Logo
Logo
×

Advertisement

রাজধানী

‎ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট

‎পার্কিং নিয়ে বিরোধে জিম্মি রোগী ও স্বজনরা, ৮ ঘণ্টা অপেক্ষার পরও মেলেনি অ্যাম্বুলেন্স

Advertisement

মো. জহিরুল ইসলাম

মো. জহিরুল ইসলাম

প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০১ পিএম

‎পার্কিং নিয়ে বিরোধে জিম্মি রোগী ও স্বজনরা, ৮ ঘণ্টা অপেক্ষার পরও মেলেনি অ্যাম্বুলেন্স

ঢামেক হাসপাতালের নতুন ভবনের নিচ থেকে দাদি হালিমা বেগমের লাশ পিকআপ ভ্যানে করে মাওয়ায় নিয়ে যাচ্ছেন নাতি মানিক। ছবি যুগান্তর।

Advertisement

স্বজন হারানোর শোকের মধ্যেও শেষ বিদায়ের ব্যবস্থা করতে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা। হাসপাতালের মেঝে ও বারান্দায় অসহায় স্বজনদের ছোটাছুটি, একের পর এক অ্যাম্বুলেন্স খুঁজেও না পাওয়া। শেষ পর্যন্ত প্রিয়জনের মরদেহ বাড়িতে নিতে ভরসা করতে হয়েছে পিকআপ ভ্যান, রিকশা, ভ্যান কিংবা সিএনজিচালিত অটোরিকশার ওপর। গুরুতর অসুস্থ রোগীকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করতেও পড়তে হয়েছে চরম বিপাকে। 

পার্কিংয়ের দাবিতে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের দিনব্যাপী ধর্মঘটে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালজুড়ে এমন মানবিক সংকটের সৃষ্টি হয়। সরেজমিনে সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দেখা যায়, পরিবহনসংকটে রোগী ও স্বজনরা প্রায় দিশেহারা। কেউ চার-পাঁচ ঘণ্টা, কেউ সাত থেকে আট ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে বিকল্প যানবাহনে রোগী ও লাশ নিয়ে গন্তব্যে রওনা হন।

‎মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল থেকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেট, কলেজ গেট, নতুন ভবনসহ আশপাশের এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও অনেক চালক রোগী পরিবহন করেননি। অভিযোগ রয়েছে, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ধর্মঘটে অংশ নেওয়া মালিক সমিতির অ্যাম্বুলেন্স এবং অন্য অ্যাম্বুলেন্স হাসপাতালে প্রবেশ করতে পারেনি। সরকারি অ্যাম্বুলেন্সগুলোকেও তেমন রোগী পরিবহন করতে দেখা যায়নি। ফলে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন ঢাকার বাইরে থেকে আসা রোগী এবং স্বজন হারানো পরিবারগুলো। গুরুতর অসুস্থ রোগীকে সময়মতো অন্য হাসপাতালে নিতে না পেরে উদ্বেগে কাটে স্বজনদের সময়। অন্যদিকে, লাশ বাড়িতে নেওয়ার জন্য দীর্ঘ অপেক্ষার পরও অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে অনেকে পিকআপ ভ্যান, রিকশা, ভ্যান ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার ব্যবস্থা করেন।

‎নারায়ণগঞ্জের মো. শাহীন তার ৭০ বছর বয়সী দাদি হালিমা বেগমকে সোমবার ঢামেক হাসপাতালের নতুন ভবনের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করিয়েছিলেন। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে তিনি মারা যান। দাদির লাশ নিয়ে মাওয়ায় যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স খুঁজতে থাকেন শাহীন। কিন্তু তিন ঘণ্টার বেশি সময় অপেক্ষা করেও কোনো অ্যাম্বুলেন্স পাননি। স্বজন হারানোর শোকের মধ্যে মরদেহ নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে না পেরে চরম অসহায় অবস্থায় পড়েন তিনি।

‎মো. শাহীন যুগান্তরকে বলেন, সরকারি হাসপাতালে এসেও এমন বিপদে পড়তে হবে, তা কখনো ভাবেননি। দাদি মারা যাওয়ার পর তিন ঘণ্টার বেশি সময় ধরে অ্যাম্বুলেন্স খুঁজেও পাননি। সরকারি অ্যাম্বুলেন্সও চোখে পড়েনি। তার মতো আরও অনেকেই একই দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত সন্ধ্যা ৭টার দিকে চানখারপুল মোড় থেকে একটি পিকআপ ভ্যান ভাড়া করে দাদির লাশ নিয়ে মাওয়ার উদ্দেশে রওনা হন তিনি। এ সময় তিনি বলে যান এর দায় সরকার এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে।

‎একই ধরনের পরিস্থিতিতে পড়েন যাত্রাবাড়ীর মোহাম্মদ মনির হোসেন। তার বড় ভাগিনা মো. রাসেল (২২) পেটে ব্যথা নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢামেক হাসপাতালে আনা হয়। নতুন ভবনের মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে রাসেল মারা যায়। এরপর লাশ নিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স খুঁজতে থাকেন মনির হোসেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কোনো অ্যাম্বুলেন্স পাননি।

‎মনির হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে যুগান্তরকে বলেন, হাসপাতালের একজন চিকিৎসক তাদের ভ্যানে করে লাশ নিয়ে যেতে বলেছেন। স্বজন হারানোর শোকের মধ্যে লাশ নেওয়ার গাড়ি না পেয়ে অসহায়ের মতো বসে থাকতে হয়েছে। এত বড় সরকারি হাসপাতালে এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হবে, তা কল্পনাও করেননি তিনি। প্রিয়জনকে হারানোর পর শেষ বিদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবহনটুকু না পেয়ে তার পরিবারকে আরও দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়।

‎অন্যদিকে, গুরুতর আহত শাশুড়িকে নিয়ে খুলনা থেকে ঢামেক হাসপাতালে আসেন আব্দুল আহাদ। পরে তার শাশুড়িকে কিডনি হাসপাতালে রেফার করা হয়। দুপুর থেকে রোগীকে অন্য হাসপাতালে নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স খুঁজলেও তিনি তা পাননি। সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়া এবং বিকল্প পরিবহনের ব্যবস্থা করতে না পারায় উদ্বেগের মধ্যে সময় কাটে তার।   

‎আব্দুল আহাদ যুগান্তরকে বলেন, সরকারি অ্যাম্বুলেন্সও পাওয়া যাচ্ছে না, কেউ কোনো সমাধান দিতে পারছেন না। গুরুতর অসুস্থ রোগীকে নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হচ্ছে। সময়মতো অন্য হাসপাতালে নিতে না পারলে রোগীর অবস্থা আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একদিকে রোগীর গুরুতর অবস্থা, অন্যদিকে পরিবহনসংকট—সব মিলিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন তিনি।

‎হাসপাতাল প্রাঙ্গণে শুধু এই তিনজনই নন, আরও অনেক রোগী ও স্বজনকে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢামেক হাসপাতালের কয়েকজন কর্মচারী জানান, সকাল থেকে রোগী ও লাশ নিয়ে যেতে ভোগান্তিতে পড়েন অনেকে। কেউ অটোরিকশা, কেউ সিএনজিচালিত অটোরিকশা, আবার কেউ পিকআপ ভ্যানে করে রোগী কিংবা লাশ নিয়ে যান। হাসপাতালের বাইরে থেকেও কিছু অ্যাম্বুলেন্স এলেও রোগী ও স্বজনরা কাঙ্ক্ষিত পরিবহন পাচ্ছিলেন না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করতে পারেননি। 

তাদের মতে, এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উচিত অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসে দ্রুত সমাধান করা। পার্কিং নিয়ে বিরোধের কারণে যেন রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি না হয়, সে জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপরও জোর দেন তারা।    

‎পার্কিং নিয়ে বিরোধে ধর্মঘট

‎মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢামেক হাসপাতাল বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাদাত হোসেন ধর্মঘটের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি যুগান্তরকে জানান, হাসপাতালের নতুন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মো. ফরহাদ হোসেন দায়িত্ব নেওয়ার পর হাসপাতাল থেকে তাদের সব অ্যাম্বুলেন্স বের করে দেওয়া হয়। পরে নতুন ভবনের নিচে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করতে তাদের দিয়ে জায়গাটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করানো হয়। সেখানে সিসি ক্যামেরা, লাইট ও গেট স্থাপন করা হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সেখান থেকেও তাদের গাড়ি সরিয়ে দেওয়া হয়।

‎শাহাদাত হোসেন বলেন, রাস্তায় অ্যাম্বুলেন্স রাখলেও পুলিশের সার্জেন্ট মামলা দেন। হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স রাখার ব্যবস্থা করতে তারা কয়েক লাখ টাকা খরচ করেছেন। এমন পরিস্থিতিতে নিরুপায় হয়ে পার্কিংয়ের দাবিতে ধর্মঘট পালন করছেন। বর্তমানে ঢামেক হাসপাতাল থেকে তাদের সব অ্যাম্বুলেন্সের চলাচল বন্ধ রয়েছে। নতুন ভবনের নিচে যে জায়গায় তারা পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করেছিলেন, সেখানে প্রতিটি গাড়ির বিপরীতে সরকারকে রাজস্ব দিতেও তারা রাজি। পার্কিংয়ের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে বলে জানান তিনি।

‎সরেজমিনে সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দেখা যায়, হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেট, কলেজ গেট, নতুন ভবন ও আশপাশের এলাকায় অ্যাম্বুলেন্সের সংকটে রোগী ও স্বজনরা দিশেহারা হয়ে পড়েন। অ্যাম্বুলেন্স চালকদের অনেককে অবস্থান করতে দেখা গেলেও তারা রোগী পরিবহন করেননি। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ধর্মঘটে অংশ নেওয়া মালিক সমিতির অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া বাইরের কোনো অ্যাম্বুলেন্স হাসপাতালে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। সরকারি অ্যাম্বুলেন্সগুলোও প্রয়োজনের তুলনায় সীমিতভাবে রোগী পরিবহন করছিল। ফলে ঢাকার বাইরে রোগী স্থানান্তর এবং লাশ নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সংকট ছিল সবচেয়ে বেশি। চার-পাঁচ ঘণ্টা থেকে সাত-আট ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে অনেকে বিকল্প যানবাহনে গন্তব্যে যেতে বাধ্য হন।

‎এ বিষয়ে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ফরহাদ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় এবং হোয়াটসঅ্যাপে খুদে বার্তা পাঠানো হয়। তবে তিনি সাড়া দেননি।

‎রোগী ও লাশ পরিবহনে ভোগান্তির বিষয়ে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন মোস্তাক আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রোগীদের একরকম জিম্মি করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হলেও তাদের নেওয়া হয়নি। পরে শাহবাগ থানাকে বিষয়টি জানিয়ে সহযোগিতা চাওয়া হয়। এরপর বাইরের যেকোনো অ্যাম্বুলেন্স হাসপাতালে প্রবেশ করে রোগী নিতে পারবে বলে ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে এরই মধ্যে সারাদিন রোগী ও স্বজনদের বড় ধরনের ভোগান্তি হয়েছে।   

‎তিনি বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সচালক, মালিক সমিতি কিংবা অ্যাপসভিত্তিক সেবার বিপক্ষে নয়। তারা চান, ভাড়া যৌক্তিক হোক এবং অ্যাম্বুলেন্সের অ্যাপ, চালক ও সিরিয়ালসহ সবকিছু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হোক। এ বিষয়ে মঙ্গলবার শাহবাগ থানার সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির বৈঠকের কথা রয়েছে। সেখানে সমাধান না হলে বুধবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মালিক সমিতির সঙ্গে আলোচনায় বসবে বলে জানান তিনি।  

‎সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের সীমাবদ্ধতার বিষয়ে মোস্তাক আহমেদ বলেন, সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে লাশ এবং ঢাকার বাইরে রোগী পরিবহন করা হয় না। ঢাকার মধ্যে রোগী পরিবহনের জন্যও তাদের অ্যাম্বুলেন্সের সংখ্যা কম। তাই সীমিত পরিসরে রোগী পরিবহন করা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বুধবারের মধ্যে এ বিষয়ে একটি ভালো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির প্রতি রোগী ও স্বজনদের কোনো ধরনের ভোগান্তিতে না ফেলার আহ্বান জানান তিনি।

‎পার্কিং নিয়ে মালিক সমিতি ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরোধে দিনভর চরম দুর্ভোগের শিকার হন সাধারণ মানুষ। একদিকে প্রিয়জন হারানোর শোক, অন্যদিকে গুরুতর অসুস্থ রোগীকে সময়মতো অন্য হাসপাতালে নেওয়ার তাগিদ—সব মিলিয়ে ঢামেক হাসপাতাল প্রাঙ্গণে দেখা যায় অসহায়ত্বের চিত্র। ধর্মঘটের কারণে হাসপাতালের স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি রোগী স্থানান্তর ও লাশ পরিবহনেও সংকট তৈরি হয়। পার্কিং নিয়ে বিরোধের প্রভাব পড়ে রোগী ও স্বজনদের ওপর। এই দুর্ভোগ নিরসনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির মধ্যে দ্রুত সমঝোতা এবং রোগী পরিবহনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

লঞ্চে গুরুতর অসুস্থ যাত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাল কোস্টগার্ড

লঞ্চে গুরুতর অসুস্থ যাত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাল কোস্টগার্ড

ঢামেকের জরুরি বিভাগে ভুয়া চিকিৎসক আটক

ঢামেকের জরুরি বিভাগে ভুয়া চিকিৎসক আটক

‎ঢামেকে চিকিৎসা নিতে এসে রোগীর স্বজনদের ওপর হামলার অভিযোগ

‎ঢামেকে চিকিৎসা নিতে এসে রোগীর স্বজনদের ওপর হামলার অভিযোগ

মধ্যরাতে ৯৯৯-এ ফোনকল, বাসা থেকে নারীর চার টুকরা লাশ উদ্ধার

মধ্যরাতে ৯৯৯-এ ফোনকল, বাসা থেকে নারীর চার টুকরা লাশ উদ্ধার

সাজেকে রোববার থেকে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধের ডাক

সাজেকে রোববার থেকে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধের ডাক

‘পৃথিবী ছেড়ে যেতে ইচ্ছে করে না কিন্তু টাকা নেই’

ঢামেক মর্গে প্রেমিক-প্রেমিকার লাশ ‘পৃথিবী ছেড়ে যেতে ইচ্ছে করে না কিন্তু টাকা নেই’

আরও পড়ুন

‎ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ‎পার্কিং নিয়ে বিরোধে জিম্মি রোগী ও স্বজনরা, ৮ ঘণ্টা অপেক্ষার পরও মেলেনি অ্যাম্বুলেন্স

‎পার্কিং নিয়ে বিরোধে জিম্মি রোগী ও স্বজনরা, ৮ ঘণ্টা অপেক্ষার পরও মেলেনি অ্যাম্বুলেন্স

গুলশানের রেস্টুরেন্টে ৪ কোটি টাকার বিদেশি মদ-বিয়ার জব্দ

গুলশানের রেস্টুরেন্টে ৪ কোটি টাকার বিদেশি মদ-বিয়ার জব্দ

ঢাকায় কাশ্মীরের কালো দিবসে পালিত

ঢাকায় কাশ্মীরের কালো দিবসে পালিত

ঢাকায় তিন দিনব্যাপী পর্যটন মেলা, অংশ নেবে ২০টির বেশি দেশ

ঢাকায় তিন দিনব্যাপী পর্যটন মেলা, অংশ নেবে ২০টির বেশি দেশ

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম