তারেক রহমানকে দেখতে গিয়ে মৃত্যু, সেই বিএনপি নেতার পরিবারের পাশে মজনু
ছাগলনাইয়া (ফেনী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
জীবনে শেষবারের মতো সামনাসামনি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেখতে চেয়েছিলেন প্রবীণ বিএনপি নেতা সাহাব উদ্দিন (৭৫); কিন্তু স্টেজের সামনে যাওয়ার আগেই স্ট্রোক করে পড়ে যান তিনি। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা যান তিনি। তার পরিবারের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন ফেনী-১ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মুন্সি রফিকুল আলম মজনু।
সাহাব উদ্দিন ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার শুভপুর ইউনিয়ন ৩নং ওয়ার্ড (সোনাপুর) বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলেন।
মঙ্গলবার দুপুরে সোনাপুর গ্রামে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।
জানাজায় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য আবদুল্লাহ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় কমিটির গ্রাম সরকারবিষয়ক সহ-সম্পাদক বেলাল আহমেদ, ফেনী-১ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুন্সি রফিকুল আলম মজনুর ছোট ভাই ফজলুল আলম বাবু, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কপিল উদ্দিন সরকারসহ দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে শোকার্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে গভীর সমবেদনা জানান ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মুন্সি রফিকুল আলম মজনুর সহধর্মিণী নাজমুন নাহার।
ছাগলনাইয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. এনামুল হক এনাম জানান, ২৫ জানুয়ারি ফেনীতে তারেক রহমানের নির্বাচনি জনসভা ছিল। জনসভায় যোগ দিতে প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে গাড়ির ব্যবস্থা ছিল। ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি সাহাব উদ্দিন জনসভায় যেতে প্রবল আগ্রহ দেখান। তিনি এমনিতে শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। কিন্তু বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সামনাসামনি দেখতে চান তিনি। নাছোড়বান্দা যাবেনই তিনি। গাড়ি থেকে নেমে মিছিল নিয়ে জনসভা মাঠে যাচ্ছিলেন।
তিনি জানান, রেলগেট বরাবর যাওয়ার পর স্ট্রোক করে পড়ে যান সাহাব উদ্দিন। উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। অবস্থার অবনতি হলে তদারকি করে রাতেই তাকে ঢাকায় পাঠান মুন্সি রফিকুল আলম মজনু। সেখানে একটি হাসপাতালে সোমবার রাত দেড়টার দিকে মারা যান তিনি।
দুই মেয়ের বাবা সাহাব উদ্দিনের মৃত্যুতে নেতাকর্মীসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
ফেনী-১ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুন্সি রফিকুল আলম মজনু বলেন, সাহাব উদ্দিন দলের নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। দলের আদর্শ বুকে ধারণ করতেন। আমরা তার পরিবারের পাশে থাকব সবসময়।
