২৫ বছর পর ভোট দিয়ে ফখরুলকন্যার উচ্ছ্বাস
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:২১ পিএম
ভোট দিতে পেরে উচ্ছ্বসিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পুরো পরিবার। সংগৃহীত ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দীর্ঘ দুই দশকের অপেক্ষার পর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে চোখেমুখে তৃপ্তির ঝিলিক দেখা গেছে শামারুহ মির্জার। শুধু শামারুহ নন, অবাধ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পেরে উচ্ছ্বসিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পুরো পরিবার।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ৮টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সপরিবারে ভোট দেন বিএনপি মহাসচিব। এদিন মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ভোট দিয়েছেন তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম, বড় মেয়ে শামারুহ মির্জা ও ছোট মেয়ে মির্জা সাফারুহ।
ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শামারুহ মির্জা জানান, সবশেষ ২০০১ সালে তিনি ভোট দিয়েছিলেন। এরপর দীর্ঘ ২৫ বছর পর ২০২৬ সালে এসে আবারও নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন।
শামারুহ বলেন, অনেক ভালো লাগছে। আমার বাবা একটি সুন্দর ভোটের জন্য দীর্ঘ ১৭ বছর কষ্ট করেছেন। তিনি একা নন, তার সঙ্গে লাখ লাখ মানুষ জেল-জুলুম সহ্য করেছেন। তাদের সেই ত্যাগের ফলেই আজ দেশে এই সুন্দর পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ভোটের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মির্জা ফখরুলের স্ত্রী রাহাত আরা বেগম। অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, খুব সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পারলাম। এর আগে ভোট দিতে এসে দেখেছি আমার ভোট আগেই হয়ে গেছে। আজ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারাটাই বড় আনন্দের।
একই অনুভূতি প্রকাশ করেন ছোট মেয়ে মির্জা সাফারুহও। তিনি বলেন, ১৭ বছর পর এমন পরিবেশ দেখছি। আগে আসতাম আর ফিরে যেতাম, ভোট দিতে পারতাম না। আজ ভোট দিতে পেরে আমি গর্বিত। আল্লাহর কাছে দোয়া করি, বাবার যেন একটি ভালো ফল আসে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোটকেন্দ্রে আসার আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার বাবার কবর জিয়ারত করেন। এরপর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়কেন্দ্রে উপস্থিত হন। ভোটদান শেষে তিনি সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কুশলবিনিময় করেন এবং নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
