Logo
Logo
×

Advertisement

সারাদেশ

মোটরসাইকেল চুরির সন্দেহেই যুবদল কর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল

Icon

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪০ পিএম

মোটরসাইকেল চুরির সন্দেহেই যুবদল কর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল

Advertisement

চট্টগ্রামে রাউজানে যুবদল কর্মী মোহাম্মদ করিমকে মোটরসাইকেল চুরির সন্দেহে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেফতারের পর খুনের রহস্য উন্মোচন করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি।

গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে- সৈয়দ মোহাম্মদ শুক্কুর, মো. জাবেদ, মো. সেলিম ও মো. আলামিন।

তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি দেশীয় এলজি, একটি এয়ারগান, দুটি ১২ বোরের সীসার কার্তুজ, একটি চাপাতি ও একটি গ্রিল কাটার উদ্ধার করা হয়।

সোমবার দুপুরে নগরীর ২ নাম্বার গেট চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য দেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা পারভেজকে খুঁজছে পুলিশ।

গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে রাউজান থানার উরকিরচর ইউনিয়নের কেরানিহাট এলাকায় মোহাম্মদ করিমকে প্রকাশ্যে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনের জানানো হয়- করিম হত্যাকাণ্ড চট্টগ্রামে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শুক্কুর ও জাবেদকে চট্টগ্রাম নগরের চাঁন্দগাঁও থানার কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকা থেকে এবং সেলিম ও আলামিনকে হাটহাজারীর দক্ষিণ মাদার্শা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে শুক্কুর ও জাবেদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাউজানের পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের মগদাই এলাকায় পারভেজের পরিত্যক্ত গরুর খামার থেকে অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্য ও তদন্তে উঠে আসে হত্যাকাণ্ডের পুরো বিষয়টি। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১০ দিন আগে পারভেজের মামা আজগরের একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। ওই ঘটনায় করিমকে সন্দেহ করেন পারভেজ। মোটরসাইকেলটি ফেরত দেওয়ার জন্য তিনি করিমকে চাপ দেন। তবে করিম চুরির সঙ্গে জড়িত নন বলে জানান। তারপরও পারভেজ মোটরসাইকেল চুরির সন্দেহে করিমকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

ঘটনার দিন সন্ধ্যায় পারভেজ তার সোর্সের মাধ্যমে কৌশলে করিমকে কেরানিহাট বাজার এলাকায় ডেকে আনেন। সেখানে পারভেজসহ অন্যরা অবস্থান করছিলেন। করিম সেখানে পৌঁছালে তাকে প্রথমে গুলি করা হয়। পরে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

ঘাতকদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরপর পুলিশ বিভিন্ন সোর্স থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। একপর্যায়ে শুক্কুর ও জাবেদকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়- হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র ও কার্তুজ পারভেজের পরিত্যক্ত গরুর খামারে রাখা হয়েছে। সোমবার তাদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে অভিযান চালানো হয়। খামারের ভেতরে সিমেন্টের তৈরি একটি গামলার মধ্যে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় অস্ত্র ও আলামতগুলো উদ্ধার করা হয়।

সেলিমের বিরুদ্ধে একটি চুরির মামলা, জাবেদের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা এবং আলামিনের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা রয়েছে।

এসপি মাসুদ আলম জানান, পারভেজসহ মামলার অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলমান রয়েছে  এ ঘটনায় গ্রেফতার ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

রহস্যজনক ভূমিকায় বিআইডব্লিউটিএ পদ্মার ছয় মৌজায় অবাধে বালু ও মাটি লুট

পদ্মার ছয় মৌজায় অবাধে বালু ও মাটি লুট

৪৫ শয্যার ওয়ার্ডে ভর্তি ২১৫ গাছতলায় চিকিৎসা শিশুদের

গাছতলায় চিকিৎসা শিশুদের

শান্তির উদ্যোগ আস্থা পায়নি

শান্তির উদ্যোগ আস্থা পায়নি

সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু প্রথম দিনে পৌঁছাল ৮৩৬ পর্যটক উৎসবের আমেজ

প্রথম দিনে পৌঁছাল ৮৩৬ পর্যটক উৎসবের আমেজ

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম