Logo
Logo
×

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

শেখ মুজিব সম্পর্কে চার সেলিব্রিটির মূল্যায়ন

Advertisement

Icon

মোবায়েদুর রহমান

প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৫, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

শেখ মুজিব সম্পর্কে চার সেলিব্রিটির মূল্যায়ন

Advertisement

১৫ আগস্ট শেখ মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরে আসার পাটাতন নির্মাণের চেষ্টা করেছিলেন। এবার তিনি তার একমাত্র পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে দিয়ে একটি বিবৃতি জারি করিয়েছিলেন। নিউইর্য়ক থেকে প্রদত্ত ওই বিবৃতিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, ১৫ আগস্ট আপনারা অর্থাৎ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ প্রভৃতি সংগঠন দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় ১৫ আগস্ট পালন করবেন। কিন্তু হা হতাস্মি! মুজিব বন্দনা করতে গিয়ে পুত্রের মাধ্যমে শেখ হাসিনা যা করতে চেয়েছিলেন, সেটিই কবি জ্ঞানদাসের কবিতার মতো করুণ পরিণতি লাভ করে। কবি জ্ঞানদাসের কবিতার প্রথম চারটি লাইন হলো :

সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু

অনলে পুড়িয়া গেলো

অমিয় সাগরে সিনান করিতে

সকলি গরল ভেল।

সারা বাংলাদেশ খুঁজে মাত্র ৪-৫ জন লোক পাওয়া গেল, যারা দিনের প্রথম প্রহরে শেখ মুজিবের গুঁড়িয়ে দেওয়া বাড়ি দেখতে গিয়েছিলেন। তার মধ্যে একজন রিকশাওয়ালা ফুল হাতে নিয়ে গেলে তাকে জনতা পাকড়াও করে এবং পরে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। অবশ্য পরদিন আদালত তাকে জামিন দেন। আরেকজন মহিলা। আরও দুজন ছিলেন। তাদের সম্পর্কে পত্রিকায় কিছু লেখা হয়নি।

এই হলো ১৫ আগস্টের চিত্র। শেখ হাসিনা ভেবেছিলেন, তার পিতা এখনো বুঝি সেই ’৭১-পূর্ব অবস্থানে আছেন। ১৫ আগস্ট যে করুণ ঘটনা ঘটেছে, তার ফলে বাংলাদেশিদের মনে সিম্প্যাথি গ্রো করেছে। সেটা পুঁজি করে তিনি বাংলাদেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি এবং তার নিউইয়র্কপ্রবাসী পুত্র জানতেন না যে, জনগণের মধ্যে শেখ মুজিবের জন্য সেই সফট কর্নার আর নেই। আর নেই বলেই তাদের ১৫ আগস্ট মাঠে মারা গেছে। শেখ হাসিনা ১৫ বছরে সমগ্র রাষ্ট্রক্ষমতা ব্যবহার করে যেভাবে ১৫ আগস্ট জাতির বুকে চাপিয়ে দিয়েছিলেন, সেটি আর কোনো দিন ফিরে আসবে না। আর এর জন্য তিনি নিজেই দায়ী। দায়ী তার অপশাসন, দুঃশাসন এবং হিমালয় পর্বতসম টাকা পাচার ও দুর্নীতি।

শেখ মুজিবের ওপর শেখ হাসিনা যে দেবত্ব আরোপ করেছিলেন, তার ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই দেবত্বের মুখোশ ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এখন বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতার খোলা হাওয়ায় শেখ হাসিনা তো পরের কথা, শেখ মুজিব সম্পর্কেও অনেক কথা বেরিয়ে আসছে। এসব কথা হাসিনা ১৫ বছর ছাইচাপা দিয়ে রেখেছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জনগণ যেমন সাড়া দেননি, তেমনি এবারও দেননি।

কেন দেননি? সেগুলোই আজ বলব। তবে এ ব্যাপারে আমি ব্যক্তিগতভাবে বা যুগান্তরের তরফ থেকে কিছু বলছি না। শেখ মুজিব সম্পর্কে কয়েক সেলিব্রিটি কিছু মন্তব্য করেছেন। সেগুলোই তুলে দেব। এসব সেলিব্রিটির মধ্যে আছেন ভারতের পরলোকগত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর বিশেষ সহকারী পিএন হাকসার, ইংরেজি সাপ্তাহিক হলিডের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মরহুম এনায়েতুল্লাহ খান, লব্ধ প্রতিষ্ঠিত সাহিত্যিক মরহুম আহমদ ছফা, বিশিষ্ট গবেষক মহিউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ। এ চারজন ছাড়া আরও অনেকেই শেখ মুজিবের নেতিবাচক দিক নিয়ে লিখেছেন। সব উদ্ধৃতি দিতে গেলে স্থান সংকুলান হবে না বলে ওই চারজনের মধ্যেই উদ্ধৃতি সীমাবদ্ধ রাখছি। আগামীতে কোনো এক সময় এ সম্পর্কে আরও অনেক তথ্য দেওয়ার আশা রাখি।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের প্রথম রাষ্ট্রদূত জ্যোতিন্দ্র নাথ দীক্ষিত, সংক্ষেপে জেএন দীক্ষিতের লেখা দুটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা বিধৃত হয়েছে তার লেখা ‘Liberation and Beyond’ পুস্তকে। এ পুস্তকে জেএন দীক্ষিত খুব স্পষ্টভাবে বলেছেন, শেখ মুজিবের সনির্বন্ধ অনুরোধেই বাংলাদেশ-ভারত ২৫ বছরের গোলামি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ বিষয়টি আমি অন্য কোনো এক সময় সুযোগ হলে লিখতে পারি। আজ শেখ মুজিব সম্পর্কে চারজনের মন্তব্য সংক্ষেপে বর্ণনা করব। আমি রিপিট করতে চাই, অতঃপর যা নিম্নে বর্ণিত হবে, তার পুরোটাই ওদের উক্তি ও বর্ণনা।

২.

প্রথমে পিএন হাকসার। মুক্তিযুদ্ধের পুরো ৯ মাস মি. দুর্গা প্রসাদ ধর (ডিপি ধর) তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর বিশেষ সহকারী ছিলেন। শেখ মুজিবের অনুরোধেই ইন্দিরা গান্ধী পিএন হাকসারকে ডিপি ধরের স্থলাভিষিক্ত করেন। অতঃপর যা ঘটেছিল, সেটির বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হয়েছে প্রবাসী সরকারের স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ, ‘মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাপর কথোপকথনে’। গ্রন্থটি রচনা করেছেন প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের বিশেষ সহকারী মঈদুল হাসান। এসব উদ্ধৃতি অনেক লম্বা। তাই অত্যন্ত সংক্ষেপে শুধু প্রাসঙ্গিক অংশ নিচে তুলে দিচ্ছি।

মুক্তিযুদ্ধকালে ১৭ কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে ভারতে জমা হয়। পিএন হাকসার শেখ মুজিবকে বলেন, “ভারত সরকার এ টাকাটা ফেরত দিতে চায়। কিন্তু কীভাবে আমরা ফেরত পাঠাব। ব্যাংক ড্রাফট করে পাঠাব, নাকি আপনারা জিনিসপত্র কিনবেন। জিনিসপত্র কিনলে তার বিপরীতে আমরা ব্লক হিসাবে সেই টাকা দেব। তবে আমরা বৈদেশিক মুদ্রায় দিতে পারব না, ভারতীয় মুদ্রায় দেব।’

তখন শেখ মুজিব বললেন, টাকাগুলো ট্রাকে করে পাঠিয়ে দিতে। বিস্মিত পিএন হাকসার শেখ মুজিবকে বললেন, ‘ট্রাকে করে টাকা কীভাবে দেব? আমাদের তো সরকারি হিসাব-পদ্ধতি আছে, ব্যাংকিং পদ্ধতি আছে।’ তারপর নাকি শেখ মুজিব বলেছিলেন, ‘সামনে আমার নির্বাচন, এই টাকা সেজন্য আমার দরকার হবে।’ পিএন হাকসার অত্যন্ত নিয়মতান্ত্রিক, ন্যায়নিষ্ঠ মানুষ ছিলেন। শেখ মুজিবুর রহমানের ওই কথায় তিনি খুবই আহত হয়েছিলেন। পরে হাকসার ভারতে ফিরে গিয়ে মিসেস গান্ধী ও তার সহকর্মীদের একথা বলেন। ডিপি ধর তখন ভারতের পরিকল্পনামন্ত্রী। আমাকে ১৯৭২ সালের জুন মাসে এ খবরটা দেন। ১৯৮১ সালে হাকসার নিজেও আমার কাছে এ ঘটনাটা নিশ্চিত করেন।”

৩.

বুদ্ধিজীবী ও লেখক আহমদ ছফা তার ‘শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য প্রবন্ধ’ গ্রন্থের এক প্রবন্ধে উল্লেখ করেছেন ‘কী ছিলেন শেখ মুজিব-বীর? প্রতারক? অনমনীয়, একগুঁয়ে, উচ্চাকাঙ্ক্ষী, চরম ক্ষমতালোভী একজন একনায়ক? নাকি শেখ মুজিব ইতিহাসের সেসব ঘৃণিত ভিলেনের একজন, যারা জনগণকে মুক্তি এবং স্বাধীনতার নামে জাগায় বটে, কিন্তু সামনে যাওয়ার নাম করে পেছন দিকে চালনা করে। একটা সময় পর্যন্ত জনগণ ভিলেনদের কথা শোনে, তাদের নির্দেশ শিরোধার্য করে মেনে নেয়।

কিন্তু যখন তারা বুঝতে পারে, শয়তানের প্রলোভনে মুগ্ধ হয়ে ফুল-ফসলেঘেরা সবুজ উপকূলের আশায় পা বাড়িয়ে ভ্রান্ত স্বপ্নের ছলনায় ভ্রান্ত গন্তব্যে এসে উপনীত হয়েছে; তাদের আশা করার, বাসা করার, ভরসা করার কিছুই নেই; আছে শুধু পথচলার ক্লান্তি, অনিশ্চয়তার হতাশা এবং প্রখর মরুভূমিতে মরীচিকার নিত্যনতুন ছলনা, তখন তারা তাদের ভাগ্যকে ধিক্কার দেয়, অভিসম্পাতের বাণী উচ্চারণ করে সেই বহুরূপী সঙ-নেতার নামে, যার ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠা এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষার পতাকাকে নিরীহ, শান্তিপ্রিয়, খেটে-খাওয়া জনগণ তাদের মুক্তিসনদ বলে ভুল করেছিল।

শেখ মুজিবও কি একজন তেমন মানুষ?’

৪.

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের অব্যবহিত পর ইংরেজি দৈনিক ‘দি নিউ এজ’ এবং সাপ্তাহিক হলিডের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক এনায়েতুল্লাহ খান একটি আলোড়ন সৃষ্টিকারী প্রবন্ধ লেখেন। প্রবন্ধটির শিরোনাম, ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’। প্রবন্ধের এক স্থানে তিনি লেখেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমানের তিন বছরের দুঃশাসন সহস্র জননীর বুক ভেঙে দিয়েছে, শত শত বীর দেশপ্রেমিকের রক্তে রঞ্জিত হয়েছে। দেশকে ভালোবাসতে গিয়েও তিনি দেশের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। জীবন দিয়ে তাকে সেই মূল্য শোধ করতে হয়েছে।’

প্রবন্ধের অন্যত্র তিনি বলেন, ‘যারা প্রাণ দিল, অস্ত্র তুলে নিল, যারা দেশপ্রেমের সুমহান অঙ্গীকারের রক্ত দিয়ে মাতৃভূমির ঋণ শোধ করল, তাদেরই রক্ত-মাংস-হাড়ের বিনিময়ে তিনি গড়তে চেয়েছিলেন এক অলৌকিক ক্ষমতার দেউল। সেখানে দেবতা একক, কিন্তু পূজারি নেই। মানুষকে বাদ দিয়ে শুরু হলো বিগ্রহের রাজনীতির পুতুলের খেলা। পরদেশি পটুয়ার হাতে সৃষ্টি হলো পুতুলের রাজা শেখ মুজিবুর রহমান। কিন্তু ইতিহাস আরও বেশি নির্মম এবং তার প্রত্যক্ষ প্রমাণ ১৫ আগস্ট। একঝাঁক আগ্নেয় সিসা লক্ষ কোটি মানুষের সীমাহীন রোষের আকস্মিক বিস্ফোরণের মতো নিপাত করল পুতুলের রাজত্ব।’

৫.

জনাব মহিউদ্দিন আহমেদ একজন লেখক ও গবেষক। বাংলাদেশের শুরুতে তিনি অধুনালুপ্ত ‘দৈনিক গণকণ্ঠে’ সাংবাদিকতা করতেন। প্রথমা প্রকাশনী থেকে তার অনেক বই প্রকাশিত হয়েছে। সেই মহিউদ্দিন আহমেদ গত ১৫ আগস্ট ইংরেজি ডেইলি স্টারে একটি নিবন্ধ লিখেছেন। শিরোনাম, ‘50 years on, Sheikh Mujib's killing deserves a nuanced reading’, অর্থাৎ, ‘৫০ বছর গেল, এখন মুজিব হত্যার গভীর বিশ্লেষণ প্রয়োজন।’

মহিউদ্দিন আহমেদ শুরু করেছেন এভাবে, ‘During 1974-75, all the opposition political parties wanted Sheikh Mujib's ouster, but it was not possible to remove him through street agitation. He had amended the constitution and concentrated absolute power in his own hands, leaving no constitutional or electoral means to change the government. Therefore, it can be said that, in a way, he himself had created the conditions conducive to a potential removal from power.’

বাংলা অনুবাদ, ‘১৯৭৪-৭৫ সালে দেশের সব রাজনৈতিক দল শেখ মুজিবের অপসারণ চেয়েছিল। কিন্তু রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমে তার অপসারণ সম্ভব ছিল না। তিনি সংবিধান সংশোধন করেন এবং সব ক্ষমতা তার হাতে কুক্ষিগত করেন। ফলে সাংবিধানিক বা নির্বাচনের মাধ্যমে তার অপসারণ সম্ভব ছিল না। সুতরাং এটা বলা যেতে পারে যে, তিনি ক্ষমতা থেকে তার অপসারণের পরিস্থিতি নিজেই সৃষ্টি করেছিলেন।’

৬.

আগেই বলেছি, শেখ মুজিবের এসব দিক নিয়ে অনেক লেখা জুলাই বিপ্লবের পর বের হচ্ছে। এবং যাদের মধ্যে কিছুটাও দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল, তারাও দ্বিধামুক্ত হচ্ছেন। শেখ মুজিবের আসল অবয়ব বের হওয়ার কারণেই তাকে পুঁজি করে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই। গত ১৫ আগস্টের ব্যর্থ শোক দিবস কর্মসূচি তারই প্রমাণ। এখন শেখ হাসিনা জুলাই বিপ্লব এবং ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য সরাসরি মাঠে নেমে পড়েছেন। দিল্লি, কলকাতা প্রভৃতি শহরে আওয়ামী লীগের অফিস খোলা হয়েছে। ১৫ আগস্টের পর ২১ আগস্ট পর্যন্ত শেখ হাসিনা একাধিক অডিও ক্লিপ সামাজিক মাধ্যমে ছেড়েছেন। এসব ক্লিপে তিনি ইন্টারিম সরকারের কাছে কিছু দাবিনামা পেশ করেছেন। তার মধ্যে রয়েছে আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ, বাংলাদেশে আটক সব আওয়ামী লীগ ঘরানার নেতাকর্মীর মুক্তি এবং আন্দোলনের সময় (তার ভাষায়) সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত আওয়ামী নেতাকর্মীদের বিচার।

ইন্টারিম সরকার সময়মতো যথাযোগ্য উত্তর দিয়েছে। বলেছে, ভারতে আওয়ামী লীগের যত অফিস আছে, অবিলম্বে সেগুলো বন্ধ করা হোক।

মোবায়েদুর রহমান : সিনিয়র সাংবাদিক

[email protected]

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

দৃষ্টিপাত এ পদক্ষেপ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে

এ পদক্ষেপ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে

সাইবার নিরাপত্তায় যেসব ঝুঁকি তৈরি করছে এআই

সাইবার নিরাপত্তায় যেসব ঝুঁকি তৈরি করছে এআই

প্রান্তিক মানুষের স্বার্থহানি অনাকাঙ্ক্ষিত হবে

প্রান্তিক মানুষের স্বার্থহানি অনাকাঙ্ক্ষিত হবে

জাতিসংঘের করিডর যেন এক নাট্যশালা

জাতিসংঘের করিডর যেন এক নাট্যশালা

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম