Logo
Logo
×

Advertisement

সারাদেশ

উপমন্ত্রী থেকে এবার পূর্ণমন্ত্রী দুলু

Advertisement

Icon

মিজানুর রহমান দুলাল, লালমনিরহাট

প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:১০ পিএম

উপমন্ত্রী থেকে এবার পূর্ণমন্ত্রী দুলু

Advertisement

বরাবরই রাজনৈতিক কৌশলে এগিয়ে ছিলেন আসাদুল হাবিব দুলু। সেই সঙ্গে রংপুর অঞ্চলে এগিয়ে রেখেছিলেন বিএনপিকেও। লালমনিরহাটের মানুষ হলেও শুধু এ জেলায় নয়, আশপাশের জেলাগুলোতেও দলের দেখভাল করেছেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর লালমনিরহাটসহ আশপাশের জেলাগুলোর মানুষের এবার প্রত্যাশা ছিল নিশ্চয়ই বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান পূর্ণমন্ত্রীর পদ উপহার দিবেন আসাদুল হাবিব দুলুকে। শেষপর্যন্ত দলীয় নেতাকর্মীসহ অনেকেরই সেই প্রত্যাশা পূরণ হলো।

দুলুকে দেওয়া হলো ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব। এর আগে ২০০১ সালে নির্বাচিত হয়ে তিনি উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন।

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে প্রায় সাড়ে ৮৩ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন দুলু; যা তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অপর পাঁচ প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের যোগফলের চেয়ে ৭৬ হাজার ৬৭৬ ভোট বেশি। দুলুর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. আবু তাহের পেয়েছেন ৫৬ হাজার ২৪৪ ভোট।

জানা গেছে, ১৯৮৬ সালে প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে হেরে যান আসাদুল হাবিব দুলু। এরপর ১৯৮৯ সালে দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে লালমনিরহাট-৩ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে হেরে যান।

১৯৯৬ সালের ১২ জুন অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মাত্র ২ হাজার ৮৭৪ ভোটে জাতীয় পার্টির জিএম কাদেরের কাছে হেরে যান। যদিও সেই সময় দুলুকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে।

২০০১ সালে অনুষ্ঠিত অষ্টম সংসদ নির্বাচনে ৬৩ হাজার ৩৫৯ ভোট পেয়ে ২০ হাজার ৪৪৭ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন দুলু। সেই সময় তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রয়াত আবু সাঈদ দুলু পেয়েছিলেন ৪২ হাজার ৯১২ ভোট।

প্রথমবারের মতো সংসদে গিয়ে তিনি প্রথমে যোগাযোগ উপমন্ত্রী ও পরে খাদ্য, ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী জিএম কাদেরের কাছে হেরে যান আসাদুল হাবিব দুলু।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আসাদুল হাবিব দুলু তিস্তা নদীর বাংলাদেশ অংশের ১১৫ কিলোমিটারজুড়ে শুরু করেন ‘তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন’। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন দাবিতে নদীপাড়ে টানা ৪৮ ঘণ্টা অবস্থান, মশাল প্রজ্বলনসহ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি নতুন করে তিস্তা ইস্যুকে আন্তর্জাতিক মহলের সামনে তুলে ধরতে সক্ষম হন। সেময় তিস্তাকে ঘিরে গড়ে ওঠা আন্দোলনের খবর দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রভাবশালী মিডিয়ায় উঠে আসে।

Advertisement

Advertisement

ঘটনাপ্রবাহ: নতুন মন্ত্রিপরিষদ


আরও পড়ুন

সম্পর্কিত খবর

৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ যেসব দিবস উদযাপন-পালনে

৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ যেসব দিবস উদযাপন-পালনে

ঢাকার গণপরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

ঢাকার গণপরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

মন্ত্রিসভায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের সংশোধনী অনুমোদন

মন্ত্রিসভায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের সংশোধনী অনুমোদন

পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে নতুন জটিলতা, জানা গেল কারণ

পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে নতুন জটিলতা, জানা গেল কারণ

মঈন খান ও সালাহউদ্দিনের দায়িত্ব বাড়ল, প্রজ্ঞাপন জারি

মঈন খান ও সালাহউদ্দিনের দায়িত্ব বাড়ল, প্রজ্ঞাপন জারি

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর ভ্রমণ বিলে নতুন নির্দেশনা

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর ভ্রমণ বিলে নতুন নির্দেশনা

আরও পড়ুন

কুমিল্লায় ঘুসের ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিকের ওপর হামলা, ভাঙচুর

কুমিল্লায় ঘুসের ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিকের ওপর হামলা, ভাঙচুর

শারদীয় দুর্গোৎসব : পেটের তাগিদে নয় শখ আর ভালোবাসায় টিকে আছে প্রতিমা গড়ার শিল্প

শখ আর ভালোবাসায় টিকে আছে প্রতিমা গড়ার শিল্প

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক কুমিল্লায় যানজটে দিনে ছিনতাই, রাতে ডাকাতি

কুমিল্লায় যানজটে দিনে ছিনতাই, রাতে ডাকাতি

নিজের পায়ে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে গ্রামের নারীরা

নিজের পায়ে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে গ্রামের নারীরা

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম