ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড
পূর্বধলায় হাজেরার বাড়িতে শোকের মাতম
নেত্রকোনা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৯ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের সময় মারা যাওয়া হাজেরা বেগমের (৫০) বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। হাজেরা নেত্রকোনার পূর্বধলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের ভুগী গ্রামের আইয়ুব আলীর স্ত্রী।
মঙ্গলবার সরেজমিন হাজেরার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় জানাজা শেষে তাকে বাড়ির আঙিনায় দাফন করা হচ্ছে। এ সময় স্বজনরা আহাজারি করছিলেন।
এদিকে হাসপাতালে আগুনের সময় ওই নারী স্ট্রোক করে নাকি হুড়োহুড়ির সময় সিঁড়ি থেকে পড়ে মারা গেছেন- এ নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।
হাজেরা বেগমের দাফন সম্পন্নের পর তার ভাতিজি জামাই জায়েদুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, সোমবার রাতে আমাকে ফোন করে জানানো হয় ফুফু শাশুড়ি (হাজেরা) হাসপাতালে আগুন লাগার সময় মারা গেছেন। হুড়োহুড়ি করে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় তিনি পড়ে যান। এতে স্ট্রোক করে তিনি মারা যান।
হাজেরা খাতুনের ভাগিনা রিপন মিয়া বলেন, আগুন লাগার পর নামার সময় সিঁড়িতে পড়ে খালা নিহত হয়েছেন।
তবে হাজেরা বেগমের স্বামী আইয়ুব আলী দাবি করেন, হাসপাতালে আগুন লাগার আগেই তিনি তার স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসেন। আগুনের কারণে আমার স্ত্রী মারা যায়নি। তার হার্টের রিং পরানোর কথা ছিল। তার ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যাসহ নানা জটিল রোগ ছিল।
হাজেরার ছোট ছেলে মাজহারুল ইসলাম ওরফে ফারুক বলেন, আম্মা হাসপাতালে আগুন লাগার পর এটা শুনে স্ট্রোক করে মারা যান। পরে সন্ধ্যার সময় তাকে হাসপাতাল থেকে নিয়ে আসি। তবে পদদলিত হয়ে তিনি মারা যাননি।
পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও শফিকুল ইসলাম বলেন, ওই নারীর স্বজনরা জানিয়েছেন তিনি খুবই অসুস্থ ছিলেন। হার্টের রিং পরানোর কথা ছিল। স্ট্রোক করে তিনি মারা যান।
