Logo
Logo
×

Advertisement

বাতায়ন

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে পুরোনো ভুলের পুনরাবৃত্তি রুখতে হবে

Advertisement

Icon

আব্বাস ইসলাম খান

প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান নিয়ে আমরা গর্ব করি। প্রতিবছর তারা বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠান। সেই অর্থে পরিবারের খাবার, সন্তানের পড়াশোনা, চিকিৎসা, ঘরবাড়ি ও ভবিষ্যতের স্বপ্ন পূরণ হয়। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহেও তাদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে একটি প্রশ্ন থেকেই গেছে : যারা দেশের অর্থনীতিতে এত বড় অবদান রাখেন, তাদের স্বার্থ রক্ষায় রাষ্ট্র কেন অনেক ক্ষেত্রে তাদের পাশে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়?

যুক্তরাজ্যে বসবাসের সময় আমি খুব কাছ থেকে বাংলাদেশি অভিবাসীদের জীবন দেখেছি। দিনের কাজ শেষ করে রাতে আবার কাজ করতে যাওয়া মানুষ দেখেছি। কেউ কাজের পাশাপাশি পড়াশোনা করেছেন। কেউ সারা দিনের পরিশ্রম শেষে নিজের রান্না নিজেই করেছেন। নিজের প্রয়োজন কমিয়ে দেশে টাকা পাঠিয়েছেন। মা-বাবার চিকিৎসা, সন্তানের পড়াশোনা কিংবা পরিবারের মাসিক খরচ যেন বন্ধ না হয়, সেজন্য নিজের জীবনযাপনকে অনেক সময় সীমিত করেছেন। বিদেশে থাকা মানেই তাদের জন্য আরাম বা বিলাসিতা নয়। অনেকের কাছে এটি পরিবারের জন্য দীর্ঘ এক সংগ্রাম।

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ভ্রমণের সময় বাংলাদেশি শ্রমিকদের জীবন কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে। প্রচণ্ড গরমে কাজ করা মানুষ দেখেছি। ছয়-সাতজন পর্যন্ত একটি কক্ষে থাকেন এমন শ্রমিক দেখেছি। মাস শেষে বেতন পাওয়ার পরও তাদের হিসাব শেষ হয় না। দেশে পরিবারকে টাকা পাঠাতে হয়। একইসঙ্গে বিদেশে যাওয়ার জন্য নেওয়া ঋণের কিস্তি দিতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে সেই ঋণের সুদও দিতে হয়। অর্থাৎ একজন মানুষ বিদেশে গিয়ে শুধু নিজের জন্য উপার্জন করেন না। তার উপার্জনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে একটি পুরো পরিবার এবং সেই পরিবারের ভবিষ্যৎ।

এ বাস্তবতা মনে রেখেই মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে আমাদের বর্তমান আলোচনা করা দরকার। মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার। নির্মাণ, প্ল্যান্টেশন, ম্যানুফ্যাকচারিং ও সার্ভিস খাতে বহু বাংলাদেশি সেখানে কাজ করছেন। কিন্তু এই শ্রমবাজারে যাওয়ার পথটি বহুবার শ্রমিকের জন্য অস্বাভাবিক ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। ২০২২ সালে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আবার খোলার সময় একজন শ্রমিকের জন্য সরকারি অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল প্রায় ৭৯ হাজার টাকা। অথচ পরে বিভিন্ন গবেষণা ও প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাস্তবে একজন শ্রমিকের গড় খরচ প্রায় ৫ লাখ ৪৪ হাজার টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছিল। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরাও তখন একজন শ্রমিকের ৪,৫০০ থেকে ৬,০০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত খরচ হওয়ার অভিযোগের কথা উল্লেখ করেছিলেন।

এখানে আমাদের থামতে হবে এবং প্রশ্ন করতে হবে। সরকার যদি বলে একজন শ্রমিক প্রায় ৭৯ হাজার টাকায় বিদেশ যাবেন, তাহলে তাকে কেন পাঁচ লাখ বা তারও বেশি টাকা খরচ করতে হবে? অতিরিক্ত অর্থটি কোথায় যায়? কারা নেয়? কীসের বিনিময়ে নেয়? আর কেন রাষ্ট্র সেই অর্থের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না?

এসব প্রশ্নের গুরুত্ব বোঝার জন্য একজন সাধারণ শ্রমিকের জায়গায় নিজেকে বসাতে হবে। ধরা যাক একজন তরুণ মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য পাঁচ লাখ টাকা খরচ করলেন। তার পরিবারের সেই টাকা হয়তো ব্যাংকে ছিল না। জমি বিক্রি করতে হয়েছে। স্বজনদের কাছ থেকে ধার করতে হয়েছে, অথবা সুদে ঋণ নিতে হয়েছে। মালয়েশিয়ায় পৌঁছানোর পর তার প্রথম দায়িত্ব হয়ে দাঁড়ায় সেই ঋণ পরিশোধ করা। ফলে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগটি তার জন্য একইসঙ্গে একটি বড় ঋণের বোঝায় পরিণত হয়।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে আগের অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা। ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রায় সাড়ে চার লাখ বাংলাদেশি কর্মী মালয়েশিয়ায় যান। সেই সময় সীমিতসংখ্যক রিক্রুটিং এজেন্সিকে কেন্দ্র করে যে নিয়োগ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল তা নিয়ে অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়, মধ্যস্বত্বভোগী এবং সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। শেষ পর্যন্ত ২০২৪ সালের জুনে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ বন্ধ হয়ে যায়। অন্তত ১৬,৯৭০ জন বাংলাদেশি কর্মী বৈধ ভিসা, BMET clearance এবং বিমান টিকিট থাকার পরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মালয়েশিয়ায় যেতে পারেননি বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে আসে। কেউ হয়তো জমি বিক্রি করেছিলেন। কেউ ঋণ করেছিলেন। কেউ পরিবারের শেষ সঞ্চয়টি বিদেশ যাওয়ার জন্য ব্যবহার করেছিলেন। অথচ সব প্রস্তুতি শেষ করার পরও তারা যেতে পারেননি।

২০২৬ সালের জুলাইয়ে বর্তমান সরকার ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মালয়েশিয়া শ্রমবাজারের সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত নিয়োগ ফি আদায় ও শ্রমিকদের মালয়েশিয়ায় পাঠানোর ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগে মামলা ও তদন্তের কথাও প্রকাশ্যে এসেছে। রাষ্ট্র যখন নিজেই তদন্ত ও লাইসেন্স বাতিলের মতো ব্যবস্থা নিচ্ছে তখন এটা পরিষ্কার যে, আগের ব্যবস্থায় গুরুতর সমস্যা ছিল। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, আমরা কি সত্যিই সেই কাঠামো থেকে বের হয়ে এসেছি?

আগস্টে মালয়েশিয়ার Foreign Workers Centralised Management System বা FWCMS-এ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করা হয়। তখন কীভাবে ওই ২৫টি এজেন্সি কাজ করবে, চাকরির অর্ডার কীভাবে বণ্টন হবে এবং অন্যান্য লাইসেন্সধারী এজেন্সির ভূমিকা কী হবে, তা স্পষ্ট ছিল না। পরে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে মোট ৩৩৮টি এজেন্সি এ প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। এর মধ্যে ২৫টি সরাসরি নির্বাচিত এবং ৩১২টি সহযোগী এজেন্সি হিসাবে থাকবে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান BOESL-ও প্রক্রিয়ার অংশ হবে। এটি নিঃসন্দেহে আগের ২৫ এজেন্সিকেন্দ্রিক ব্যবস্থার তুলনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। কিন্তু এখানেই আসল প্রশ্ন শেষ হয় না। বরং শুরু হয়।

যদি ৩১২টি সহযোগী এজেন্সিকে কাজ করার জন্য ২৫টি মূল এজেন্সির মাধ্যমে যেতে হয়, তাহলে কার্যত নিয়ন্ত্রণ কোথায় থাকবে? যদি সহযোগী এজেন্সিগুলো নিজেদের লাইসেন্সের ভিত্তিতে সরাসরি চাকরির অর্ডার নিতে না পারে, তাহলে তারা কতটা স্বাধীনভাবে প্রতিযোগিতা করতে পারবে? সাম্প্রতিক সময়ে BAIRA-এর একদল সদস্যও সরকারকে একই ধরনের উদ্বেগ জানিয়ে সব যোগ্য এজেন্সির জন্য সরাসরি FWCMS access এবং সমান সুযোগের দাবি করেছেন।

আমার কাছে তাই বিষয়টি ২৫টি এজেন্সি বনাম ৩৩৮টি এজেন্সির সংখ্যা নয়। আসল বিষয় হলো নিয়ন্ত্রণের কাঠামো। সিন্ডিকেটের নাম পরিবর্তন করলেই সিন্ডিকেটের কাঠামো পরিবর্তন হয় না। কয়েকটি নতুন প্রতিষ্ঠান যুক্ত করলেই বাজার উন্মুক্ত হয়ে যায় না। প্রকৃত প্রতিযোগিতা তখনই হবে যখন যোগ্য ও বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো সমান সুযোগ পাবে এবং কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মাধ্যমে চাকরির অর্ডার, শ্রমিক নির্বাচন কিংবা অর্থ লেনদেনের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীভূত হবে না।

এখানে সরকারের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি শক্তিশালী এবং নিয়মতান্ত্রিক রিক্রুটিং শিল্প বাংলাদেশের প্রয়োজন। কিন্তু যে প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্র লাইসেন্স দিয়েছে, তাকে যদি কার্যকরভাবে কাজ করার সুযোগই না দেওয়া হয় তাহলে সেই লাইসেন্সের অর্থ কী? রাষ্ট্রের কাজ কোনো ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়া নয়। রাষ্ট্রের কাজ হলো এমন একটি নিয়ম তৈরি করা যেখানে প্রতিযোগিতা হবে এবং সেই প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হবে শ্রমিক।

সরকারকে কোনো সিন্ডিকেটের কাছে দুর্বল হওয়ার প্রয়োজন নেই। রাষ্ট্রের হাতে আইন আছে। প্রশাসন আছে। কূটনৈতিক শক্তি আছে। তথ্যপ্রযুক্তি আছে। রাষ্ট্র চাইলে একটি পুরোপুরি স্বচ্ছ ব্যবস্থা তৈরি করতে পারে। দরকার শুধু রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং প্রশাসনিক দৃঢ়তা।

প্রবাসী শ্রমিককে শুধু রেমিট্যান্স পাঠানোর একটি মাধ্যম হিসাবে দেখলে চলবে না। তিনি একজন নাগরিক। তার অধিকার আছে। তার নিরাপত্তার অধিকার আছে। বিদেশ যাওয়ার আগে প্রতারণার হাত থেকে সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার আছে। তিনি যে চাকরির জন্য টাকা দিচ্ছেন সেটি সত্যিই আছে কি না তা জানার অধিকার আছে। তিনি কত বেতন পাবেন, কোথায় থাকবেন, কী কাজ করবেন এবং মোট কত টাকা খরচ হবে সেটি জানার অধিকারও তার আছে।

এই জায়গায় প্রযুক্তি বড় ভূমিকা রাখতে পারে। প্রতিটি বিদেশি চাকরির জন্য একটি Unique Government Job ID চালু করা যেতে পারে। সেখানে নিয়োগকর্তার নাম, চাকরির ধরন, বেতন, ভিসার তথ্য, থাকার ব্যবস্থা, অনুমোদিত অভিবাসন ব্যয় এবং সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সির তথ্য থাকবে। একজন শ্রমিক বিদেশ যাওয়ার আগে নিজের মোবাইল ফোন থেকেই যাচাই করতে পারবেন তার চাকরিটি আসল কি না এবং তাকে কত টাকা দেওয়ার কথা।

আমি মনে করি মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু হওয়া বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। কিন্তু এ সুযোগ কোনোভাবেই পুরোনো ভুল পুনরাবৃত্তির সুযোগ হওয়া উচিত নয়। অতীতের আওয়ামী লীগ আমলে যে কাঠামো নিয়ে এত অভিযোগ উঠেছে, সেটি ভেঙে দিয়ে যদি একই ধরনের নিয়ন্ত্রণ নতুন নামে ফিরে আসে, তাহলে পরিবর্তনের অর্থ কী? আবার যদি ২৫টি মূল এজেন্সিকে কেন্দ্র করে ৩১২টি এজেন্সি কার্যত নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তাহলে সংখ্যার পরিবর্তন হলেও ক্ষমতার কাঠামো কতটা বদলেছে সেটি প্রশ্ন থেকেই যাবে। সরকারকে তাই শুধু এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করলেই হবে না। কে কীভাবে নির্বাচিত হলো, কীভাবে job order বণ্টন হবে, কে শ্রমিকের কাছ থেকে টাকা নিতে পারবে, কত টাকা নিতে পারবে, কোন পর্যায়ে কার দায়িত্ব এবং অভিযোগ হলে কে দায় নেবে সবকিছু প্রকাশ করতে হবে।

আর একটি বিষয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যারা অতীতে অনিয়মের অভিযোগে তদন্তাধীন বা যাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তাদের বিষয়ে আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত হতে হবে। একই ব্যক্তি, একই নেটওয়ার্ক বা একই নিয়ন্ত্রণ কাঠামো নতুন নামে ফিরে আসছে কি না সেটিও যাচাই করা দরকার। তবে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী হিসাবে চিহ্নিত করা উচিত নয়।

রাষ্ট্রের কাছে আমাদের প্রত্যাশা খুব সরল। প্রবাসীকে শুধু রেমিট্যান্স যোদ্ধা বলে প্রশংসা করলে হবে না। তার অধিকার রক্ষা করতে হবে। বিদেশ যাওয়ার খরচ কমাতে হবে। প্রতারণা বন্ধ করতে হবে। বৈধ এজেন্সিগুলোর মধ্যে প্রকৃত প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে। আর কোনো সিন্ডিকেট যদি তৈরি হয় বা পুরোনো কাঠামো নতুন নামে ফিরে আসার চেষ্টা করে, রাষ্ট্রকে সেখানেই দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে।

যে শ্রমিক নিজের পরিবার থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে গিয়ে প্রচণ্ড গরমে কাজ করেন, ছোট একটি ঘরে আরও কয়েকজনের সঙ্গে থাকেন, নিজের খরচ কমিয়ে দেশে টাকা পাঠান এবং একই সঙ্গে বিদেশ যাওয়ার সময় নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধ করেন, তার কাছে রাষ্ট্রের একটি দায়িত্ব আছে। সেই দায়িত্ব হলো তাকে আরেকটি ঋণের বোঝা দিয়ে বিদেশে পাঠানো নয়।

বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রবাসীর ঘামে শক্তিশালী হয়েছে। এখন রাষ্ট্রকে দেখাতে হবে, সেই প্রবাসীর স্বার্থে রাষ্ট্রও কতটা শক্তভাবে দাঁড়াতে পারে।

ব্যারিস্টার আব্বাস ইসলাম খান : রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে পুরোনো ভুলের পুনরাবৃত্তি রুখতে হবে

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে পুরোনো ভুলের পুনরাবৃত্তি রুখতে হবে

দীর্ঘ জীবনের সঙ্গে চাই সুস্থ জীবন

দীর্ঘ জীবনের সঙ্গে চাই সুস্থ জীবন

সিলিন্ডার বিস্ফোরণ : থামাতে হবে ব্যর্থতার শৃঙ্খল

সিলিন্ডার বিস্ফোরণ : থামাতে হবে ব্যর্থতার শৃঙ্খল

জনশক্তি রপ্তানির সম্ভাবনায় পরিকল্পিত উদ্যোগ দরকার

জনশক্তি রপ্তানির সম্ভাবনায় পরিকল্পিত উদ্যোগ দরকার

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম