দিরাইয়ে কালনী নদীতে গৃহকর্মীর লাশ, স্বজনদের অভিযোগ হত্যা
দিরাই (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দিরাই উপজেলার রজনীগঞ্জ টানাখালি এলাকায় কালনী নদী থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারীর পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তিনি শান্তিগঞ্জ উপজেলার সলফ গ্রাম থেকে নিখোঁজ হওয়া গৃহপরিচারিকা লাকি বেগম। নিহতের স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে পরিচয় নিশ্চিত করেন। লাকি বেগম দিরাই উপজেলার জগদল গ্রামের মৃত আব্দুস শহিদ মিয়ার মেয়ে।
পুলিশ ও নিহতের স্বজন সূত্রে জানা যায়, লাকি বেগম বিগত ১১ মাস ধরে শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সলফ গ্রামের কামাল মিয়ার বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। বিবাহবিচ্ছেদের পর এতিম ও অসহায় লাকি বেগম স্বজনদের আশ্রয়ে থাকতেন। তার বাবা-মা ও একমাত্র ভাই ইতোপূর্বেই মৃত্যুবরণ করেছেন।
গৃহকর্তা কামাল মিয়ার দাবি, গত ২১ আগস্ট (শুক্রবার) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে লাকি বেগম কাউকে কিছু না জানিয়ে ঘরের কিছু চাবি ও নিজের কাপড়ের ব্যাগ নিয়ে হঠাৎ নিখোঁজ হন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর সন্ধান না পেয়ে তিনি শান্তিগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
তবে নিহতের স্বজনদের দাবি এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। নিহতের ছোট চাচা দবির মিয়া অভিযোগ করে বলেন, আমার এতিম ভাতিজিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছেন গৃহকর্তা কামাল মিয়া। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।
দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং পরিচয় শনাক্ত করে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
