সীতাকুণ্ডে সংঘর্ষ-অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় গ্রেফতার ৩
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম
সীতাকুণ্ডে সংঘর্ষ ও অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় গ্রেফতারকৃতরা
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সীতাকুণ্ডে গত ১ সেপ্টেম্বর পৃথক জনসমাবেশকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুই গ্রুপের মধ্য সংঘর্ষ ও অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও একটি দেশীয় তৈরি একনলা কাটাবন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- সাদেক (২৯), কামরুল (৩৯) ও হানিফ (৩৪)। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন মামলা রয়েছে।
তাদের দেওয়া তথ্য ও তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সীতাকুণ্ড থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১১টি ধারালো ছুরি, ৩টি কিরিচ, ১টি দা ও ১৫টি লাঠি উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ১টি দেশীয় তৈরি একনলা কাটাবন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জানিয়েছেন, গত ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সীতাকুণ্ডে পৃথক জনসমাবেশকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা ধাওয়া-পালটা ধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় কয়েকজনকে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করতে দেখা যায়।
চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, অস্ত্র প্রদর্শনের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান শুরু করি।
এরই ধারাবাহিকতায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারদের দেওয়া তথ্য এবং তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সীতাকুণ্ড থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১১টি ধারালো ছুরি, তিনটি কিরিচ, একটি দা ও ১৫টি লাঠি উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি দেশীয় তৈরি একনলা কাটাবন্দুকও উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অবৈধ অস্ত্রের প্রদর্শন কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। অপরাধী যে দলের, যে গ্রুপের বা যে রাজনৈতিক পরিচয়ই ব্যবহার করুক না কেন- কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ঘটনায় জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতার এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, গত কয়েক দিন ধরে সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। এ অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে।
