এইচএসসির পুনঃনিরীক্ষণের ফল ২৩ নভেম্বর
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৬ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য ব্যাপক আবেদন জমা পড়েছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ২ লাখ ৯১ হাজার ২০৯ জন শিক্ষার্থী তাদের ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৪১৩টি উত্তরপত্র পুনরায় যাচাইয়ের আবেদন করেছেন।
এসব খাতা যাচাই করে আগামী ২৩ নভেম্বর ফল প্রকাশ করতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। অর্থাৎ মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে বিপুলসংখ্যক উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের কাজ শেষ করতে হবে।
রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে গণমাধ্যমের কাছে আবেদনের সর্বশেষ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।
শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত ১ নভেম্বর থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় আবেদন গ্রহণের সময় শেষ হয়েছে। নির্ধারিত আট দিনে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে প্রায় ২ লাখ ৯১ হাজার শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। তাদের আবেদনের বিপরীতে পুনঃনিরীক্ষা করতে হবে ১০ লাখ ৮৭ হাজারের বেশি খাতা।
এর আগে আবেদনের শেষ তারিখ ৭ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে সার্ভারজনিত সমস্যার কারণে শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে আবেদনের সময় একদিন বাড়িয়ে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত করা হয়।
এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হওয়ায় পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের পরিমাণও বেড়েছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। অন্যদিকে ফেল করেছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন। পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন।
গত ৩১ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এর পরদিন থেকেই ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ শুরু হয়।
তুলনামূলকভাবে গত দুই বছরের চেয়ে এবার পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের সংখ্যা অনেক বেশি। ২০২৫ সালে প্রায় ২ লাখ ২৬ হাজার শিক্ষার্থী ৪ লাখ ২৮ হাজার খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেছিলেন। ২০২৪ সালে আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৯৮ হাজার ১১৬ জন। ওই বছর পুনরায় যাচাইয়ের জন্য আবেদন করা হয়েছিল ৫ লাখ ৮ হাজার ১১৬টি উত্তরপত্রে।

