ফেসবুকে কটূক্তি করার পরও যুবকের পাশে দাঁড়ালেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ
পঞ্চগড় প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৫ পিএম
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন কলেজপড়ুয়া নিশাদ ইসলাম (২০)।
এ ঘটনায় যুবদলের ইউনিয়ন সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম বাদী হয়ে দেবীগঞ্জ থানায় সদর ইউনিয়নের হাজীপাড়া গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে নিশাদ ইসলামকে আসামি করে শুক্রবার দেবীগঞ্জ থানায় সাইবার নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
এরপর পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে শুক্রবার গভীররাতে ওই যুবককে গ্রেফতার করে পরদিন আদালতে প্রেরণ করে।
পরবর্তীতে এ বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদের নজরে আসে এবং তিনি জানতে পারেন যে, ফেসবুকে মানহানিকর ছবি পোস্টকারী অভিযুক্ত নিশাদ ইসলাম একজন শিক্ষার্থী। সার্বিক বিবেচনায় প্রতিমন্ত্রীর কাছে মনে হয়েছে যে, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী হয়ত বুঝে বা না বুঝে কিংবা অন্য কারো প্ররোচনায় এমন কাজ করেছে। এ কারণে তার ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিমন্ত্রী নিজ উদ্যোগে ওই যুবকের বাবার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে তাকে আইনি সহায়তার আশ্বাস দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অভিযুক্ত যুবক তার সন্তানের সমবয়সি হওয়ায় তাকে তিনি ক্ষমা করে দিয়েছেন।
এ বিষয়ে ওই যুবকের বাবা আশরাফ আলী জানান, প্রতিমন্ত্রী তার ছেলের জামিনের বিষয়ে একজন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ইতোমধ্যে সেই আইনজীবী তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। ফলে খুব দ্রুততম সময়ে গ্রেফতারকৃত যুবকের জামিন মিলবে।
এদিকে প্রতিমন্ত্রীর এই মানবিক উদ্যোগের কথা জানাজানি হলে এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রতিমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনেকে ফেসবুকে তা পোস্ট করেন।
পুলিশ জানায়, নিশাদ ইসলাম তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে পঞ্চগড়-২ (বোদা- দেবীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করেন। তিনি প্রতিমন্ত্রীর জাতীয় সংসদে বক্তব্য দেওয়ার একটি ফটোকার্ড পোস্ট করে তাতে আপত্তিকর মন্তব্য যুক্ত করেন; যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এদিকে পোস্টটি ভাইরাল হওয়ার পর নিশাদ ইসলাম তা আবার মুছেও ফেলেন। এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করে।
