ধর্ষণের শিকার শিশুর সন্তান প্রসব
ডিএনএ টেস্টে প্রমাণের পর প্রতিবেশীর যাবজ্জীবন
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন, টাঙ্গাইল
প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৩ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
টাঙ্গাইলে মিথ্যা বলে শিশুকে বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন প্রতিবেশী দাদা রশিদ মিয়া। এতে ওই শিশু অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে ২০২৪ সালে কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়।
এ ঘটনায় মামলা হলে ডিএনএ টেস্টে প্রমাণ মেলে। এ মামলায় রশিদ মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে আসামির উপস্থিতিতে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. আব্দুল মজিদ এ রায় দেন।
রায়ে আসামিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডিত রশিদ মিয়া (৫৫) মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের আগছাওয়ালী গ্রামের গোলামের ছেলে।
টাঙ্গাইলের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পিপি খন্দকার মো. রোকুনুজ্জামান জানান, ২০২৪ সালের ১৪ এপ্রিল ১৪ বছরের এক শিশু তার দাদিকে ডাকার জন্য পুকুরপাড়ে যায়। এ সময় প্রতিবেশী সম্পর্কে দাদা দণ্ডিত রশিদ মিয়া তাকে বলে শিশুটির দাদি তার বাড়িতে গেছে। পরে শিশুটিকে সঙ্গে নিয়ে নিজ বাড়িতে যায় এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনা কাউকে জানালে শিশু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করবে বলে জানায় দণ্ডিত আসামি।
পরে ভিকটিমের শারীরিক অবস্থা পরিবর্তন হলে তার মায়ের কাছে ধর্ষণের কথা বলে। ধর্ষণের ঘটনায় শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর ভিকটিম তার পিতার বাড়িতে কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়।
এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করে। পরে আদালত মির্জাপুর থানাকে মামলাটি এজাহারের জন্য আদেশ দেন। দণ্ডিত আসামি রশিদ মিয়ার ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টে ভিকটিমের কন্যা সন্তানের পিতা বলে নিশ্চিত হয়। পরে সব সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে বিচারক রায় ঘোষণা করেন।
আসামির পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী একেএম শামীমুল আক্তার।
