বন্যা পরিস্থিতির অবনতি
বাঁশখালীতে বিশুদ্ধ পানি ও শুকনো খাবারের সংকট
Advertisement
বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৭:০০ পিএম
ছবি: যুগান্তর
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
টানা এক সপ্তাহ অতি বর্ষণের পর বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেও রোববার ভোর থেকে আবারও টানা কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বন্যা পরিস্থিতির ফের অবনতি দেখা দিয়েছে।
পানিবন্দি মানুষের এখন প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও শুকনো খাবারের। বন্যা শুরু হওয়ার পর থেকে সরকারি-বেসরকারি ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চলমান থাকলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় ঠিকমতো পাচ্ছে না পানিবন্দি ভুক্তভোগীরা।
রোববার (১২ জুলাই) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বাহারছাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ইলশা এলাকায় ভিন্ন জায়গা থেকে ত্রাণবাহী বেশ কিছু গাড়ি আসলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় ভুক্তভোগীদের কাছে ত্রাণগুলো পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে, সকাল থেকে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একই ব্যক্তিদের বারবার ত্রাণ পেতে দেখা যায়।
বাঁশখালী উপকূলীয় ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিতে আছে উপজেলার ছনুয়া, শেখারখীল, পূর্ব পুইছড়ি, বৈলছড়ি, কাথারিয়া, শীলকূপ, গণ্ডামারা, বাহারছড়া ও খানখানাবদ ইউনিয়ন ও সরল ইউনিয়নের মিনজিতলা এবং পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড।
বাহারছাড়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. ইব্রাহিম জানান, এবারের বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাহারছাড়া ইউনিয়ন। এ ইউনিয়নে এখন পর্যন্ত শতাধিক মাটির তৈরি ঘর পানিতে বিলীন হয়ে গেছে। পুকুরের মাছ ও বীজতলাসহ অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
খানখানাবাদ ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান মো. শহিদ জানান, বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা কমলেও রোববার ভোর থেকে আবার অতি বৃষ্টি হওয়ায় এলাকার রাস্তাঘাট, বাড়িঘর পানিতে ডুবে গেছে। পাহাড়ি ঢল ও জোয়ারের পানিতে উপকূলের একমাত্র বেড়িবাঁধ লন্ডভন্ড হয়ে গেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন জানান, উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকার মানুষদের জন্য নিরাপদ আশ্রয় রয়েছে। বিশুদ্ধ পানিও শুকনো খাবার ব্যবস্থা চলমান রয়েছে। রোববার পর্যন্ত ৮০ টন চাল ও ৩ হাজার পরিবারে শুকনো খাবার বিতরণ করেছি। ইতোমধ্যে আমাদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর সদস্যরা মাঠে রয়েছে।

-6a5365ac08678.jpg)