বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে কারপাস জটিলতায় আমদানি বন্ধ
Advertisement
বেনাপোল (যশোর) সংবাদদাতা
প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৫ পিএম
বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে কারপাস জটিলতায় আমদানি বন্ধ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে গেট কারপাস জটিলতায় ভারত বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা গেট কারপাস না করার কারণে শনিবার থেকে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে।
আমদানি বাণিজ্য বন্ধ থাকার কারণে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে আটকা পড়েছে শত শত পণ্যবাহী ট্রাক। যার অধিকাংশই বাংলাদেশের শতভাগ রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস শিল্পের কাঁচামাল রয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল থেকে সিএন্ডএফ এজেন্টের সদস্যরা আমদানি বাণিজ্য বন্ধ রেখেছেন।
বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি জানান, বহু দিন ধরে আমরা কোনো অবৈধ মালামালের দায়ভার না নিয়ে ভারতীয় আমদানিকৃত পণ্যবাহী ট্রাকের কারপাস (গেটপাস) দিয়ে গ্রহণ করে আসছি। শনিবার কাস্টমস কর্তৃপক্ষ হঠাৎ নির্দেশনা জারি করেন, স্ব-স্ব সিএন্ডএফ এজেন্টের কর্মচারীদের দায়িত্ব নিয়ে ভারতীয় আমদানিকৃত পণ্যবাহী ট্রাক গ্রহণ করতে হবে। ওই ট্রাকে কোনো অবৈধ মালামাল থাকলে সিএন্ডএফ প্রতিনিধিকে দায়ভার নিতে হবে। এ সংক্রান্ত কোনো দায়ভার কাস্টমস কর্তৃপক্ষ নেবে না। এ সংক্রান্ত কোনো দায়ভার না নেওয়ার শর্তে সিএন্ডএফের পক্ষ থেকে আমরা কোনো গেটপাস ইস্যু করছি না। এতে আমদানি বন্ধ রয়েছে।
বেনাপোল আমদানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে মালামাল রপ্তানি করেন। তারাই ভালো জানেন পণ্যের ভিতরে কী আছে? ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভাররা পথিমধ্যে কোনো অবৈধ মালামাল তুললে তার দায়ভার কোনো সিএন্ডএফ এজেন্ট বা স্টাফরা নিতে পারে না। কাস্টমসের এ ধরনের সিদ্ধান্তের কারণে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন জানান, কারপাস জটিলতার কারণে শনিবার থেকে বেনাপোল পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। তবে রপ্তানি ও চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্ট যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে।
