নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে ফের হামলার অভিযোগ
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৭ পিএম
ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টের ইসিবি চত্বর এলাকায় নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে দ্বিতীয় দফায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নারীসহ ১৪ জনকে আটক করে ক্যান্টনমেন্ট থানার নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিউগিনি আবাসন প্রকল্পের মালিক মো. নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, নারীসহ প্রায় শতাধিক মানুষ দলবদ্ধভাবে প্রবেশ করছে প্রকল্পের ভেতরে। তাদের অধিকাংশের মুখে ছিল কালো মাস্ক। এ সময় প্রকল্পের সীমানা প্রচীর ধরে ওপরে উঠতে দেখা যায় বেশ কয়েকজনকে। এ সময় প্রকল্পের ভেতরে থাকা শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করে নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে প্রবেশ করতে দেখা যায়।
প্রকল্পের মালিক মো. নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া যুগান্তরকে বলেন, প্রথমবার হামলার ঘটনার পর বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতিকারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের জেলেও পাঠানো হয়। তারা জেল থেকে বের হয়ে নতুন করে আবার আমার প্রকল্পে হামলা করেছে। হামলার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে এসেছিল। তারা সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। পুলিশ আমাকে আশ্বস্ত করেছে, হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
ক্যান্টনমেন্ট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শিল্পী বলেন, ১৩-১৪ জনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে।
এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে নিউগিনি প্রপার্টিজের আবাসন প্রকল্পে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। ওই সময় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতেও ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সালমান মুক্তাদির বেশ কিছু করা ভিডিও প্রকাশ করেন। তার ভিডিও প্রকাশের পর দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়।
হামলার অভিযোগে আবাসন প্রকল্পের পক্ষ থেকে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করা হয়। মামলার পর অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় প্রধান আসামিসহ ১১ জনকে। যদিও হামলার ঘটনার অন্যতম সমন্বয়ক হিসেবে চিহ্নিত মো. যুবরাজকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, মিরপুরের দুটি সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে হামলার সমন্বয় করেন কিলার ইব্রাহিমের বাহিনীর সদস্য যুবরাজ। মূলত হামলার দিন ইসিবি চত্বরের একটি খাবারের দোকানে বসে ১৩ জন হামলার পরিকল্পনা করেন। এ সময় মামলার ১ নম্বর আসামি শাহরিয়ার মাহমুদ মো. ইব্রাহিমের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামলার জন্য এক কোটি টাকার চুক্তি করেন। পরে ইব্রাহিম লোকজন সংগ্রহ করে হামলার দায়িত্ব দেন যুবরাজকে।

