Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

বাস কাউন্টার দখল নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২৫

Advertisement

Icon

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৫, ১১:২০ এএম

বাস কাউন্টার দখল নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২৫

ছবি: যুগান্তর

Advertisement

লক্ষ্মীপুরে বাস কাউন্টার দখলকে কেন্দ্র করে যুবদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।           

বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাত ৮টার সময় জেলা শহরের ঝুমুর ও মটকা মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ফের সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় লোকজন।

সংঘর্ষে আহতরা হলেন- শুভ, রাকিব, ফরহাদ, মো. জাহাঙ্গীর আলম, আবদুল কাদের, মিজান মোল্লা, মো. দিপু, রাফি, রাতুল, শিপু, নাঈম হোসেনসহ ২৫ জন। তারা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। আহদের মধ্যে জাহাঙ্গীরের মাথা ফেটে যাওয়ায় তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সম্ভাব্য সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী তারেক ও জাহাঙ্গীরের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে। বুধবার সন্ধ্যার পর চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী বাস শাহী ও জোনাকী পরিবহনের টিকিট বিক্রিকে কেন্দ্র করে ঝুমুর এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। সেখানে শাহী কাউন্টারের দায়িত্বে রয়েছেন তারেক। কথা কাটাকাটির সময় জোনাকী কাউন্টারের পক্ষে ঘটনাস্থলে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে যান জাহাঙ্গীর। 

জাহাঙ্গীরের অনুসারী যুবদল কর্মী মিজান মোল্লা জানান, জাহাঙ্গীরসহ তারা ঝুমুর এলাকায় গেলে রাত ৮টায় তারেকের নেতৃত্বে কর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালান। পরে মটকা মসজিদ এলাকায় অবস্থান নিলে সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।

ঘটনার পর আহতদের সদর হাসপাতালে দেখতে যান জেলা যুবদলের সভাপতি আবদুল আলীম হুমায়ূন ও সাধারণ সম্পাদক রশিদুল হাসান লিংকন। হুমায়ূন বলেন, জাহাঙ্গীর ও তারেক পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী। কিন্তু কমিটি ঘোষণা স্থগিত রাখা রয়েছে। এ দুই প্রার্থীর মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ ছিল। এর জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে হামলার ঘটনা ঘটেছে। তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা অরুপ পাল জানান, আহতদের মধ্যে ১৯ জন হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিয়েছেন।

সদর মডেল থানার ওসি আব্দুল মোন্নাফ বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম