|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে যুবদলের দুই নেতা ও ছাত্রদলের সাত নেতার কপাল পুড়েছে। তাদের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শুক্রবার বিকালে পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে সংগঠনগুলোর দায়িত্বশীল নেতারা।
বগুড়া জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক সাজু আহম্মেদ রবি স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুস্পষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে নন্দীগ্রাম উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য বুলবুল ইসলাম এবং বুড়ইল ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাককে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বগুড়া জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বহিষ্কৃত নেতাদের কোনো অপকর্মের দায়দায়িত্ব দল নেবে না এবং যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সঙ্গে সাংগঠনিক যোগাযোগ না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে নন্দীগ্রাম উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের সাত নেতাকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে, বগুড়া জেলা ছাত্রদল। শুক্রবার বিকালে জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক সোহান ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুস্পষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে জেলা ছাত্রদলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নন্দীগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নবীর শেখ, নন্দীগ্রাম পৌর ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল হাসান পলিন, দপ্তর সম্পাদক সাজু আহমেদ, প্রচার সম্পাদক সুজন মাহমুদ, সদস্য আব্দুল্লাহ আল শাকিল, আসিফ এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ড পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামকে তাদের দলীয় পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।
বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান ও সাধারণ সম্পাদক এম আর হাসান পলাশ জানান, সংগঠনের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও দলীয় নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন জানান, কয়েকদিন আগে নন্দীগ্রামে বিশৃঙ্খল পরিবেশ পরিস্থিতির কারণে ইতোমধ্যে দলীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সুতরাং সবাইকে বিনয়ী হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। কোনো রকম উচ্ছৃঙ্খল কাজ করা যাবে না। করলেই দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেই সঙ্গে যারা অতি উৎসাহী হয়ে উসকানি দিয়ে যাচ্ছে এবং বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের চোখে নন্দীগ্রামের পরিবেশকে খারাপ বানানোর চেষ্টা করছে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
