Logo
Logo
×

Advertisement

শেষ পাতা

শান্তির উদ্যোগ আস্থা পায়নি

নেসারুল হক খোকন

নেসারুল হক খোকন

প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

শান্তির উদ্যোগ আস্থা পায়নি

Advertisement

পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি এসেছিল বন্দুকের বদলে সংলাপের পথ ধরে। ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর রাষ্ট্রের সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস) শান্তিচুক্তি সেই প্রত্যাশাই তৈরি করেছিল। কিন্তু চুক্তির প্রায় তিন দশক পরও পাহাড়ে শান্তির প্রশ্নে রয়ে গেছে বড়সড় ফাঁক। জমির মালিকানা অনির্ধারিত, ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি থমকে, বাস্তুচ্যুত মানুষের পুনর্বাসন অসম্পূর্ণ। প্রশাসনিক ক্ষমতা ও প্রতিনিধিত্ব নিয়েও বিতর্ক কাটেনি।

প্রশ্ন উঠছে, যে চুক্তি পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ দেখানোর কথা ছিল, তার মৌলিক প্রতিশ্রুতিগুলোই কেন এখনো পূর্ণতা পায়নি। এমনকি স্থানীয় প্রশাসনে ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়েও রয়ে গেছে জট। ফলে শান্তির প্রতিশ্রুতি থাকলেও পাহাড়ে স্থায়ী আস্থা ফেরেনি।

‘চট্টগ্রাম হিলট্রাক্টস (সিএইচটি) সম্প্রীতি জোট’র আহ্বায়ক প্রকৌশলী থোয়াইচিং মং শাক বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৪টি জাতিগোষ্ঠীর স্বতন্ত্র পরিচয় রয়েছে। সবাইকে ‘আদিবাসী’ পরিচয়ে চিহ্নিত করার বিরোধিতা করে তিনি বলেন, আমরা সবাই বাংলাদেশি। তার মতে, স্বতন্ত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতির অভাব ও পাহাড়িদের ঢালাওভাবে ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়ার প্রবণতা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার সুযোগ দিচ্ছে।

তিনি বলেন, গত ৫৫ বছরে কোনো সরকারই পাহাড়ের সংকট যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে সমাধান করেনি। পাহাড়ি-বাঙালির সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন বাড়াতে হবে। তার অভিযোগ, পার্বত্য চট্টগ্রামে নাগরিক সনদ পেতেও হেডম্যান-কারবারির প্রত্যয়ন লাগে। এক দেশে দুই ধরনের আইন চলতে পারে না। সবাইকে সমান আইনি ও নাগরিক সুবিধা দিতে হবে। তিনি বলেন, অবৈধ অস্ত্র ও চাঁদাবাজিতে পাহাড়ের মানুষ জিম্মি। তার দাবি, ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মানুষ শান্তিতে থাকতে চান; মুষ্টিমেয় সশস্ত্র গোষ্ঠী অশান্তি তৈরি করছে।

তথ্যানুসন্ধানে দেখা গেছে, শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে সরকারি হিসাবেও অসম্পূর্ণতার চিত্র রয়েছে। ২০২২ সালের ২৫ নভেম্বর প্রকাশিত শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে ৬৫টি বাস্তবায়িত, তিনটি আংশিক বাস্তবায়িত এবং চারটির বাস্তবায়ন কার্যক্রম চলমান ছিল। অর্থাৎ অধিকাংশ ধারা বাস্তবায়িত হওয়ার দাবি থাকলেও ভূমি, পুনর্বাসন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে জট রয়ে গেছে।

চার দশকেও হয়নি ভূমি জরিপ : পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠার সবচেয়ে জটিল প্রশ্নগুলোর একটি জমির মালিকানা। কার জমি কোথায়, কার দখলে কতটুকু জমি, কে প্রকৃত মালিক; এসব বিরোধের নির্ভরযোগ্য নিষ্পত্তির জন্য ভূমি জরিপ জরুরি। অথচ সেই জরিপই কয়েক দশক ধরে আটকে আছে। যুগান্তরের হাতে আসা নথিপত্রে দেখা গেছে, ১৯৮৬ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রথম ভূমি জরিপ শুরু হয়।

ওই সময় রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া থেকে দুজন সরকারি কর্মচারী অপহৃত হওয়ার পর জরিপ বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৯২ সালে আবার জরিপ শুরু হলে তিনজন সরকারি কর্মচারী অপহরণের শিকার হন। এরপর দ্বিতীয় দফায়ও কাজ স্থগিত হয়ে যায়। নথিতে আরও বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে তৎকালীন পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি খাদেমুল ইসলামের উদ্যোগও বিরোধিতার মুখে এগোয়নি।

অথচ ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য কমিশন গঠন করা হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ‘ঘ’ খণ্ডের ৪ ধারায় পাহাড়ের ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি এবং প্রত্যাবাসিত শরণার্থীদের জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত মীমাংসার অঙ্গীকার রয়েছে। কিন্তু ভূমির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে জরিপ না হওয়ায় কমিশনের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এখানে সংকট শুধু পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জমির মালিকানা নয়। দীর্ঘদিনের বিরোধে পাহাড়ি-বাঙালি উভয় জনগোষ্ঠীর জমির অধিকার, বসতি ও নিরাপত্তার প্রশ্ন জড়িয়ে আছে। ফলে নিরপেক্ষ জরিপ, প্রকৃত মালিকানা যাচাই এবং আইনসম্মত নিষ্পত্তি ছাড়া স্থায়ী সমাধানের পথ তৈরি হবে না।

উদ্বাস্তু পুনর্বাসনেও বৈষম্যের বিতর্ক : শান্তিচুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি ছিল বাস্তুচ্যুত মানুষের পুনর্বাসন। চুক্তির ‘ঘ’ খণ্ডের ২ ধারায় শরণার্থী ও অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তুদের যাচাই-বাছাই করে পুনর্বাসনে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ভূমি নিষ্পত্তি কমিশনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু শনাক্তকরণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক টাস্কফোর্স গঠন করা হয়।

কিন্তু সরেজমিন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পুনর্বাসনের আওতায় কাদের অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু হিসাবে বিবেচনা করা হবে, তা নিয়ে মতবিরোধ আছে। ২০২৩ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর টাস্কফোর্সের ১১তম সভায় চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় শুধু ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষকে শরণার্থী ও অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু হিসাবে বিবেচনার পক্ষে বক্তব্য দেন। অন্যদিকে সরকারের মনোনীত সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালিদেরও অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে ছিলেন।


এ বিতর্কে পুনর্বাসন কার্যক্রমের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে করেন অনেকে। অনেকের প্রশ্ন, বাস্তুচ্যুত হওয়ার অভিজ্ঞতা ও ক্ষতির ভিত্তিতে পুনর্বাসনের অধিকার নির্ধারিত হবে, নাকি জাতিগত পরিচয়ই হবে বিবেচনার প্রধান মাপকাঠি? রাষ্ট্রের দায়িত্ব হওয়া উচিত, ক্ষতিগ্রস্ত সব নাগরিকের ন্যায়সংগত অধিকার নিশ্চিত করা।

জমির অধিকার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও ঝুলে আছে : শান্তিচুক্তির ‘ঘ’ খণ্ডের ৩ ধারায় ভূমিহীন অথবা দুই একরের কম জমির মালিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পরিবারকে ভূমির মালিকানা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। স্থানীয় এলাকায় জমির প্রাপ্যতা সাপেক্ষে পরিবারপ্রতি দুই একর জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার বিষয়টিও এতে রয়েছে। কিন্তু এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্যও ভূমি জরিপ প্রয়োজন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীর বাধার মুখে ভূমি কমিশন জরিপ সম্পন্ন করতে না পারায় ধারাটির বাস্তবায়ন আটকে আছে। অন্যদিকে চুক্তির ‘খ’ খণ্ডের ২৬ ধারায় পার্বত্য জেলা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া নির্দিষ্ট শ্রেণির জমি ক্রয়-বিক্রয় বা হস্তান্তর না করার বিধান রয়েছে। কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ডুবে যাওয়া জমির মূল মালিকদের জমি ফেরত দেওয়ার বিষয়টিও এতে অন্তর্ভুক্ত।

কিন্তু এসব ক্ষেত্রে ভূমির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ এবং জরিপ সম্পন্ন না হওয়ায় বাস্তবায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা। অর্থাৎ ভূমি জরিপের অনুপস্থিতি শুধু একটি প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়; এটি জমির মালিকানা, পুনর্বাসন, ক্ষতিপূরণ এবং ভবিষ্যৎ ভূমি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

ক্ষমতা হস্তান্তর ও প্রতিনিধিত্ব নিয়েও প্রশ্ন : শান্তিচুক্তিতে পার্বত্য জেলা পরিষদ ও আঞ্চলিক পরিষদকে অধিকতর কার্যকর করার অঙ্গীকার রয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ভূমি ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষমতা ও দায়িত্ব বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। চুক্তির ‘খ’ খণ্ডের ২৪ ধারায় পার্বত্য জেলা পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর ও তার নিচের পদগুলোতে নিয়োগের দায়িত্ব জেলা পরিষদের হাতে দেওয়ার কথা রয়েছে।

নিয়োগে সংশ্লিষ্ট জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রাধান্যের বিধানও রয়েছে। এই ধারার বাস্তবায়ন কার্যক্রম এখনো চলমান। জেলা পরিষদের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগে ৭০ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী থেকে নিয়োগের তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে মূল প্রশ্ন, স্থানীয় প্রশাসনে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি সব জনগোষ্ঠীর ন্যায়সংগত অংশগ্রহণ ও নাগরিক অধিকার কীভাবে নিশ্চিত হবে। পাহাড়ে বসবাসকারী পাহাড়ি ও বাঙালি; উভয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে আস্থা তৈরি না হলে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে না।

সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার ও নিরাপত্তার প্রশ্ন : শান্তিচুক্তির ‘ঘ’ খণ্ডের ১৭ ধারায় জনসংহতি সমিতির সদস্যদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার পর সীমান্ত রক্ষী বাহিনী ও স্থায়ী সেনানিবাস ছাড়া সেনাবাহিনী, আনসার এবং গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্প পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। পরিত্যক্ত জায়গা প্রকৃত মালিক অথবা পার্বত্য জেলা পরিষদের কাছে হস্তান্তরের বিধানও রয়েছে।

জনসংহতি সমিতির সদস্যদের একাংশ স্বাভাবিক জীবনে ফিরলেও সংগঠনটির সশস্ত্র কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। অন্যদিকে চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য রয়ে গেছে। এখানে নিরাপত্তা ও চুক্তি বাস্তবায়নকে পরস্পরের প্রতিপক্ষ হিসাবে দেখার সুযোগ নেই। একই সঙ্গে চুক্তির আওতায় অস্ত্র সমর্পণ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার শর্ত কতটা পূরণ হয়েছে, তারও নিরপেক্ষ মূল্যায়ন জরুরি।

স্থায়ী শান্তি ও আস্থার নতুন উদ্যোগ : পাহাড়ের মানুষ শান্তি চায়। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এক পক্ষের কাছে চুক্তির অসম্পূর্ণ বাস্তবায়ন প্রধান সমস্যা। অন্য পক্ষের কাছে ভূমি, নিরাপত্তা ও সমঅধিকারের প্রশ্নগুলো সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই বিরোধের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা চাপা পড়ে যাচ্ছে। পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রথমেই প্রয়োজন ভূমি জরিপ সম্পন্ন করা, ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনকে কার্যকর করা এবং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন নিশ্চিত করা।

পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও পরিষদে প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, সব জনগোষ্ঠীর সমঅধিকার এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি দীর্ঘদিনের। শান্তিচুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে কতটি বাস্তবায়িত হয়েছে, সেই সংখ্যাগত হিসাবের চেয়ে বড় প্রশ্ন হলো-চুক্তির সুফল সাধারণ মানুষ কতটা পাচ্ছে। পাহাড়ের মানুষ কি নিজের জমির মালিকানা নিশ্চিত করতে পারছে? বাস্তুচ্যুত পরিবার কি ফিরতে পারছে স্বাভাবিক জীবনে? স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কি জনগণের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে? শুধু চুক্তির ধারা বাস্তবায়নের পরিসংখ্যান দিয়ে শান্তির সাফল্য মাপা যাবে না। পাহাড়ের মানুষের নিরাপত্তা, ভূমির অধিকার, ন্যায়বিচার ও সমঅধিকার নিশ্চিত হলেই শান্তিচুক্তির প্রকৃত সার্থকতা মিলবে।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

আইসিসিডিআর,বি-স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা প্রতি কেজি সাদা ভাতে ৩০৫ মাইক্রোগ্রাম সিসা

প্রতি কেজি সাদা ভাতে ৩০৫ মাইক্রোগ্রাম সিসা

কচুরিপানার নতুন পরিচয়

কচুরিপানার নতুন পরিচয়

রহস্যজনক ভূমিকায় বিআইডব্লিউটিএ পদ্মার ছয় মৌজায় অবাধে বালু ও মাটি লুট

পদ্মার ছয় মৌজায় অবাধে বালু ও মাটি লুট

ঢাকা জেলা পরিষদ টাওয়ার নির্মাণে দুর্নীতি তদন্তে দুদককে সুপারিশ

নির্মাণে দুর্নীতি তদন্তে দুদককে সুপারিশ

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম