বিএসএফের গুলিতে আহত যুবক রমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
রংপুর ব্যুরো
প্রকাশ: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৫ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রংপুর বিভাগের লালমনিরহাট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফের গুলিতে মো. রনি নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রমেক) ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে বিজিবির তত্ত্বাবধানে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টায় দৈখাওয়া সীমান্তে ওই যুবক গুলিবিদ্ধ হন।
ঘটনার সময় লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনে লালমনিরহাট জেলার থানা হাতিবান্ধার দৈখাওয়া বিওপির গোতামারী ইউনিয়নে একটি টহল দল টহল দিচ্ছিল। টহল দল হঠাৎ গুলির শব্দ শুনতে পায়। তাৎক্ষণিকভাবে টহল দল সীমান্ত পিলার নং-৯০২-এর নিকটবর্তী এলাকায় গিয়ে দেখেন কয়েকজন লোক ছোটাছুটি করছেন এবং গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তিকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।
এরপর গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে বিজিবির তত্ত্বাবধানে অ্যাম্বুলেন্সে করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
জানা গেছে, আহত মো. রনি (২২) গোতামারীর মো. হারুন অর রশিদের ছেলে। এর আগে ২২ ডিসেম্বর মাদকের চোরাচালান সীমান্ত থেকে গোপনে আনতে গিয়ে ওই যুবক বিএসএফের ছররা গুলিতে আহত হন। পরে আত্মগোপনে চলে যান। তার বাড়িতে পুলিশ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে খুঁজে পায়নি। তিনি পলাতক অবস্থায় থাকেন। পরে সুস্থ হলে পুনরায় মাদকের চোরাচালানের জন্য মঙ্গলবার একই স্থানে সীমান্তের জিরো পয়েন্টে গেলে বিএসএফের গুলিতে তিনি আহত হন।
বিজিবির লালমনিরহাট ১৫ ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অত্যন্ত হতাশাজনক। তিনি স্থানীয় জনসাধারণ এবং জনপ্রতিনিধিদের সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধের লক্ষ্যে সর্বদা বিজিবিকে সহায়তা করার জন্য আহ্বান জানান।
