নোয়াখালীতে ব্র্যাককর্মী ও শিশুসহ ৩ লাশ উদ্ধার
Advertisement
নোয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পৃথক ঘটনায় এক ব্র্যাককর্মী, এক গৃহবধূ ও এক শিশুসহ তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে পৃথক সময়ে এসব লাশ উদ্ধার করা হয়।
সুবর্ণচর উপজেলা প্রশাসন ও চরজব্বর থানা পুলিশ সূএ জানায়, ব্র্যাকের কর্মসূচি সহকারী-পিএ দাউদুল ইসলাম অফিসের পাশে একটি কক্ষে থাকতেন। সোমবার রাতে তিনি ব্র্যাকের ম্যানেজরাকে বলেন তার শরীরটা ভালো লাগছেনা। তাই তিনি অফিসের ওপরে গেস্ট রুমে আজকে থাকবেন। পরে তিনি গেস্ট রুমের ছাবি নিয়ে সেখারে রাতে থাকতে যান। সকাল ৯টার দিকে অফিসের পিয়ন চাবির জন্য গেস্ট রুমে গেলে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। তবে পুলিশ ও নিহতের স্বজনেরা আত্মহত্যার কোন কারণ জানাতে পারেনি।
নিহত দাউদুল ইসলাম ফেনী সদর উপজেলার এলাহীগঞ্জ বাজার এলাকার আবুল কালামের ছেলে। তিনি সুবর্ণচরে চরজব্বার ইউনিয়নে ব্র্যাকের কাঞ্চন বাজার শাখায় (কর্মসূচি সহকারী-পিএ) হিসেবে কর্মরত ছিল।
অন্যদিকে, চরজব্বর ইউনিয়নের জাহাজমারা গ্রামের রিপনের স্ত্রী তামান্না আক্তার (২৩) কে নিজ বাড়ির ঘরে থেকে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠায়। ঢাকায় নেওয়ার পথে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় পৌঁছালে তার মৃত্যু হয়। পরে লাশ বাড়িতে নেওয়া হলে পুলিশ সেখান থেকে লাশ উদ্ধার করে।
এদিকে, চরআমানউল্যাহ ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জসিম উদ্দিনের ছেলে হামিম (৩) বসতবাড়ির পুকুরে পানিতে ডুবে মারা যায়।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান বলেন, দাউদুল ইসলাম ও তামান্না আক্তারের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এসব ঘটনায় পৃথক অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। শিশুটির মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার নাসির উদ্দীন রাত সাড়ে আটটায় এ সব খবর নিশ্চিত করে বলেন, এসব ব্যাপারে আইন মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
