয়ে ওঠে? পহেলা বৈশাখ, লোকসংগীত, কবিতা, ভাস্কর্য কিংবা জাতীয় স্মৃতিসৌধ-এগুলোর কিছু কিছু জাতীয় পরিচয়ের প্রতীকে পরিণত হয়। কিন্তু সেই স্বীকৃতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসে না। সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান, শিল্পী ও বুদ্ধিজীবীদের দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগের মাধ্যমে কিছু প্রতীক জনপরিসরে প্রতিষ্ঠা পায়।

কোন ভাষাকে শুদ্ধ বলে বিবেচনা করা হবে, কোন সাহিত্যকে ধ্রুপদি বলা হবে, কোন সংগীত জাতীয় ঐতিহ্যের অংশ হিসাবে প্রচারিত হবে কিংবা কোন রাজনৈতিক শহীদকে স্মরণ করা হবে-এসব সিদ্ধান্তের সঙ্গে সাংস্কৃতিক কর্তৃত্বের সম্পর্ক রয়েছে। সাংস্কৃতিক কর্তৃত্ব বলতে এখানে বোঝানো হচ্ছে, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর এমন ক্ষমতা, যার মাধ্যমে তাদের ব্যাখ্যা, প্রতীক ও মূল্যবোধ বৃহত্তর সমাজে গ্রহণযোগ্যতা পায়।

এই প্রক্রিয়ায় বামপন্থি বুদ্ধিজীবী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর ভূমিকা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলন, গণসংগীত, নাটক এবং ছাত্র আন্দোলনের নানা প্রতীকের মাধ্যমে তারা দীর্ঘদিন জনপরিসরে সক্রিয় থেকেছে। নির্বাচনি রাজনীতিতে সীমিত উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও সাংস্কৃতিক পরিসরে তাদের প্রভাব টিকে থেকেছে। এর পেছনে সংগঠন, সাংস্কৃতিক চর্চা, প্রকাশনা, শিল্পকর্ম ও স্মরণানুষ্ঠানের ধারাবাহিকতা রয়েছে। সাংস্কৃতিক প্রভাবের পরিসর একাধিক এবং সময়ের সঙ্গে পরিবর্তনশীল। রাষ্ট্র, রাজনৈতিক দল, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাব্যবস্থা, গণমাধ্যম এবং বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলনও জাতীয় স্মৃতি নির্মাণে ভূমিকা রাখে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি নিয়ে চলমান আলোচনা দেখায়, জাতীয় ইতিহাসের বয়ান কোনো একটি গোষ্ঠীর হাতে চিরস্থায়ীভাবে স্থির থাকে না।

ইতিহাসের বয়ান নিয়ে প্রশ্ন তোলা জরুরি : জাতীয় ইতিহাসের বয়ান নিয়ে বিতর্কে প্রায়ই রাজনৈতিক পক্ষগুলো একে অন্যের বিরুদ্ধে ইতিহাস দখল বা বিকৃতির অভিযোগ তোলে। কিন্তু অভিযোগের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, কোন প্রক্রিয়ায় সেই প্রভাব তৈরি হয়েছে তা অনুসন্ধান করা। আসাদ গেট, রাজু ভাস্কর্য, ফুলবাড়ী দিবস এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মাদ্রাসা-শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতির প্রশ্ন-এসব উদাহরণ আমাদের সেই অনুসন্ধানের সুযোগ দেয়।

কারা কোন আন্দোলনকে সংগঠিত করেছেন? কারা তার স্মৃতি ধরে রেখেছেন? কোন সাংস্কৃতিক প্রতীক রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক স্বীকৃতি পেয়েছে? কোন গোষ্ঠীর আত্মত্যাগ জাতীয় পরিচয়ের অংশ হয়েছে, আর কার অবদান এখনো স্বতন্ত্র স্বীকৃতির অপেক্ষায় রয়েছে? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে রাজনৈতিক ইতিহাসের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক সংগঠন, স্মৃতিস্তম্ভ, নামকরণ, পাঠ্যপুস্তক, গণমাধ্যম ও স্মরণানুষ্ঠানের ইতিহাসও বিশ্লেষণ করতে হবে।

জাতীয় ইতিহাস কেবল অতীতে কী ঘটেছিল তার বিবরণ নয়; অতীতের কোন অংশকে আমরা আজও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি, তারও প্রকাশ। এই স্মৃতি নির্মাণে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক শক্তিগুলোর ভূমিকা অনুসন্ধান করা মানে কোনো একটি রাজনৈতিক ধারাকে দোষী সাব্যস্ত করা নয়। বরং বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয় কীভাবে গড়ে উঠেছে, কারা সেই পরিচয়ের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছে এবং কোন অভিজ্ঞতাগুলো তুলনামূলকভাবে আড়ালে থেকে গেছে-তা বোঝার চেষ্টা করা।

জাতীয় ইতিহাসকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে হলে শুধু নতুন ঘটনা যোগ করলেই হবে না। ইতিহাসের স্মৃতি তৈরি ও সংরক্ষণের প্রক্রিয়াটিও বুঝতে হবে। কারণ, কোনো জনগোষ্ঠীর আত্মত্যাগ ইতিহাসে ঘটেছিল কিনা, সেটি এক প্রশ্ন; আর সেই আত্মত্যাগ জাতীয় স্মৃতিতে কতটা জায়গা পেয়েছে, সেটি আরেক প্রশ্ন। বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির ওপর বামপন্থি বুদ্ধিজীবী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর প্রভাব নিয়ে বিতর্ককে এই দ্বিতীয় প্রশ্নের আলোকে দেখলে বিষয়টি রাজনৈতিক অভিযোগের সীমা ছাড়িয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাজতাত্ত্বিক অনুসন্ধানে পরিণত হতে পারে।

ড. হাসান মাহমুদ : সহযোগী অধ্যাপক, নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কাতার

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

সংসদ থেকে রাস্তায় : রাজনীতির অনিশ্চিত যাত্রা

সংসদ থেকে রাস্তায় : রাজনীতির অনিশ্চিত যাত্রা

জাতীয় ইতিহাসের বয়ান ও সাংস্কৃতিক কর্তৃত্বের রাজনীতি

জাতীয় ইতিহাসের বয়ান ও সাংস্কৃতিক কর্তৃত্বের রাজনীতি

ফ্রান্সে বাংলাদেশিদের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ

ফ্রান্সে বাংলাদেশিদের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ

হালফিল বয়ান চীন-পাকিস্তান সামরিক সহযোগিতা ও দক্ষিণ এশিয়া

চীন-পাকিস্তান সামরিক সহযোগিতা ও দক্ষিণ এশিয়া

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম