কাপ্তাই সুইডেন পলিটেনিকে শিক্ষার্থীদের দুপক্ষের সংঘর্ষ
Advertisement
রাঙামাটি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১০:০৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে (বিএসপিআই) ছাত্রাবাসে শিক্ষার্থীদের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টায় হতে প্রায় ১২টা পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে ১৩ শিক্ষার্থী আহত হন। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের শাস্তি ও আঞ্চলিক ফোরাম নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে শনিবার (১৫ আগস্ট) এক যৌথবিবৃতি দিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এ ঘটনায় অটোমোবাইল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রকৌশলী রহমত উল্লাহকে আহ্বায়ক করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। ফেসবুকে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে ছাত্রাবাসে আঞ্চলিক ফোরামের দুটি গ্রুপের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে উভয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে উভয় পক্ষের ১৩ জন আহত হয়।
আহতরা হলেন— হোসেন নুর আবিদ, মোস্তফা ওবায়দুল, তাকপির হাবিব, আরাফাত আবিব, ইমরান, আব্দল্লা আল তৌসিফ আবিদ, আল আমিন, আদিত্য রায়, মো. হাসান খন্দকার, মেহেরাব হোছাইন হিরা, মোস্তাকিন, তারেক হোছাইন ও জাহিদ। গুরুতর আহতদের রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কাপ্তাই থানার ওসি শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত শিক্ষার্থীদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং আবাসিক হলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে আঞ্চলিক ফোরাম নিষিদ্ধের দাবিও জানান তারা।
বিএসপিআই সাধারণ শিক্ষার্থীদের এক যৌথবিবৃতিতে বলা হয়, ছাত্রাবাসে অনাকাঙ্ক্ষিত এ সহিংস ঘটনায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একটি আবাসিক হল শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ বাসস্থান ও শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার জায়গা হলেও এমন ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
আবাসিক হলে শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের প্রধান দায়িত্ব। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া এবং তাদের ওপর হামলার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
